১৮ই আগস্ট, ২০১৯ ইং ৩রা ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
আজ সেলিম আল দীন জন্মদিন  রাজাপুরে দুঃস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ... দাগনভূঞা প্রেসক্লাবের কার্যকরি কমিটি গঠিত সীমান্তে যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ ১৪০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার

কাঁচা চামড়া রপ্তানির আদেশ প্রত্যাহার হতে পারে

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমকাল নিউজ ২৪

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে আগামীকাল শনিবার থেকে কেনা হবে কাঁচা চামড়া। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চামড়া কেনা-বেচার ক্ষেত্রে সরকার কঠোর নজরদারি রাখবে। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত দামে যদি ট্যানারি মালিকা চামড়া কেনা-বেচা করেন তবেই প্রত্যাহার হতে পারে কাঁচা চামড়া রপ্তানির আদেশ।

ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নামমাত্র মূল্যে কেনা কোরবানির পশুর চামড়া এরই মধ্যে রাজধানীর আড়তগুলোতে মজুদ রয়েছে।

বাণিজ্যসচিব মো. মোফিজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে ট্যানারির মালিকদের নিয়ে গত বুধবার জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করেছি। আমরা তাদের অতিসত্বর চামড়া কেনার আহ্বান জানিয়েছি। ট্যানারির মালিকরা আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে শনিবার থেকে কোরবানির পশুর চামড়া কেনা শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।’

বাণিজ্যসচিব বলেন, ‘শনিবার থেকেই কোরবানির পশুর চামড়া বেচা-কেনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কঠোর নজরদারি করবে। বিভিন্ন এলাকায় খোঁজখবর রাখবে। ট্যানারির মালিকরা সরকারের নির্ধারিত দামে কোরবানির পশুর চামড়া কিনলে কাঁচা চামড়া রপ্তানির আদেশ প্রত্যাহার করার বিষয়টি ভেবে দেখা হবে। তবে ট্যানারির মালিকরা কারসাজি করে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে কমে কিনলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে কাঁচা চামড়া রপ্তানির সুযোগ রাখা হবে। প্রথম ধাপে ওয়েট ব্লু রপ্তানিতে উৎসাহিত করা হবে।

এরপর অন্যান্য চামড়া রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘চামড়া তো আর পানির দামে বিক্রি হতে দেওয়া যায় না। চামড়া সংগ্রহকারীদের ন্যায্যামূল্য নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানান তিনি।

গত বুধবার (১৪ আগস্ট) ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের আলোচনার কথা জানিয়ে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বাংলাদশে ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনকে পূর্ব নির্ধারিত সময় অর্থাৎ ২০ আগস্টের আগেই জরুরি ভিত্তিতে কাঁচা চামড়া কিনতে অনুরোধ জানায়।”

এর আগে এবারের ঈদে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে কম দামে চামড়া কেনা হচ্ছে বলে অভিযোগ আসতে থাকে বিভিন্ন জায়গা থেকে। ট্যানারি মালিকরা বকেয়া থাকা টাকা দেননি- এই যুক্তি দেখিয়ে আড়তদাররা চামড়া কেনা বন্ধ রাখলে সঙ্কট মারাত্মক আকার ধারণ করে।

চামড়া সংরক্ষণের নিজস্ব কোনো ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়ে। ফলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নামমাত্র দামে চামড়া কিনেও পাইকারদের কাছে বিক্রি করতে না পেরে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েন। অনেকে ক্ষুব্ধ হয়ে চামড়া মাটিতে পুতে ফেলেন, কেউবা নদীতে ফেলে দেন।

এমন অবস্থায় সরকার কাঁচা চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরই টনক নড়ে ট্যানারি মালিকদের। তবে, সরকারের এ সিদ্ধান্তকে তাৎক্ষণিকভাবে অনেকে সাধুবাদ জানালেও, ঈদের আগেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হলো না, তা নিয়ে অধিকাংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে