১লা জুন, ২০২০ ইং ১৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
রাণীনগরে ব্যবসায়ী রুঞ্জু হ’ত্যা মা’মলার আসামী... বরগুনার বামনায় যুবককে পিটিয়ে হ’ত্যা মহিপুরবাসীর নিবেদিত প্রান মহিপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি... বরগুনায় প্রধান মন্ত্রীর উপহার নগদ অর্থ ইমামদের হাতে... মানিকগঞ্জে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ২৪ জন সহ মোট আক্রান্ত...

জামানত বাজেয়াপ্ত সাবেক চিফ হুইপসহ ৫ প্রার্থী!

 জিএম মিজান,বগুড়া, সমকালনিউজ২৪

বগুড়া-৬ সদর আসনের উপ-নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী জামানত হারাচ্ছেন বিরোধী দলের সাবেক চিফ হুইপসহ পাঁচ প্রার্থী। মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

এরা হলেন- বিরোধী দলের সাবেক চিফ হুইপ ও জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম ওমর, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ড. মনসুর রহমান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের রফিকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিনহাজ এবং সৈয়দ কবির আহম্মেদ মিঠু।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে সেই প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

সোমবার অনুষ্ঠিত উপ-নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭০। সে অনুযায়ী জামানত ফেরত পেতে প্রার্থীকে ১৬ হাজার ৭৩৩ ভোট পেতে হবে। পাঁচ প্রার্থীর কেউ সেই পরিমাণ ভোট পাননি। জাতীয় পার্টির প্রার্থী নুরুল ইসলাম ওমর (লাঙ্গল) নির্বাচন করে ভোট পেয়েছেন ৭ হাজার ২৭১ভোট। এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে নির্বাচন করে তিনি ৪০ হাজার ৩৬২ ভোট পেয়ে জামানত ফেরত পেয়েছিলেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ না নেওয়ায় শূন্য ঘোষনা হয়।

বগুড়া-৬ সদর আসনে উপ-নির্বাচনে তিনি আবারও জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন। জামানত হারানো অপর চার প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম (হারিকেন) পেয়েছেন ৫৫৪ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মনসুর রহমান (ডাব) পেয়েছেন ৪৫৬ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ কবির আহম্মেদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণে তিনি (ট্রাক) পেয়েছেন ৬৩০ ভোট। অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মিনহাজ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২০ ভোট।

সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, বিএনপি, আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির ছাড়া অন্য প্রার্থীরা সব কেন্দ্রে নির্বাচনী এজেন্ট দিতে পারেনি। তবে এবারের নির্বাচনে ইভিএম’র মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করায় স্মরণকালের শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্ঠু হয়েছে। এ কারণে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে