১৯শে নভেম্বর, ২০১৯ ইং ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
নাঙ্গলকোটের দু’র্ধর্ষ চো’র ইসমাইলকে গ্রে’ফতার... আখাউড়ায় ৭দিন ধরে নি’খোজ মাদ্রাসা ছাত্র! সন্ধান চায়... ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঝালকাঠিতে পেঁয়াজ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য... সাংবাদিক রাহাদ সুমন বানারীপাড়া উপজেলায় ম্যানেজিং...

ঘূর্ণিঝড় ফণী’র প্রভাব রাজধানী ঢাকায়, ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি শুরু

  সমকালনিউজ২৪
ঘূর্ণিঝড় ফণী’র প্রভাব রাজধানী ঢাকায়, ঝড়ো হাওয়ার সাথে বৃষ্টি শুরু

শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ শুক্রবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের উপকুলে আঘাত হানার সম্ভাবনা থাকলেও এর প্রভাব ইতোমধ্যে উপকূলীয় এলাকা ছাড়িয়ে রাজধানী ঢাকায়ও এসে পড়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে ঝড়ো হাওয়ার সাথে শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও বৃষ্টি হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাপমাত্রার সঙ্গে গরমের প্রভাবটাও কমে আসছে। তবে সবার মধ্যে ফণী আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ঘূর্ণিঝড় ফণী’র প্রভাবে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে পটুয়াখালী ও বরগুনায় ঝড়ো হাওয়াসহ গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়। পাশাপাশি সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে নদীগুলোতেও।

ঝড়ের প্রভাব শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হওয়ার সম্ভাবনা আবহাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই কুয়াকাটাসংলগ্ন সাগরে উত্তাল ঢেউ সৃষ্টি হয়। সৈকতে আছড়ে পড়ে বড় বড় ঢেউ। ইতোমধ্যে গভীর সমুদ্র থেকে মাছধরার ট্রলার ও নৌকাগুলো তীরে ফিরতে শুরু করেছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, আজ (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ পুরো বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড়ের আওতায় থাকবে, এই সময়টা ক্রিটিক্যাল।

তিনি বলেন, ‘উচ্চগতির বাতাস ও দমকা ঝড়ো হাওয়ার সময় সবাইকে নিরাপদে থাকতে হবে। ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে সারা রাত বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে। সেসময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার থাকতে পারে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফনি উপকূল অতিক্রম করার সময় বাংলাদেশের উপকূলীয় নিচু এলাকাগুলো স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট বেশি উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।’

উপকূলীয় জেলা ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সংকেত উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর জন্যও প্রযোজ্য হবে।

উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর, বরগুনা, ভোলা, পটুয়াখালী, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে