২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ই’য়াবা সহ আটক-১ মহাদেবপুর-ছাতড়া সড়ক খানাখন্দে ভরা; দূর্ভোগ চরমে বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবকদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সাংবাদিক ইকবাল হোসেনের শ্বশুরের ইন্তেকালে শোক প্রকাশ দুর্গাপুরে মা সমাবেশ

আত্রাইয়ে অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে গরীবের এ্যাম্বুলেন্স

 নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই, সমকাল নিউজ ২৪

দেশের প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদের মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের গরীব-অসহায় মানুষের দোরগোঁড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে লোকাল গর্ভন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি) প্রকল্প-২ এর আওতায় নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে বরাদ্দকৃত গরীবের এ্যাম্বুলেন্সের অধিকাংশই এখন অকেজো হয়ে মুখ থুবরে পড়ে আছে।

তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন পরিষদে কয়েক বছর আগে প্রদান করা হয় ৮টি গরীবের এ্যাম্বুলেন্স। নতুন অবস্থায় কিছু দিন ব্যবহৃত হওয়ার পর বর্তমানে ৮টি এ্যাম্বুলেন্স এর অধিকাংশই অকেজো হয়ে মুখ থুবড়ে পরে আছে। এতে করে গ্রামীণ জনপদের অবহেলিত লাখ লাখ গরীব-অসহায় মানুষ সরকারের এই সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ্যাম্বুলেন্সগুলো মেরামত কিংবা চালু করার কোন উদ্যোগ না নেয়ায় একদিকে যেমন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য ভেস্তে যাচ্ছে অন্যদিকে এই প্রকল্পে বরাদ্দকৃত সরকারের লাখ লাখ টাকা নষ্ট হচ্ছে।

জানা যায়, দেশের প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদের মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে লোকাল গর্ভন্যান্স সাপোর্ট প্রজেক্ট (এলজিএসপি) প্রকল্প-২ এর আওতায় আত্রাই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ৮টি গরীবের এ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ দেয়া হয়। প্রতিটি এ্যাম্বুলেন্স প্রায় দুই লাখের বেশি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়। বিশেষভাবে তৈরি ব্যাটারী চালিত এসব এ্যাম্বুলেন্স আনুষ্ঠাকিভাবে হস্তান্তর করা হয় পরিষদগুলোতে। গ্রামীণ জনপদের গরীব-অসহায় মানুষ এবং প্রসুতি মা, শিশুরা দ্রুত স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া নিশ্চিত করার জন্য প্রকল্পের মাধ্যমে এই উদ্দ্যোগ নেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এ্যাম্বুলেন্স তৈরিতে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করায় কিছু দিন ব্যবহারের মধ্যেই অকেজো হয়ে পড়ে এ্যাম্বুলেন্সটির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। যার কারণে মুখ থুবরে পরেছে প্রকল্পটি।

ভোঁপাড়া ইউপি সদস্য এরশাদ আলী বলেন, এ্যাম্বুলেন্সগুলো ব্যাটারীর সাহায্যে চালিত হওয়ায় প্রতিনিয়ত এর চার্জ চলে যায়। আবার চার্জ দেয়াও ব্যয়বহুল, তাই এটি ব্যবহার করা হয় না। এ ছাড়াও কোন রোগীও আমাদের কাছে এ্যাম্বুলেন্স চায় না।

শাহাগোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, এ্যাম্বুলেন্সগুলোর ব্যাটারী নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অকেজো পড়ে আছে। এই এ্যাম্বুলেন্স মেরামত করার জন্য আমাদেরকে কোন বরাদ্দ কিংবা কোন ফান্ড প্রদান না করায় তা নষ্ট হওয়ার পর মেরামত করে চালু করা যাচ্ছে না। এই এ্যাম্বুলেন্সগুলো সচল করা অতি প্রয়োজনীয়। কারণ অনেক সময় জরুরী অবস্থায় গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক গরীব-অসহায় মানুষরা স্বাস্থ্য কমপেক্সে পৌঁছার আগেই রাস্তার মধ্যেই দুর্ঘটনা ঘটে যায়। তাই সরকারের দ্রুত এই এ্যাম্বুলেন্সগুলো মেরামত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
নওগাঁ বিভাগের আলোচিত
ওপরে