আজ শনিবার,২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং,৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, সময়: রাত ৩:৫৮
  • মাঝ বয়সী নারীদের প্রতি যুবকরা কেন আকৃষ্ট হয়?
  • বিয়ের আগে যেসব পরীক্ষা করা জরুরী
  • বেনাপোল ঘিবা সীমান্তে পিস্তল,গুলি, ম্যাগাজিন ও গাঁজাসহ আটক-১
  • টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রখর রোদে দাঁড় করিয়ে মানব বন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
  • বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন ঠাকুরগাঁও পৌরসভা
  • সরে দাঁড়িয়েছেন বুবলী, শাকিবের চাই নতুন নায়িকা!
  • ফিচার লেখক সম্মেলন ২০১৮ সম্পন্ন

সুশীলদের দুষ্টু ফাঁদ ও নতুন বাংলাদেশ

ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্কে নিভৃত জীবন যাপনকারী বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান এবং ওয়ান ইলেভেনের অন্যতম পরিকল্পনাকারী জেনারেল মঈন ইউ আহমেদের নতুন প্রকাশিতব্য বইতে একটা মজার তথ্য পাওয়া গেছে। খসড়া পান্ডুলিপিতে মঈন ইউ আহমেদ ‘শেখ হাসিনাকে ‘বিচক্ষণ, দেশপ্রেমিক এবং রাষ্ট্রনায়োকচিত গুণাবলী সম্পন্ন রাজনীতিবীদ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। অন্যদিক বেগম জিয়াকে ‘পরিবার কেন্দ্রিক, অস্থির এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।’

প্রকাশিতব্য মঈন ইউ আহমেদের দ্বিতীয় গ্রন্থটি বিশ্লেষণমূলক। এই বইতেওয়ান-ইলেভেনের ব্যর্থতা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা বর্ননা করেছেন। পান্ডুলিপিতে তিনি সুশীল সমাজের কঠোর সমালোচনা করে লিখেছেন, ‘আমাদের সুশীল সমাজ ক্ষমতালোভী, স্বার্থপর এবং জনবিচ্ছিন্ন।’ খসড়া পান্ডুলিপির দ্বিতীয় অধ্যায়ে তিনি দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে বিস্তারিত বলেছেন।

মঈন ইউ আহমেদ বলেন ‘দেশে শক্তিশালী এবং ক্রিয়াশীল একটি সুশীল সমাজ দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তার করে তাদের রাজনীতি থেকে অবসরে পাঠানোর জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপর ক্রমাগত চাপ দিতে থাকে। এই সুশীল সমাজের নিয়ন্ত্রনে ছিলো দেশের সর্বাধিক প্রচারিত বাংলা ও ইংরেজি দৈনিক। তাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা এবং আমার অন্তত তিন দফা বৈঠকে তারা বার বার দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তার করে রাজনীতি থেকে বিদায় করতে বলেন।’

তিনি লিখেছেন ‘সুশীলদের দুষ্ট ফাঁদে পা দেয়াটা ছিলো সেনাপ্রধান হিসেবে আমার ভুল সিদ্ধান্ত। পরবর্তীতে দেখলাম, এরা শুধু নিজের স্বার্থই বোঝেন, জনগণের কথা কিছুই ভাবেন না। এরা অত্যন্ত লোভী, পদ-পদবী এবং নানা সুযোগ সুবিধার জন্য এদের নিয়মিত তদবির আমার মোহ ভঙ্গ ঘটায়।’

দুই নেত্রীকে গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে মঈন ইউ আহমদ বলেন ‘শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার কোন যৌক্তিক এবং আইনগত কারণ আমরা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। কিন্তু বেগম জিয়াকে এককভাবে গ্রেপ্তার করা সম্ভব ছিলো না। তখন আমরা পুরনো কিছু মামলা দিয়ে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করি। কিন্তু বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে আমরা সুস্পষ্ট দূর্নীতির অভিযোগ পাই। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে কোন বিচারেই মামলা যোগ্য ছিলো।’

মঈন ইউ আহমেদ তাঁর খসড়া পান্ডুলিপিতে বলেছেন ‘খালেদা জিয়া রাজনীতি ছেড়ে বিদেশে যেতে সম্মত ছিলেন। তাঁর কাছে তার দুই সন্তানের নিরাপত্তাই মুখ্য ছিলো। কিন্তু শেখ হাসিনা রাজনীতি ছেড়ে বিদেশে যেতে অস্বীকৃতি জানান। মূলত: শেখ হাসিনা একাই দাবার ছক উল্টে দেন।’ তিনি লিখেছেন ‘এখন বুঝি সুশীল সমাজ কেন তার (শেখ হাসিনার) উপর ক্ষুদ্ধ ছিলো। আদর্শের এবং নীতির প্রশ্নে তাকে টলানো অসম্ভব।’

শেখ হাসিনার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা লিখতে গিয়ে তিনি বলেছেন ‘আমি সৌভাগ্যবান, আমি বেগম খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনা দু’জনের অধিনেই সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেছি। দুজনের পার্থক্য, দেশ পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গী সম্পর্কে বইয়ে দীর্ঘ আলোকপাত করা হয়েছে। দুজনের পার্থক্য করতে যেয়ে সাবেক সেনাপ্রধান বলেছেন ‘শেখ হাসিনা বিচক্ষণ, দেশ প্রেমিক। দেশের প্রশ্নে তিনি অটল।’ অন্যদিকে বেগম জিয়াকে সাবেক সেনাপ্রধান অস্থির পরিবার কেন্দ্রিক এবং প্রতিহিংসাপরায়ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

জেনারেল তার পান্ডুলিপিতে লিখেছেন ‘দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহনের এক আশ্চর্য ক্ষমতা শেখ হাসিনার আছে। অন্যদিকে বেগম জিয়া সিদ্ধান্ত দিতে কালক্ষেপনের নীতি গ্রহন করতেন।’

এ প্রসঙ্গে জেনারেল বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। খসড়া পান্ডুলিপিতে মঈন ইউ আহমেদ বলেন ‘বেগম জিয়ার প্রধান সমস্যা হলো তার ছেলে তারেক জিয়া।’ বেগম জিয়ার প্রতিহিংসা পরায়নতাই তার দেশ ত্যাগের প্রধান কারণ বলে গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। মঈন ইউ আহমেদ তার খসড়া গ্রন্থে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দুর্নীতি এবং দূর্বৃত্তায়নকে উন্নয়নের অন্যতম সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

২০১৬ সালে ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম সাহেব যাচাই বাছাই ছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির খবর ছেপে ‘ভুল স্বীকার’ করার পর থেকে সরকারী দলের কোপানলে পড়েছেন বলে অনেক মন্তব্য করলেও সেই ভুলের আরেক স্বীকার বিএনপি নেত্রী নিশ্চুপ, নিশ্চল আছেন। অনেকে বলছে বিএনপি’র পায়ের নীচে মাটি নেই তাই তারা বিষ হজম করছে। মাহফুজ আনাম সাহেবের বিরুদ্ধে সারা দেশে অনেক মামলা হয়েছে, এগুলো রাজনৈতিক মামলা। এতে মাহফুজ আনাম সাহেব ও তাঁর সহযোগীরা এত ঘাবড়ে কেন গিয়েছিলেন তাঁর কারণ এখন জানা গেলো মঈন ইউ আহমেদের লেখা ২য় গ্রন্থ থেকে।

পিছন ফিরে সেই খবরটা কি তা একটু দেখে নিই। সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের সরবরাহ করা ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির খবর’ যাচাই ছাড়া প্রকাশ করে সাংবাদিকতা জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছেন বলে স্বীকার করে নিয়েছেন ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। “এটা আমার সাংবাদিকতার জীবনে, সম্পাদক হিসেবে ভুল, এটা একটা বিরাট ভুল। সেটা আমি স্বীকার করে নিচ্ছি”। ইংরেজি দৈনিকটির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বেসরকারি টেলিভিশন স্টেশন এটিএন নিউজে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রশ্নের মুখে মাহফুজ আনামের এই স্বীকারোক্তি আসে।

মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় এই অনুষ্ঠানে মাহফুজ আনাম গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা নিয়ে কথা বলেছিলেন। সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ডেইলি স্টারের বিতর্কিত ভূমিকার প্রসঙ্গ শুরুতেই সঞ্চালক তুললে তা অস্বীকার করেন মাহফুজ আনাম। অনুষ্ঠানের আলোচক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ‘হেড অফ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও এডিটোরিয়াল পলিসি কো-অর্ডিনেটর’গাজী নাসিরউদ্দিন আহমেদও তখন ডেইলি স্টার নিয়ে নানা অভিযোগের বিষয়টি তোলেন।

২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর সেনা হস্তক্ষেপে গঠিত ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে ডেইলি স্টারের ‘সমর্থন’ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। তার আগে সিপিডির উদ্যোগে প্রথমআলো ও ডেইলি স্টারের সহযোগিতায় দেশজুড়ে নাগরিক সংলাপে‘বিরাজনীতিকরণের’ প্রচার চালিয়ে অসাংবিধানিক সরকারের প্রেক্ষাপট তৈরি করা হয়েছিল বলে সমালোচকদের যুক্তি।

আলোচনা সভায় বিষয়গুলো তোলা হলে মাহফুজ আনাম অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে সুনির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ করতে বলেন। গাজী নাসিরউদ্দিন তখন শেখ হাসিনার ‘ঘুষ নেওয়ার’ প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করেন, যা বন্দি আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের স্বীকারোক্তিতে এসেছে বলে কোনো সূত্রের উদ্ধৃতি ছাড়াই প্রকাশ করা হয়েছিল।

দুই প্রধান রাজনৈতিক নেত্রী শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করতে ওই সময় ‘মাইনাস টু ফর্মুলা’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তাদের চরিত্র হননের চেষ্টা চালানো হয়েছিল বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনে প্রথমেই মাহফুজ আনাম বলেন, তখন ‘সবাই’ এই কাজ করছিল।

এখনো অনেকেই বলেন যে, একই ভুল আওয়ামীলীগের অনেকেই করেছেন তবে তাঁদের ব্যাপারে কেন আওয়ামীলীগ কেন নিশ্চুপ? এ ব্যাপারে আমার জবাবটা কিন্তু একটু ভিন্ন। সংস্কার পন্থীরা দুই রকম। এক, যারা প্রথমবারের মতো বিদ্রোহে জড়িয়েছেন আর দুই, যারা এর আগেও বিদ্রোহে করেছেন। ২০০৭-২০০৮ সালের তত্তাবধয়ক সরকারের ক্ষমতা লোপ পাবার পরেই এক নং গ্রুপের নেতারা সবাই কিন্তু এমন কি দুই নং গ্রুপের অনেকেই তাঁদের স্ব স্ব নেতা-নেত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন, তাঁদেরকে দিয়ে সেনা সমর্থিত সরকার কিভাবে একাজ করিয়েছে তাঁর ব্যাখ্যা দিয়েছেন নানা ঘটনা আর প্রমাণসহ। যাদের কথা তথ্য-প্রমাণে বিশ্বাসযোগ্য ছিল তাঁরা শেখ হাসিনা/ খালেদা জিয়ার কাছে ফিরতে পেরেছেন। কিন্তু যারা শুধুই মুখে মুখে ক্ষমা চেয়েছেন কিন্তু প্রমাণ হাজির করতে পারেননি তাঁরা এখনো সাইড লাইনে প’ড়ে আছেন।

মাহফুজ আনামকে যারা রাজনৈতিক বিদ্রোহীদের কাতারে মিলাতে চান তাঁরা তা করছেন বিশেষ উদ্দেশ্য বলেই মনে হয়। মাহফুজ আনাম তাঁর অপরাধের জন্য কি ক্ষমা চিয়েছেন? বলতে পারেন ভুল স্বীকার আর ক্ষমা একই কথা। উপরের কথা পড়লে বুঝা যায় তিনি বাধ্য হয়ে ভুল স্বীকার করেছেন। মাহফুজ আনামকে সবাই সাধুবাদ জানাতেন যদি উনি শেখ হাসিনা আর খালেদা জিয়ার কাছে ক্ষমা চাইতেন সেই সময় যখন বিএনপি আওয়ামীলীগের নেতারা ক্ষমা চেয়েছেন বা ভুল স্বীকার করেছেন। উনারা করেননি কারণ উনারা আর তাঁদের নেতা ডক্টর ইউনুসের অনেক বিদেশী বন্ধু আছে। তাই দেশের প্রতি তাঁদের কোন দায়বদ্ধতা নেই, যদিও বাংলার গরীব মানুষের ট্যাক্সের টাকার ভর্তুকি পেয়েই তাঁরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন। উনাদের মনে কৃতজ্ঞতা থাকলে ডক্টর আতিউরের মতো বলতেন ‘হাটের মধ্য থেকে চাঁদা তুলে যাদের সাহায্যে আমার লেখাপড়া হয়েছে তাঁদের ঋণ আমি শুধতে পারবো না কোনদিন’।

মাহফুজ আনামের অন্যতম সহযোগী মতিউর রহমান প্রথমআলোতে দুই নেত্রীকে বিদায় নিতে বিশেষ সম্পাদকীয় লেখেন সেই কথা বাদ দিয়েই বলি মাহফুজ আনাম ভালোমানুষ সাংবাদিক। অনেকের পছন্দের মানুষও। দেশের আরও অনেকের মতো ‘খাম’, ‘বান্ডিলের’ বিনিময়ে (জনসংযোগ কর্মকর্তা থাকার সময় তাঁদেরকে যা করতে হয় বা করেন) তিনি কোনও রকম যাচাই ছাড়া ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির রিপোর্ট’ ছেপে ডিজিএফআই’র প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কাজ করেছেন,এমন ঢালাও মন্তব্য অযথা বিশ্বাস করার কারণ নেই। এর শিকড় গভীরে ছিলতা জেনারেল মঈন ইউ আহমেদের নতুন বইতে উঠে এসেছে। সত্য কখনো গোপন থাকে না, একদিন তা প্রকাশিত হয়ে যায়।

আমাদের দেশের প্রায় সবাই ভালো মন্দ সব কাজেই রাজনীতিকদের চোদ্দ গুষ্ঠি উদ্ধার করেন। রাজনীতিকরা নাকি খুব খারাপ। কিন্তু বিপদে সবাই যান রাজনীতিকদের কাছে। ‘যতো দোষ নন্দ ঘোষের’ মতো ক’রে ব’লে সবাই নিজের চেহারা আড়াল করেন। কিন্তু সুযোগ পেলেই সবাই রাজনীতিক হ’তে চান কোন মোহে তা কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে অপরিষ্কার মিডিয়ার কল্যাণেই। এই মিডিয়াই খুব নিপুণতার সাথেই রাজনীতিকদের চরিত্র হরণ করে থাকেন। কিন্তু রাজনীতিবিদ হয়ে সর্টকার্ট ক্ষমতায় যেতে চান মিডিয়ারও অনেকেই। মাহফুজ আনাম তাঁর বাপের মতো অল্প কষ্টে ক্ষমতায় যাবার সুযোগ খুঁজেছিলেন বলে কেউ অভিযোগ করলে তাঁকে কী বলবেন। হঠাৎ রাজনীতিক হয়ে ক্ষমতায় যেতে চান, ব্যবসায়ী, আমলা বা অনেক জ্ঞানী লোকেই। কিন্তু বলার সময় রাজনীতিকদের নামে কুৎসিত কথা বলতে একটুও ছাড়েন না।

সুশীলদের দুষ্ট ফাঁদ এবংখালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা সম্পর্কেজেনারেল মঈন ইউ আহমেদেরবিশ্লেষণ যে কত সঠিক তা সাম্প্রতিককালের বাংলাদেশের রাজনীতির খবরাখবর আর উন্নয়নের গতি দেখলেই বুঝা যায়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নতুন এই বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের মডেল বলে বিশ্ব মোড়লরা প্রচার করছেন।দেশের সর্বাধিক প্রচারিত বাংলা ও ইংরেজী দৈনিকের সম্পাদক আর জেনারেল মইন ইউ আহমেদরা না থাকলে হয়তো মধ্যম আয়ের (শীঘ্রই ঘোষিত হবে) এই বাংলাদেশ আমরা পেতাম না। তাই তাঁদেরকে অনেক ধন্যবাদ।

লেখক-সায়েদুল আরেফিন, উন্নয়ন কর্মী ও কলামিস্ট

E-mail: arefinbhai59@gmail.com


samakalnews24.com এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

রাজনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ