১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
স্বামীর লাশ ওয়ারড্রবে রেখে অফিস করলেন স্ত্রী! ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার দাবিতে মানববন্ধন বন্য হাতির আক্রমণে নিহত জাসদ নেতা সাইমুন কনক গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ইয়াবা কারবারিদের বাড়িঘর

নিজের ট্রাক্টরের মাটি চাপায় চালক নিজেই নিহত।

 মোঃ ইলিয়াস আলী নিজস্ব প্রতিবেদক (ঠাকুরগাঁও) সমকাল নিউজ ২৪

ঠাকুরগাঁওয়ে ইটভাটায় মাটি নামানোর সময় মাটির নিচে চাপা পড়ে ট্রাক্টরের চালক নিহত হয়েছেন।

সোমবার সকাল ১১টার সময় সদর উপজেলার বেগুনবাড়ী ইউনিয়নের ভবলা এলাকার এনএনএস ইটভাটায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম লিটন (২২)। তিনি উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের শরিফুল ইসলামের ছেলে।

ঠাকুরগাঁও ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনর্চাজ মফিদার রহমান জানান, ওই ইটভাটায় ট্রাক্টর দিয়ে মাটি আনার কাজ করতেন লিটন। মাটি নামানোর সময় গাড়ীটি উল্টে যায়।

এ সময় লিটন মাটির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

 

আরো পড়ুনঃ — এসএসসি সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, দারীদ্রতা ও অক্ষমতা হার মানাতে পারেনী বোবা মেয়ে আয়েশা খাতুনকে।

সাপাহার উপজেলায় চলতি এসএসসি, সমমান দাখিল ও কারিগরী পাশ পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে উপজেলা সদরের অদুরে মানিকুড়া দাখিল মাদ্রাসা হতে এক বাক প্রতিবন্ধী (বোবা)শিক্ষার্থী মেয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। বাক প্রতিবন্ধী ওই পরীক্ষার্থী মেয়েটি উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের হত দরিদ্র আবুল কাশেম ও মা ফিরোজা বেগমের মেয়ে আয়েশা খাতুন।

মেয়েটি যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লেখা পড়া করেছে ওই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক শিক্ষিকার সাথে কথা বলে জানা গেছে শিশু কাল হতেই ওই বোবা মেয়েটির লেখা পড়ার প্রতি ছিল চরম ঝোঁক। দারিদ্রতার কারণে মাঝে মধ্যে তার শিক্ষাব্যাবস্থা বন্ধের উপক্রম হলেও মেয়েটি হাল ছাড়েননি এবং দারিদ্রতা সহ কোন বাধাই তাকে দমাতে পারেনি। দরিদ্র পরিবারে তার মা ও অন্যান্য বাক প্রতিবন্ধী বোনদের সাথে নকশী কাঁথা শেলায়ের কাজ করে টাকা উপর্জন করে তার লেখা পড়া চালিয়ে এসেছে। বাবা আবুল কাশেমের সংসারে প্রথম স্ত্রী ফিরোজা বেগমের গর্ভের তিনটি মেয়ে সন্তান জন্ম নিলে তিনটিই বাক প্রতিবন্ধী (বোবা) হয়।

দিনমজুর বাবা আবুল কাশেম পরে অন্যত্র আর একটি বিবাহ করে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা সংসার করায় আয়েশতুন ও তার অন্য মেয়েদের নিয়ে মা ফিরোজা বেগম চরম বিপদে পড়েন। পরে তারা জিবীকা নির্বাহের জন্য মানুষের বিভিন্ন ধরনের নকশী কাঁথা হাতে ও মেশিনে শেলাই করে তাদের সংসার পরিচালনা করেন।

প্রথম মেয়ে লেখা পড়া না জানলেও সে গৃহস্তালীর কাজে ও শেলাই কাজে খুব পটু। মেঝ মেয়ে আয়েশা শেলাই কাজের পাশা পাশি লেখা পড়া শিখে বর্তমানে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের অধিনে এসএসসি সমমান পরীক্ষা দিচ্ছে। ছোট বোন বিলকিস আরা উপজেলার তেঘুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে লেখা পড়া করছে। কোন রকম কারিগরি শিক্ষা বা কোন মুক বধির বিদ্যালয়ে লেখা পড়া না শিখেই নিজ বুদ্ধিমত্তার জোরে সাধারণ বিদ্যালয়ে বাক প্রতিবন্ধী (বোবা) মেয়ে দু’টি লেখা পড়া করে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করায় এলাকায় এক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

মেয়েটির মা তার বোবা মেয়েদের লেখা পড়ায় আর্থিক সহযোগীতার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা সহ সকল স্তরের মানুষের নিকট দোয়া চেয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ঠাকুরগাঁও বিভাগের আলোচিত
ওপরে