১৬ই জুলাই, ২০১৯ ইং ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
রিফাত শরিফ হত্যা মামলায় প্রধান সাক্ষী পুলিশ হেফাজতে ফরিদগঞ্জের কাঁশারা ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদরাসাটির ভবন না... বন্যার্তদের পাশে ত্রাণ নিয়ে পাশে দাড়ালেন ছাত্রলীগ নেতা... নওগাঁয় সনাতন সম্প্রদায়ের জ্ঞাতিভোজ অনুষ্ঠান বন্ধ... বগুড়ায় হু হু করে বাড়ছে যমুনার পানি

আমি আবার লিখব: শহিদুল আলম

  সমকাল নিউজ ২৪

সুস্থ হয়ে আবারো লেখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও সদ্য কারামুক্ত আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুকে তিনি এ বিষয়ে অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। এর আগে, গত মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) রাতে কেরাণীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান শহিদুল আলম।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ১০৭ দিন কারাগারে বন্দি ছিলেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। তাই কারামুক্তির তিন দিন পর ফেসবুকে তিনি তার অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। শহিদুল আলমের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-

”প্রিয় বন্ধুরা, কেরাণীগঞ্জ কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর এটাই আমার প্রথম পোস্ট। এখন চিকিৎসার জন্য আমি হাসাপতালে এবং এখানে আরও কিছু দিন থাকতে হবে আমাকে।

চিকিৎসকরা সার্জারির পরামর্শ দিয়েছেন (যদিও ততটা ভয়ানক কিছু নয়)। আমি আবার লিখব সবকিছু ঠিক হওয়ার পর। সারা বিশ্বের আপনাদের সবার কাছে আমি ঋণী। আশ্চর্যজনকভাবে সমর্থন ও সহানুভূতি (আমার প্রতি) প্রকাশের জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

আপনাদের প্রচেষ্টা আমাকে শুধু মুক্তই করেনি বরং সেটা ছিল কারাগার ভেদ করা এক আলো, যেখানে আমি আটকে ছিলাম।

এটা বেশ উৎসাহজনক যে, বস্তুগতভাবে প্রতিষ্ঠান খুব শক্তিশালী হলেও আমরা সব বাধা অতিক্রম করতে পেরেছি। জনগণের শক্তি!

আবারো সবাইকে ধন্যবাদ!

ধন্যবাদান্তে

শহিদুল”

এর আগে, গত ৫ আগস্ট রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে শহিদুল আলমকে তুলে নেয় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ৬ আগস্ট পুলিশ তাকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়।

শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ঢাকায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে উসকানি দিয়েছিলেন।

পুলিশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে, শহিদুল আলম তার ফেসবুক টাইমলাইনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে কল্পনাপ্রসূত অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এর মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণিকে শ্রুতিনির্ভর (যাচাইবাছাই ছাড়া কেবল শোনা কথা) মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে উসকানি দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকররূপে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন করেছে।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে