২৩শে মে, ২০১৯ ইং ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
বগুড়ায় রাজনীতির শিকার বাসভবন মোদীর গুজরাটে বেহাল দশা, ৬৩টিতে একজনও পাশ করল না! টানা তৃতীয়বারের জয়ে পশ্চিমবঙ্গের মসনদে মমতা গাড়ি চালিয়ে বড় ভাই রাহুল গান্ধীর বাড়িতে প্রিয়াঙ্কা লোকসভা নির্বাচনে জয়ের সুবাতাস পাচ্ছেন বিজেপির গম্ভীর

কাশ্মীরের সামরিক ঘাঁটিই লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানী বিমানের : ভারতীয় বিমান বাহিনী

 আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ সমকাল নিউজ ২৪
কাশ্মীরের সামরিক ঘাঁটিই লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানী বিমানের : ভারতীয় বিমান বাহিনী

পাকিস্তান যেদিন দাবি করেছিল যে জানমালের যাতে কোন ক্ষতি না হয়, সেইভাবেই তারা ভারতের বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর ওপরে বোমা ফেলেছ, সেটা কতটুকু সত্যি? খবর বিবিসি বাংলার।

ভারতীয় বিমান বাহিনী এখন অভিযোগ করেছে যে পাকিস্তানী বিমান বাহিনী বুধবার যে হামলা চালিয়েছিল, তার মূল লক্ষ্য ছিল সামরিক ঘাঁটিই।

ভারত বলছে, পাকিস্তান অন্তত কুড়িটি বিমান নিয়ে হামলা চালিয়েছিল।

সেগুলির মধ্যে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমানও ছিল, আর তা থেকে শুধু বোমা নয়, ছোঁড়া হয়েছিল মিসাইলও।

জম্মু এবং কাশ্মীরের রাজৌরি জেলার পশ্চিম দিকে সুন্দরবনি এলাকা দিয়ে ওই বিমানগুলি ভারতের আকাশ সীমায় প্রবেশ করে বলে ভারত সরকার অভিযোগ করেছে।

রেডারে ধরা পরার সঙ্গে সঙ্গেই মিগ-২১, সুখোই-৩০ এবং মিরাজ-২০০০ জঙ্গীবিমান পাঠানো হয় পাকিস্তানী বিমানগুলিকে বাধা দেওয়ার জন্য।

তখনই শুরু হয় আকাশ-যুদ্ধ।

পাকিস্তানী বিমান থেকে বেশ কিছু বোমা ফেলা হয় ভারতের সামরিক ঘাঁটির চত্বরে, যদিও ভারতের দাবী, বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয় নি ওই সব বোমায়।

পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্র অবশ্য আগেই বলেছিলেন যে পাকিস্তানী বোমা ভারতের সামরিক অঙ্গনে ফেলা হলেও সামরিক স্থাপনা বা ভবন থেকে তা ছিল বেশ দূরে।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও বলেছিলেন, বুধবার সকালের হামলার উদ্দেশ্য কাউকে হত্যা করা বা ক্ষতি করা ছিল না। তারা শুধুমাত্র পাকিস্তানের ক্ষমতার বিষয়টি দেখাতে চেয়েছেন।

ভারতীয় কর্মকর্তারা পাকিস্তানী এফ-১৬ থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখাচ্ছেন।ভারতীয় কর্মকর্তারা পাকিস্তানী এফ-১৬ থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ দেখাচ্ছেন।
ভারতীয় বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল আর. জি. কে. কাপুর সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমাদের হাতে প্রচুর সাক্ষ্য রয়েছে, যা দিয়ে আমরা প্রমাণ করতে পারি যে এফ-১৬ যুদ্ধ বিমান ব্যবহার করা হয়েছিল ঐ হামলায়।

“পাকিস্তানের এফ-১৬ বিমানগুলিতে থেকে আকাশ থেকে আকাশে ছোঁড়ার ‘আমরাম’ ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তার টুকরো পাওয়া গেছে রাজৌরির পূর্ব দিকে, ভারতীয় সীমার অভ্যন্তরে। “পাকিস্তান যে দাবি করছিল যে তাদের বিমান হামলায় এফ-১৬ ব্যবহার করা হয় নি, সেটা অসত্য,” বলেন এয়ার ভাইস মার্শাল আর. জি. কে. কাপুর।

প্রতিটি বিমানেরই যে ইলেকট্রনিক সিগনেচার থাকে, তা থেকেই বোঝা যায় যে ঠিক কোন বিমান ভারতীয় সীমানায় প্রবেশ করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

একটি পাকিস্তানী এফ-১৬ জঙ্গীবিমানকে যে গুলি করে নামানো হয়েছে, সেই দাবি বুধবারই করেছিল ভারত।

বলা হয়েছিল বিমানটি নিয়ন্ত্রণ রেখার অপর দিকে কিছুটা গিয়ে ভেঙ্গে পরে। ভেঙ্গে পরা এফ-১৬এর কয়েকটি টুকরো ভারতের সীমানার ভেতরে পরেছিল, সেগুলোও বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির করা হয়।

ভারত শাসিত কাশ্মীরের রাজৌরি থেকে পাওয়া ওই ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরোও দেখানো হয় সংবাদ মাধ্যমকে।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
আন্তর্জাতিক বিভাগের আলোচিত
ওপরে