১৮ই এপ্রিল, ২০১৯ ইং ৫ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
যৌতুক দাবী করায় বরকে ন্যাড়া করে ফেরত পাঠালো কনে পক্ষ খুলনা সার্কিট হাউসে মতবিনিময় সভায় নিমন্ত্রন পেলেন... লাইভে কুরআন ছিড়ে টয়লেটে নিক্ষেপ সেফুদার, ফাঁসি দাবী বরগুনায় মানবিক সহায়তা’১৯ প্রকল্পের শিক্ষণ কর্মশালা... অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও খেলার সামগ্রী...

কলাপাড়া-রাঙ্গাবালীতে আমনের বাম্পার ফলন

  সমকাল নিউজ ২৪

পটুয়াখালী প্রতিননিধি: দখিনের শষ্যভান্ডার খ্যাত পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও রাংগাবালীতে চলতি বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে শ্রমিক সংকটসহ নায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশা আর দুঃচিন্তায় কৃষক। শ্রমিক সংকটে ক্ষেত থেকে পাকা ধান ঘরে ফসল তুলতে পারছে না অনেক কৃষক। ফলে ক্ষেতেই পড়ে রয়েছে পাকা আমন ধান।

 

অপরদিকে মৌসুমের শুরুতেই মধ্যস্বত্তভোগীদের কারণে ধানের প্রকৃত মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কৃষক।

কৃষি বিভাগ সংশ্লিস্টরা জানায়, কৃষি কাজে বেড়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার। কিন্তু আর্থিক সীমাবদ্ধতায় অনেক কৃষক সে সব উপকরণ সংগ্রহ করতে পারছে না।

অপরদিকে কৃষকরা জানায়, যেহেতু কৃষি কাজ একটি সিজনাল কর্ম সেহেতু এলাকার অনেক কৃষি শ্রমিক যোগ দিয়েছে বিভিন্ন আয় বর্ধক পেশায়। এলাকায় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় এবং বেশি রোজগার হওয়ায় কৃষি কাজের শ্রমিক কমে গেছে। এর পাশপাশি বেড়েছে শ্রমিকের শ্রম মূল্য। যা একজন কৃষকের পক্ষে বহন করা অসাধ্য।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় ৩৪ হাজার ৫০০ হেক্টর এবং রাংগাবালীতে প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ করা হয়। এসব জমিতে স্থানীয়জাত ছাড়াও ব্রি ৫১, ৫২, ৪১, ৭৬, ৭৭, ৭৩ এবং ব্রি ১১, ২২, ২৩, স্বর্নমুসুরী জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে উচু জমিতে উৎপাদিত বিআর-১১, ব্রি-৫২, স্থানীয় জাতের শালগ্রীমি ও কুটি অগ্রানী ধান ইতিমধ্যে কাটা করা শুরু করেছে কৃষক। কিন্তু শ্রমিক সমস্যায় অনেক কৃষক মাঠ থেকে ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। অপরদিকে বর্তমানে ধানের বাজার দর কম রয়েছে বলে অভিযোগ কৃষকদের। কৃষকদের দাবি, এতে শ্রম মুল্য বাদে লাভের অংশ খুব বেশি থাকছেনা। জমির শ্রেনী প্রকার ভেদে কোন কোন সময় শুধু শ্রম মুল্যের প্রাপ্তি হচ্ছে। আবার লোকসানও গুনতে হচ্ছে।

কৃষক নুরুল আমিন জানান, স্থানীয় মাপের ৩ শতাংশ জমির চাষাবাদে খরচ পরেছে ৭/৮ শত টাকা। আগাম জাতের আমন ধান বিক্রয় হচ্ছে ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪’শ’টাকা মন দরে।

কলাপাড়া উপজেলা ও রাংগাবালীর অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপালনকারী কৃষি অফিসার আবদুল মান্নান জানান, চলতি বছর এ দুই উপজেলায় আমন ধান বাম্পার ফলন হয়েছে। আশা করছি লক্ষ্যমাত্র সাফল্যজনকভাবে অর্জিত হবে।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
পটুয়াখালী বিভাগের সর্বশেষ
পটুয়াখালী বিভাগের আলোচিত
ওপরে