২৫শে মার্চ, ২০১৯ ইং ১১ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ঠাকুরগাঁওয়ে ভুল অপারেশনে প্রাণ গেল তৃতীয় শ্রেণীর... স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর শহীদের স্বরনে মোংলা ইপিজেড কর্তৃক... ডিনস এ্যাওয়ার্ড পেলেন রাবির দুই শিক্ষক রাবিতে পাঁচ দিনব্যাপী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় চাপাতা সহ আটক-১

আজ পপগুরু আজম খানের জন্মদিন ।

 অনলাইন ডেস্ক। সমকাল নিউজ ২৪

২৮ শে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পপসংগীত জগতের কিংবদন্তী আজম খানের জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ তার ৬৯ তম জন্মদিন হত। তাঁর মাধ্যমেই উন্মোচিত হয়েছিল বাংলা পপসংগীতের এক অন্যধারা। দেশের প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে তিনি সঙ্গীত গুরু হিসেবে পরিচিত।

এবছর তাঁর জন্মদিনটা একটু ‘স্পেশাল’। জন্মদিনের কিছুদিন আগেই তাকে দেয়া হয়েছে মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘একুশে পদক।’ বেঁচে থাকতে একুশে পদক না পেলেও সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মৃত্যুর পরে তাকে এই স্বীকৃতি দেয়া হলো।

১৯৫০ সালের এই দিনে ঢাকার আজিমপুরে আজম খানের জন্ম হয়। পপ সম্রাট আজম খানের কর্মজীবন শুরু হয় গত শতকের ষাটের দশকের গোড়ার দিকে। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে তিনি অংশ নেন। ১৯৭২ সালে তার ব্যান্ড উচ্চারণ এবং আখন্দ (লাকী আখন্দ ও হ্যাপী আখন্দ) দেশব্যাপী সংগীতের জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

আজম খানের গাওয়া অসংখ্য গান আজও বাঙালির হৃদয়ে ঢেউ তুলে। বাংলাদেশের বাইরেও রকস্টার হিসেবে তার নাম উচ্চারিত হয়। তার গাওয়া বেশ কিছু গান সত্তর এবং আশির দশকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ওরে সালেকা- ওরে মালেকা, আলাল ও দুলাল, অনামিকা, অভিমানি, আসি আসি বলে ইত্যাদি গানগুলো এখনো মানুষের মনে জীবন্ত। ‘আমি বাংলাদেশের আজম খান, বাংলাতে গাই পপ গান…’ এই গানটির মধ্য দিয়ে আজম খানের জীবনের কিছু অংশ চমৎকারভাবে উঠে এসেছে। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি নিজেই গানটি লিখেছিলেন।

২০১১ সালের ৫ জুন দুরারোগ্য ক্যান্সারে ভোগে আজম খান মারা যান। কিন্তু তিনি ভক্তদের হৃদয়ে বেঁচে আছেন তাঁর চিরস্মরণীয় গানগুলোর জন্য।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে