১৯শে মে, ২০১৯ ইং ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
৬০কিলোমিটার বেগে ঝড় আসছে , নদী বন্দরে সতর্ক সংকেত জারি! বানারীপাড়ায় ইয়াবা সহ মাদকসেবী আটক আখাউড়ায় ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের লাশ উদ্ধার। জৈন্তাপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে চাচা ভাতিজার সংঘর্ষে... নওগাঁয় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাঙচুর ও নারীর...

ঠাকুরগাঁওয়ে ইট ভাটার গ্যাসে ৩৫ একর জমির ধান পুড়ে যাওয়ার অভিযোগ

 মোঃ ইলিয়াস আলী,ঠাকুরগাঁও সমকাল নিউজ ২৪

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানার শালবাড়ি কশাল গাঁও এলাকায় এস আর এম ব্রিকসের বিষাক্ত গ্যাসের কারণে প্রায় ৩৫ একর জমির বোরো ধান নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০ লক্ষ টাকার বেশি বলে দাবি কৃষকদের।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ৩৫ একর জমির বোরো ধান ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ধানের শীষ থাকলেও এতে কোনো ধান না থাকায় এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক কৃষক এক রকম হতাশার মধ্যে দিন পার করছেন। এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ধানের শীষ বের হয়েছে। ইট ভাটার ধোঁয়ায় আশ পাশের ধান ফসলের ১৫-২০ ভাগ ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নামের তালিকা বিস্তারিত বর্ণনাসহ প্রস্তুতির কাজ চলছে। এ বিষয়ে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তাদের তালিকা প্রদান করবে।’

সদর উপজেলার এই কৃষি কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘উল্লেখিত ভাটা মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা যেন শতভাগ ক্ষতিপূরণ পায় সে বিষয়ে যোগাযোগ অব্যাহত আছে।’

যদিও এখন পর্যন্ত এস আর এম ব্রিকসের সত্ত্বাধিকারী রাজু ইসলামের সঙ্গে বারংবার যোগাযোগ করে তার কোনো সাক্ষাৎ পাওয়া যায়নি। এমনকি মুঠো ফোনে বেশ কয়েকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি।

অপর দিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ধীরেণ, বিষ্টু, আমিন, হুমায়ুন কবির, আজাদ আলী এবং আব্দুল আলী অভিযোগ করে বলেন, ‘গত শুক্রবার ঘূর্ণিঝড় ফণী আসার কথা থাকায় আবহাওয়া মেঘলা ছিল। সেই রাতে ভাটার মালিক রাজু ইসলাম ভাটার গ্যাস ছেড়ে দেয়।’

ভুক্তভোগীরা এও অভিযোগ করেন, ‘সে (ইট ভাটার মালিক) ভাবছিল সব দোষ ফণীর হবে। কিন্তু ফনীর কোনো প্রভাব এলাকায় দেখা না যাওয়ায় রাজুর পরিকল্পনা নষ্ট হয়ে যায়। আমরা স্পষ্ট ভাবে বুঝেতে পারছি, রাজু ইসলামের ভাটার গ্যাসের কারণে ধান নষ্ট হয়ে গেছে। আমাদের ক্ষতির কথা তাকে বার বার বলার পরেও কোনো কাজ হচ্ছে না।’

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে সুদৃষ্টি কামনা করে তারা এও বলেছেন, ‘মানুষের কাছ থেকে ধার দেনা এবং দোকানে বাকি করেও ফসল উৎপাদন করেছি। ধান না পেলে পরিবার নিয়ে কি করব। সে জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ঠাকুরগাঁও বিভাগের আলোচিত
ওপরে