২১শে মে, ২০১৯ ইং ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
যাকাত দিলে সম্পদ বাড়ে ! ব্রীজ মেরামতে সময় ক্ষেপন তালতলী উপজেলা সদরের সাথে সারা... জামালপুরের দেওয়ারগঞ্জ পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে মামলার... বগুড়ায় গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে কাকি ভাতিজা আত্মহত্যা ! বরগুনায় বশতঘর নির্মানে বাধা” ৩ লক্ষ্য টাকা চাদাঁদাবীর...

তানোরে দিনভর বৃষ্টিতেই আলু চাষিদের মাথায় হাত

  সমকাল নিউজ ২৪

নাজিম হাসান,রাজশাহী সংবাদদাতা: রাজশাহীর তানোরে দিনভর বৃষ্টিতেই আলু চাষিদের মাথায় পড়েছে হাত। গতকাল বুধবার সকাল ১০টার পর থেকে বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে হয় বৃষ্টি । এতে করে উপজেলার আলু চাষিরা গাছ উত্তোলন করে পারেন নি আলু তুলতে। ফলে চাষিদের কপালে পড়েছে চরম ভাজ। চাষিরা জানান উপজেলার প্রায় আলুর মাঠে বেশিরভাগ কৃষক গত সপ্তাহের দিকে তুলেছেন আলুর গাছ। কিন্তু চলতি মাসের গত ২৫/২৬ শে ফেব্রুয়ারি ভরের দিকে সামান্য পরিমাণ বৃষ্টি হয়। যার প্রভাব কোন ভাবেই পড়েনি । গতকাল বুধবার সকাল থেকেই ছিল ঠাণ্ডা আবহাওয়া । সকাল ১০টার দিকে শুরু হয় প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি । কিছুক্ষন পর দুপুরের আগে ও পড়ে এবং বিকেলের দিকে নামে প্রচণ্ড বৃষ্টির পানি।ছিল বাতাসও । সন্ধ্যার আগে থামে বৃষ্টি । বিভিন্ন মাঠে নেমে পড়েন আলু চাষিরা । আলুর জমি থেকে পানি বের করতে ব্যাকুল হয়ে পড়েন চাষিরা । গত সপ্তাহে নিয়ম অনুযায়ী আলুর গাছ তুলেছেন চাষি উপজেলার চিমনাগ্রামের লুৎফর রহমান। তিনি জানান আজ বৃহস্পতিবার থেকে আলু তোলা শুরু করতাম । কিন্তু বুধবারের বৃষ্টির কারনে তোলা যাবেনা আলু। পানি হবার কারনে চার থেকে পাঁচ দিন উপেক্ষা করতে হবে। তিনি ৩০ বিঘা আলুর জমির গাছ তুলে বৃষ্টির পানি তাঁর কপালে ভাঁজ নিয়ে এসেছে। তিনি আরো জানান চান্দুড়িয়া এলাকার গোলাম রাব্বানী লছিরামপুর মাঠে ২৫ একর আলুর জমির গাছ তুলেছেন আমার সাথে , চিমনাগ্রামের আবুল কাশেম ১৫বিঘা জমির গাছ তুলেছেন। কামারগা ইউপি এলাকার হাতিশাইলগ্রামের মতিউর ও হাবিবুর ৭০ বিঘা জমির গাছ তুলে পড়েছেন বিপাকে। শুধু এসব চাষিই না একাধিক চাষির জমির গাছ তোলা আছে। অনেকে আলু তোলে হিমাগারে রাখছেন। এসব চাষিরা জানান সময় মত আলু তুলতে না পারার কারনে বিঘা প্রতি ৪/৫ হাজার টাকা করে লোকসানের সম্ভবনা রয়েছে । কারন আলুর রং খারাপ হয়ে পড়বে, আলুতে দাগও হবে, ফলন কমে আসবে। পৌর এলাকার জিওল গ্রামের আলু চাষি আলু হোসেন জানান গত সপ্তাহে ১২ বিঘা জমির আলুর গাছ তোলা হয়েছে। আমাদের মাঠে প্রায় জমির গাছ তোলা শেষ । অনেকের চলমান রয়েছে আলু তোলার কাজ। চানপুর গ্রামের সাহেব আলীর ৮বিঘা, সদের ১১ বিঘা, মহিরের ১০ বিঘাসহ প্রায় চাষিদের ওই সব মাঠে আলুর গাছ তোলা শেষের দিকে। আলী হোসেন জানান আর যদি পানি না হয় তাহলে খুব একটা ক্ষতি হবে না। তবে যদি পানি তাহলে প্রচুর পরিমাণে লোকসান হবে । কৃষি দপ্তর জানান যে পানি হয়েছে এপানি চাষিরা যে ভাবে হোক জমি থেকে বের করতে পারবে। আর পানি না হলে তেমন ক্ষতি হবেনা। এউপজেলায় ধানের পরে ব্যাপক ভাবে চাষ হয় আলু। এবারে পার সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে হয়েছে আলু চাষ ।#

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
রাজশাহী বিভাগ বিভাগের সর্বশেষ
ওপরে