২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ই’য়াবা সহ আটক-১ মহাদেবপুর-ছাতড়া সড়ক খানাখন্দে ভরা; দূর্ভোগ চরমে বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবকদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সাংবাদিক ইকবাল হোসেনের শ্বশুরের ইন্তেকালে শোক প্রকাশ দুর্গাপুরে মা সমাবেশ

আগের মত এখন আর ক্লান্ত লাগে না

 বিনোদন ডেস্কঃ সমকাল নিউজ ২৪

সোশ্যাল মিডিয়ার এক আলোচিত নাম সানাই। সারাদেশের মানুষ চেনে তাকে। সানাই বেশি আলোচনায় এসেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে কিংবা লাইভে এসে।

এদিকে তার অভিনীত ‘ময়নার ইতিকথা’ ও ‘সুপ্ত আগুন—দ্য হিডেন ফায়ার’ নামে দুটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায়।

সিনেমা মুক্তি পেতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে হয় তো। তবে তার আগেই নতুন গানের ভিডিও নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছেন সানাই।

ঈদের আমেজেই আসছে গানটি। ‘ফিগার আমার দেশলাই, সারাদেশে এমন পিস নাই, নেশারই রঙে নানান ঢঙে, নাচ না আমার সঙ্গে, রূপে আমার আগুন জ্বলে’ এমনই কথার গানটি লিখেছেন সুদীপ কুমার দ্বীপ। গানটি গেয়েছেন সাবরিনা সাবা।

‘দেশলাই’ শিরোনামের আইটেম ঘরণার এই গানটির ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন এ কে আজাদ। ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন মনোরম লোকেশনে এরই মধ্যে শুটিং শেষ হয়েছে। এখন এডিটিং চলছে।

সানাই বলেন, ‘ঈদের চারদিন পরই ইউটিউবে প্রকাশ হবে গানটি। বেশ বড় বাজেটের আইটেম গান এটি। আশা করছি ঈদের বড় চমক হবে। ভিডিওতে আমার সঙ্গে চলচ্চিত্রের খলনায়ক ডনও আছেন। এ ছাড়া আরও ৩০ জন গানটির সঙ্গে নৃত্যে অংশ নিয়েছেন।’

এবারই প্রথম নয়। এর আগে তিনটি মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন সানাই। গানগুলো হলো- ‘প্রেমের নেশায়’, ‘বড় লোকের মেয়ে’ ও ‘অবাক তুমি’। এই বছরের শুরুতে পর্যায়ক্রমে ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে গানের ভিডিওগুলো।

বাসা থেকে ফিল্ম স্কুল ১৮ মাইল। প্রথমে ৫/৬ মিনিট হেঁটে বাসস্ট্যান্ডে যাই। প্রায়ই সময়মতো বাস আসে না। তখন ১০/১২ মিনিটের অপেক্ষা। তারপর Q40 বাসে চেপে স্টেশন গমন। তারপর ৩ খানা ট্রেন পরিবর্তন করে ব্যাটারি পার্ক।

‘বাওলিং গ্রিন’ স্টেশন থেকে বের হওয়া মাত্রই গাবতলী বাসস্ট্যান্ড এর বাস কন্ডাকটারদের মতো লিবার্টি আইল্যান্ড আর স্ট্যাটিন আইল্যান্ডে নেওয়ার ফেরি’র লোকজনেরা ডাকাডাকি করতে থাকে। তাদের অবজ্ঞা করে খাঁটি নিউইয়র্কারের মতো এককাপ কাপাচিনো হাতে নিয়ে হাঁটা দেই। আরও ২/৩ মিনিট হন্টনের পর নিউইয়র্ক ফিল্ম একাডেমি ক্যাম্পাস।

যাওয়ার পথে সব মিলিয়ে দেড় থেকে পৌনে দুই ঘণ্টার যাত্রা! ক্লাস শেষ করে বাড়ি ফিরতে ফিরতে আরো দেড়/দুই ঘণ্টা- রাত প্রায় সাড়ে এগারোটা! এখন আর ক্লান্ত লাগে না। হাতে ফোন আর ঘাড় নিচু করে ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকা মানুষ দেখতে দেখতে সময় পার হয়ে যায়। ট্রেনের কামরায় উঠে গান গেয়ে কিংবা শারীরিক কসরত দেখিয়ে ভিক্ষা করা মানুষগুলোর পারফরমেন্স খুব মনোযোগ দিয়ে দেখি। ভালোই লাগে!

কখনও বা এক ডলারের একখানা নোট তাদের হাতে দেই। সঙ্গে ক্যামেরার বড় বাক্স আর গলায় ‘New York Film Academy’র আইডি কার্ড দেখে একদিন একজন গল্প জুড়ে দিয়েছিল। ভারতীয় নায়িকাদের সাথে আমার ব্যক্তিগত জানাশোনা নেই দেখে হতাশ হয়ে চুপ মেরে গেলেন।

ফিরতি পথে আমার গন্তব্য একদম শেষ স্টেশনের আগেরটা! এক এক করে ব্যস্ত মানুষগুলো ঘরে ফেরে। আমি ঘণ্টা বাজানোর আগেই কিচিরমিচির শব্দে আমার পুত্রদ্বয় দরজা খুলে দাঁড়ায়।

দুই জোড়া প্রসারিত হাত শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আমার আধাবেলার ক্লান্তি শুষে নেয়। আমি আবারও চিৎকার করে পৃথিবীকে জানাই- ‘জীবন সুন্দর… অসহ্য রকমের সুন্দর…’

মেহের আফরোজ শাওন, (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে