২৬শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
না’গঞ্জে গোল্ডেন চেস আন্তজার্তিক রেটিং দাবায় হানিফ... আমতলীতে চো’রাই গরু উ’দ্ধার শার্শা উপজেলার সকল কর্মকর্তাদের সাথে মত বিনিময় করলেন... মতলবে ফলদ বৃক্ষমেলার উদ্বোধন করেন- এমপি নুরুল আমিন দু “বছর পূর্তিতে দাবী নিয়ে রোহিঙ্গাদের বিশাল সমাবেশ

ক্লাসের মধ্যেই অবাধ অশ্লীলতায় মত্ত ছাত্র-ছাত্রীরা!

 অনলাইন ডেস্কঃ সমকালনিউজ২৪
ক্লাসের মধ্যেই অবাধ অশ্লীলতায় মত্ত ছাত্র-ছাত্রীরা!

শিক্ষা মানব জীবনের মৌলিক চাহিদা। শিক্ষা যে শুধু দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন তা নয়। প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হলে শিক্ষা প্রয়োজন। শিক্ষিত নাগরিক দেশের সম্পদ। স্কুল বা বিদ্যালয় বলতেই যে বিষয়গুলি প্রথমেই মাথায় আসে তা হল— স্কুল রুটিন, হোম টাস্ক, ব্ল্যাক বোর্ড, জীবনের কিছু আদর্শ মানুষদের শিক্ষক হিসাবে পাওয়া এবং অবশ্যই ছুটির ঘণ্টা। তবে বর্তমানে স্কুলে ক্লাসের মধ্যেই অবাধ অশ্লীলতায় মেতে উঠছে কিছু ছাত্র-ছাত্রীরা। এমনই ঘটনা ঘটেছে ভারতে।

ক্লাসের সিসিটিভির সামনে জড়ো করে রাখা হয়েছিল একের পর এক ব্যাগ। সেই ব্যাগগুলির আড়ালেই চলছিল অশ্লীল কাজকর্মী। নবম শ্রেণির ছয় ছাত্র-ছাত্রীদের এমন কীর্তি দেখে হতবাক প্রত্যেকে।

ক্লাসের মধ্যে অশ্লীল কাজকর্ম করার অভিযোগে ছয় ছাত্র-ছাত্রীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিল ভারতের হাওড়ার শিবপুর বিই কলেজ মডেল স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার সূত্রপাত ১২ অক্টোবর, ২০১৮ সালের। পুজোর ছুটির আগের দিন। অভিযোগ, ওই দিনই ভরা ক্লাসরুমের মধ্যেই ছয় ছাত্র-ছাত্রী একে অপরকে জড়িয়ে চুম্বন করতে থাকে। সিসিটিভির সামনে ব্যাগ দিয়ে ঢেকে রাখা ছিল যাতে কোনও ভিডিও না ওঠে।

ঘটনার পরেই ক্লাস টিচারের কাছে অভিযোগ জানায় দুই ছাত্র। এর পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ দেখার সময়ে সংশ্লিষ্ট ছয় পড়ুয়াকে শনাক্ত করা হয়। এর পরেই তাদের অভিভাবকদের ডেকে পাঠায় স্কুল কর্তৃপক্ষ।

প্রথম দিকে নিজেদের ছেলে-মেয়েদের কীর্তি না মানতে চাইলেও, পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তা মেনে নেন তাঁরা। তবে সেই সময় নবম শ্রেণিতে পড়ত ওই পড়ুয়ারা। মানবিকতার খাতিরে পড়ুয়াদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়। এখন ওই পড়ুয়ারা দশম শ্রেণিতে পড়ে।

সম্প্রতি এই বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরিচালন সমিতির একটি বৈঠক হয়। সেখানেই ভোটাভুটির মাধ্যমে ওই পড়ুয়াদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভবিষ্যতের কথা ভেবে পড়ুয়াদের টিসি দেওয়া হয়েছে স্কুলের তরফ থেকে।

স্কুলের সিদ্ধান্তের কথা মেনে নিয়েছে দুই ছাত্রীর মা। কিন্তু বাকি চার পড়ুয়ার অভিভাবকেরা এখনও চেষ্টা চালাচ্ছেন স্কুল কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে।

যদিও সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অনড় স্কুল কর্তৃপক্ষ। শাস্তি ফিরিয়ে নিলে ভবিষ্যতে কেউ এ কাজ করলে তখন তাকে দোষারোপ করা যাবে না। সেই সঙ্গে স্কুলের সুনামও নষ্ট হতে পারে বলে আশঙ্কা কর্তৃপক্ষের।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে