২৫শে মে, ২০১৯ ইং ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
মার্ক ওয়াহর চোখে বিশ্বকাপের সেরা তিন ব্যাটসম্যান মধ্যপ্রাচ্যে আরো সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় কবি কাজী নজরুলের জন্মজয়ন্তী আজ চারঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের দোয়া ও ইফতার মাহফিল বামনায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

ইউসূফ মেম্বারের মুক্তির দাবীতে মধ্যরাতে থানা ঘেরাও করেও ব্যার্থ হয় এলাকাবাসী

 বন্দর প্রতিনিধি। সমকাল নিউজ ২৪

বন্দরে যৌনকর্মী আখ্যা দিয়ে ৩ নারীকে নির্যাতনের ঘটনায় ধৃত স্থানীয় মেম্বারের মুক্তির দাবীতে থানা ঘেরাও করেও ব্যার্থ হয় বন্দর দক্ষিণ কলাবাগ এলাকাবাসী। সোমবার মধ্যরাতে প্রায় অর্ধশত নারী-পুরুষ থানা কম্পাউন্ডে জড়ো হয়।

এ সময় বন্দর থানার ওসি(তদন্ত) হারুন অর রশীদ এলাকাবাসীকে মেম্বারের গ্রেফতারের বিষয়টি অবহিত করেন এবং তাদেরকে আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আদালতের স্মরনাপন্ন হওয়ার আহবান জানান।

এলাকাবাসী ইউসূফ মেম্বারকে নির্দোষ দাবী করে মুক্তি দেয়ার অনুরোধ করলেও হারুন অর রশীদ তা নাকচ করে আগতদের এলাকায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

সূত্র মতে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ইউসুফ মেম্বারের নেতৃত্বে এলাকার কথিত বিচারকরা ফাতেমা বেগম ওরফে ফতেহ (৫০), আসমা বেগম (৩৫) এবং বানু বেগমকে (৩০) যৌনকর্মী আখ্যা দিয়ে তিন নারীকে মধ্যযুগীয় কায়দায় ঘর থেকে বের করে
টেনে হিচড়ে গাছের সাথে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে মাথার চুলও কেটে দেয়া হয়। এরপর ওই অবস্থায় কয়েক ঘন্টা গাছের সাথে বেঁধে রাখা হয় তাদের।খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

১৮ ফেব্রুয়ারি মানবাধিকার কমিশনের মধ্যস্থতায় সন্ধ্যায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার ফাতেমা বেগম ওরফে ফতেহ।

মামলার পর পরই পুলিশ ঘটনার নায়ক ইউসূফ মেম্বারকে ১৮ ফেব্রুয়ারী রাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

১৯ ফেব্রুয়ারী সকালে তাকে আদালতে প্রেরণ করে ৫দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত ২দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
নারায়নগঞ্জ বিভাগের সর্বশেষ
নারায়নগঞ্জ বিভাগের আলোচিত
ওপরে