২৪শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং ১১ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
তানিয়ার চোখ দিয়ে বের হচ্ছে পাথর, ধান ও পাতা! ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় প্রেমিকের প্রতারণা, ভিডিও কলে জীবন দিল ইডেন ছাত্রী! রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, মসজিদসহ ৩০ ঘর ভস্মীভূত রাজশাহীর চারঘাটে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে...

এই যুবকের জন্য আত্মহত্যা করেছে ১৩০ জন কারন জানলে অবাক হবেন

  সমকাল নিউজ ২৪
এই যুবকের জন্য আত্মহত্যা করেছে ১৩০ জন কারন জানলে অবাক হবেন

সাম্প্রতিক কালে আত্মঘাতী ১৬ জন তরুণীই ফিলিপের জন্যই আত্মহত্যা করেছিলেন। এমনকী, পুলিশের ধারণা, সারা বিশ্বে অন্তত ১৩০ জন মানুষের আত্মহননের জন্য পরোক্ষে এই ফিলিপই দায়ী।

গত কয়েক মাসের মধ্যে রাশিয়া এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বেশ কিছু তরুণীর আত্মহত্যার খবর এসেছিল পুলিশের কাছে। ঠিকঠাক পরিসংখ্যান দিতে গেলে বলতে হয়, বিগত তিন মাসে মোট ১৬ জন তরুণীর আত্মঘাতী হওয়ার খবর পেয়েছিল পুলিশ। এত অল্প সময়ের মধ্যে এত জন অল্পবয়সি মেয়ের আত্মহত্যার ঘটনা বিস্মিত করেছিল পুলিশকে। তদন্তকারী অফিসারদের মনে হয়েছিল, এই সমস্ত আত্মহনন হয়তো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, হয়তো কোনও গোপন যোগসূত্র রয়েছে এদের মধ্যে।

সম্প্রতি সাইবেরিয়ার দুই স্কুলছাত্রী য়ুলিয়া কনস্তান্তিনোভা (১৫) এবং ভেরোনিকা ভলকোভা (১৪) একটি ১৪ তলা বাড়ির ছাদ থেকে নীচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে। তাদের মৃত্যুর তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই দু’টি মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী ফিলিপ বুদেকিন নামের এক ব্যক্তি। শুধু তা-ই নয়, সাম্প্রতিক কালে আত্মঘাতী ১৬ জন তরুণীই ফিলিপের জন্যই আত্মহত্যা করেছিলেন। এমনকী, পুলিশের ধারণা, সারা বিশ্বে অন্তত ১৩০ জন মানুষের আত্মহননের জন্য পরোক্ষে এই ফিলিপই দায়ী।

আরো পড়ুন: চা বিক্রি করে ২৩ দেশ ভ্রমণ।

কিন্তু কে এই ফিলিপ? কেনই বা তার জন্য নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন তরুণ-তরুণীরা? রাশিয়ার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২১ বছর বয়সি ফিলিপ রাশিয়ারই বাসিন্দা। সে ভিকোন্তাক্তে নামক সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’ নামের একটি সোশ্যাল গেমিং পেজের অ্যাডমিন ছিল। এই গেম-এ প্রতিযোগীদের মোট ৫০টি আত্মনির্যাতনমূলক টাস্ক কমপ্লিট করতে হতো।

ভয়ঙ্কর ছিল সেই সমস্ত টাস্ক। সেগুলির মধ্যে কয়েকটি ছিল মোটামুটি নিরীহ, যেমন মাঝরাত্রে ঘুম থেকে উঠে ভূতের সিনেমা দেখা। কিন্তু গেম-এর লেভেল যত এগোতো, তত কঠিন এবং ভয়ঙ্কর হতে থাকত টাস্কগুলি। একটি টাস্কে প্রতিযোগীকে নিজের শরীরে ৫০টি নিডল (ইঞ্জেকশনের সূচ) ফুটিয়ে সেই ছবি পোস্ট করতে হতো গেমিং পেজে। আর একেবারে শেষ অর্থাৎ ৫০তম টাস্কটিতে প্রতিযোগীকে নিজের প্রাণ হরণ করতে হতো।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে রাশিয়ার পুলিশ জানিয়েছে, য়ুলিয়া এবং ভেরোনিকা-সহ আত্মহত ১৬ তরুণীই সুইসাইড গেম-এ আসক্ত ছিলেন। এই খেলা প্রায় উন্মাদনার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল তাঁদের জীবনে। খেলায় বিজয়ী হওয়ার নেশায় তাঁরা নিজেকে শেষ করে ফেলতেও দ্বিধা বোধ করেননি। এমনকী পুলিশের ধারণা, শুধু এই ১৬ জন নয়, বিগত কয়েক বছরে সারা বিশ্বে ১৩০ জন এই খেলা খেলতে গিয়েই আত্মহত্যা করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
আন্তর্জাতিক বিভাগের আলোচিত
ওপরে