১৭ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ২রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন নিউইয়র্কের ৫ জন ষ্টেট সিনেটর ফরাশী ভাষায় নির্মিত তথ্য চিত্র প্রদর্শনী, উদীয়মান... রি’ফাত হ’ত্যা মা’মলার প্রধান আ’সামির জা’মিন... স্পেনে টাইগার মাদ্রিদের নতুন জার্সি উন্মোচন ও... দ্বিতীয় বারের মত শুভসন্ধ্যা সৈকতে হতে যাচ্ছে জোছনা উৎসব

নুসরাতকে নিয়ে অশ্লীল মন্তব্য, চাকরি হারালেন সেই মামুন

 অনলাইন ডেস্ক সমকালনিউজ২৪

ফেনীর সোনাগাজীতে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে চাকরি হারিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সেই শিক্ষার্থী মামুন বিল্লাহ। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এসিআই কোম্পানিতে চাকরি করতেন তিনি।

চাকরি হারানোর কথা স্বীকার করলেও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামুন।তাঁর দাবি ফেসবুক হ্যাক করে এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

মামুন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২০১৭ সালে স্নাতক শেষ করেছেন। স্নাতকোত্তরে এখনও ভর্তি হননি। তবে এখনও তার রাবিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিহত নুসরাতকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে এখনই তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি উঠেছে।জানা গেছে, একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিহত নুসরাতের বিষয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ করে তা ফেসবুক পেজে শেয়ার করে। সেখানে মামুন বিল্লাহর ফেসবুক আইডি থেকে মন্তব্য করা হয়, ‘মেয়েটা কিন্তু জোস ছিল, মালটা ধর্ষণ করার মতোই ছিল।’ এমন আপত্তিকর মন্তব্যের পর অনেকেই তাকে ‘ভবিষ্যৎ ধর্ষক’ হিসেবে চিহ্নিত করে তার শাস্তির দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন।

মইনুল ইসলাম নামে এক ছাত্র তার ফেইসবুকে লিখেছেন, এমন মানসিকতার একটি ছেলে কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে? তাকে অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের দাবি জানান তিনি। মর্তুজা বশির নামে আরেক ছাত্র মামুন বিল্লাহকে ভবিষ্যৎ ধর্ষক উল্লেখ করে লেখেন, আরেকটি অঘটন ঘটার আগেই সম্ভাব্য এই ধর্ষককে শাস্তি দেয়া হোক। ইফতেখার হোসেন লিখেছেন, লজ্জা লাগছে আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এমন নিচু মন মানসিকতা কি করে হয়!

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি প্রক্টর প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান বলেন, নুসরাত জাহানকে নিয়ে রাবির কোনো শিক্ষার্থী যদি এমন মন্তব্য করে থাকে তাহলে ঘৃণিত, জঘন্য অপরাধ করেছে। এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ ঘটনার সত্যতা পেলে ‘আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’ বলেও জানান তিনি।

যোগাযোগ করা হলে মামুন বিল্লাহ দাবি করেন, তার ফেসবুক আইডি থেকে মন্তব্যটি করা হলেও সেটা তিনি করেননি। কে করেছে তা তিনি জানেন না। মামুন বলেন, বিষয়টা নিয়ে খুব বেকায়দায় পড়েছি। একটা বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতাম, কমেন্টটা দেখার সাথে সাথে আমাকে বাদ দেয়া হয়েছে।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে