২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গৃহকর্মীকে ধর্ষ’ন অভিযুক্ত... দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকায় নিয়োগ পেলেন সরদার জিল্লুর... পার্কে মা’দক সেবন, মালিক ও বিএনপি নেতাসহ আটক ৪ ৩টি পি’স্তল,৬৬ রাউন্ড গু’লি,৩টি ম্যা’গজিন ও ১কেজি... চান্দুরা-আখাউড়া সড়কের বেহাল দশা

ছাতকের কৈতক হাসপাতালে লোকবল সংকটে উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত লক্ষাদিক মানুষ

 শংকর দত্ত,ছাতক সুনামগঞ্জ// সমকাল নিউজ ২৪

ছাতকের কৈতক হাসপাতালে ওষুধ ও লোকবল সংকটের কারণে ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালটির সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রায় ২লক্ষ মানুষ ছাতক, দোয়ারাবাজার ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার সাধারণ মানুষ।

২০০৭ সালে কৈতক হাসপাতাল ২০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। কিন্তু ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল অনুযায়ী জনবল নেই এখানে।

২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও এখানে শয্যা রয়েছে ১২টি। উপজেলার জনবহুল এলাকায় এ হাসপাতালটির অবস্থান থাকায় এখানে রোগীর সংখ্যা বেশি। এছাড়াও যাতায়াতের সুবিধা থাকায় দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও দোয়ারাবাজার উপজেলার রোগীরাও আসছেন এ হাসপাতালে।

হাসপাতালে ভর্তি পিটাপই গ্রামের জামাল মিয়া (৩৫), আগিজাল গ্রামের রোকেয়া বেগম (৬৫) ও ভর্তি রোগী খাড়ারাই গ্রামের সিদ্দিকা (৭) এবং মনিরজ্ঞাতি গ্রামের সারোয়ার (৩) এর সঙ্গে থাকা তাদের আত্মীয়রা জানান, ভর্তি রোগীদের হাসপাতাল থেকে কোনো ওষুধ দেওয়া হয় না। সব ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়। রোগীদের হাসপাতাল থেকে শুধু দুবেলা খাবার দেওয়া হয়। ভর্তি রোগীদের ওষুধ দেওয়া হয়নি বলে ডিউটিরত নার্স জেরী রুরাম স্বীকার করেছেন।

কৈতক হাসপাতালে ডা. মোজাহারুল ইসলাম, ডা. সাইদুর রহমান ও ডা. আবু সালেহীন খাঁন দায়িত্বে রয়েছেন। কৃষ্ণা রানী, জেরী রুরাম, আয়েশা বেগম, আমেনা নাহিদ, স্বপ্না বেগম, ফয়জুন নেছা, মনোয়ারা বেগমসহ নার্স রয়েছেন ৯ জন। এর মধ্য ১ জন ডেপুটেশনে রয়েছেন। হাসপাতালে ক্লার্কের পদ ও নাইট গার্ডের পদ শূন্য রয়েছে। ওয়ার্ডবয় ৪ জনের মধ্যে আছেন ২ জন। সুইপার ৪ জনের মধ্যে ১ জন থাকলেও প্রয়োজনে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে চিকিত্সকরা জানিয়েছেন।

এক্সরে মেশিন থাকলেও নেই টেকনিশিয়ান। জেনারেটর থাকলেও তেল খরচের জন্য জেনারেটর ব্যবহার করা হয়নি। নেই এ্যাম্বুলেন্স। এ অবস্থায়ই হাসপাতালটি কোনো মতে পরিচালিত হচ্ছে।

ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম, আগিজাল গ্রামের সিরাজুল ইসলামসহ স্থানীয়দের দাবি প্রয়োজনীয় লোকবলসহ হাসপাতালটি ৩০ শয্যায় উন্নীত করা হলে এলাকাবাসীর চিকিৎসা সেবা পেতে অনেকটা সহজ হবে। হাসপাতালের ইনচার্জ ডা. মোজাহারুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন হাসপাতালের বহির্বিভাগে ২ থেকে ৩শ রোগীর ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়। মাসে এ হাসপাতালে ডেলিভারি হয় প্রায় ২শ রোগীর।

হাসপাতালে ইমার্জেন্সি বিভাগ থাকলেও ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার নেই। রোগীর চেয়ে ওষুধের বরাদ্দ এখানে অনেক কম। কাজেই রোগীদেরকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে হয়। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগ অন কল ডাক্তারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
সুনামগঞ্জ বিভাগের সর্বশেষ
সুনামগঞ্জ বিভাগের আলোচিত
ওপরে