আজ শনিবার,২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং,৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৩:০৮
  • মাঝ বয়সী নারীদের প্রতি যুবকরা কেন আকৃষ্ট হয়?
  • বিয়ের আগে যেসব পরীক্ষা করা জরুরী
  • বেনাপোল ঘিবা সীমান্তে পিস্তল,গুলি, ম্যাগাজিন ও গাঁজাসহ আটক-১
  • টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রখর রোদে দাঁড় করিয়ে মানব বন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
  • বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন ঠাকুরগাঁও পৌরসভা
  • সরে দাঁড়িয়েছেন বুবলী, শাকিবের চাই নতুন নায়িকা!
  • ফিচার লেখক সম্মেলন ২০১৮ সম্পন্ন

আমাদের দেশের ব্যবসায়ীদের লোভটা অত্যন্ত বেশি: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদেরকে ‘লোভী’ বলে সমালোচনা করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ীরা কর দিতে চায় না। এটা বিশ্বে কোথাও নেই।

রোববার (১১ মার্চ) সচিবালয়ে নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মুহিত।

ব্যবসায়ীদের সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ব্যবসায়ীরা ট্যাক্স দিতে চান না। তারা বিনা মাশুলে ব্যবসা করতে চান। এসব ব্যবসায়ীদের লোভ একটু বেশি। বিশ্বের কোথাও এমনটি নেই।’

অর্থমন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে বিসিএস (কাস্টমস এন্ড ভ্যাট) অ্যাসোসিয়েশন ও বিসিএস (ট্যাক্সেশন) অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন অর্থমন্ত্রী।

চলতি অর্থবছর থেকেই সব পণ্য ও সেবায় ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের ঘোষণা দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। তবে সংসদে আওয়ামী লীগের সদস্যদের সমালোচনা এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুপারিশের পর এই আইনের বাস্তবায়ন দুই বছর পিছিয়ে দেন অর্থমন্ত্রী।

সম্প্রতি ভ্যাট বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগে নিয়ে মতামত চাওয়া হয়েছে এফবিসিসিআইয়ের কাছে। কিন্তু তা নিয়ে ব্যবসায়ীরা যে খুশি নন।

এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলে, ‘দে (ব্যবসায়ীরা) ডোন্ট ওয়ান্ট টু পে, নিজের পকেট থেকে পয়সা পৃথিবীর কেউ দিতে চায় না। তবে আমাদের দেশ একটু বেশি, লোভটা অত্যন্ত বেশি।’

বৈঠকে মন্ত্রী জানান, আগামীতে যে ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন হবে তাতে ভ্যাটের দুই রকম হার থাকবে।

মুহিত বলেন, ৫০ হাজার ইসিআর মেশিন আমদানি করা হচ্ছে। যেসব ব্যবসায়ীরা এসব মেশিন ব্যবহার করবে তাদের ভ্যাটের উপর ২ শতাংশ ছাড় দেয়া হবে। তিনি এনবিআরকে অনলাইনে ভ্যাট আদায়ে জোরদার করার তাগিদ দেন।

সাংবাদিকদের অন্য প্রশ্নের জবাবে মুহিত জানান, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ থেকে ১২ শতাংশ কম। তবে শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ‍রাজস্ব আদায় হয়ে যাবে বলে আশাবাদী তিনি।

অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি বাস্তবায়নের হার ৩৫ শতাংশ জানিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, তিনি আশা করছেন অর্থ বছর শেষে এটি ৯৩ শতাংশ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী তিনি।


samakalnews24.com এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

অর্থনীতি-ব্যবসা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ