৬ই জুন, ২০২০ ইং ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
চলতি মাসেই পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই হবে : রুবানা হক বগুড়ায় সাংবাদিক অধ্যাপক মোজাম্মেল হকে’র মৃ’ত্যু সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জন্য দোয়া চেয়েছেন মোহনপুর... ভারত সীমান্তে পারমাণবিক অ’স্ত্রের সমাবেশ চীনের! এমপি ফজলে করিমের ভাইয়ের মৃ’ত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক!

নোয়াখালীর অসহায় ও নিরীহ মানুষের জন্য একজন সুপারম্যান–এসপি আলমগীর হোসেন

  সমকালনিউজ২৪

এইচ.এম আয়াত উল্যা, নোয়াখালী প্রতিনিধি ::

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেনের দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত। এরমধ্যে অসহায় মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করেন। সাধারণ মানুষকে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে সেবা দিতে তিনি দ্রুত নির্দেশনা দেন স্ব স্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণকে। সাধারণ মানুষও তাঁর সেবা সহযোগিতায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তাইতো, একজন পুলিশ সুপার আজ সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে সুপারম্যান হয়ে আর্বিভূত হয়েছেন। এই শ্রেষ্ঠত্ব এমনি এমনি আসেনি। ভুক্তভোগী মানুষই তাঁকে এই শ্রেষ্ঠত্বের আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।

একজন সংবাদ কর্মী হিসেবে দেখেছি, একজন পুলিশ সুপার নিজের সবটুকু সময় ব্যয় করছেন সাধারণ জনগণ, অসহায় মানুষ এবং অসহায় মানুষের পরিবারের জন্য। জেলা সর্বোচ্চ পুলিশ কর্মকর্তা. পুলিশ সুপার। আমি প্রথমে মনে করেছি বারান্দায় দাঁড়িয়ে হয়তো এক দুই দিন মানুষের সমস্যার কথা শুনবেন। তারপর শেষ। কিন্তুু আমার ধারণা পাল্টাতে বেশি সময় লাগেনি। পর পর তিন দিন কিছুু অসহায় পরিবারের জন্য এসপি সাহেবের অফিসে যাওয়া হয়। প্রতিদিন পুলিশ সুপার তাঁর কার্যালয়ের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবার সমস্যার কথা শুনেন এবং আইনগতভাবে সমাধান করার ব্যবস্থা করেন।

একটি ঘটনার কথা এখানে উল্লেখ করছি, গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের (চাড়াল বাড়ীর) দীনেশ চন্দ্র দাসের সাথে বরান্দায় দাঁড়িয়ে তার সমস্যার কথা শুনে পুলিশ সুপার দ্রুততার সাথে বেগমগঞ্জ থানার ওসি সাথে কথা বলেন।

এরপর দীনেশ চন্দ্র দাসের সমস্যা সমাধানের জন্য ওসি নির্দেশ দেন। জেলার একজন সর্বোচ্চ পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি চাচ্ছেন সাধারণ মানুষের মাঝে মিশে যেতে। যেনো সাধারণ মানুষ খুব সহজে, সংকোচহীনভাবে এসপি’র সাথে কথা বলতে পারেন। কোন সংকোচ বোধে সাধারণ মানুষ তাদের সমস্যা কথা বলতে বলতে দ্বিধা না করে।

ডাক্তারের কাছে যেমন রোগীর কিছু গোপন করতে নেই, এতে যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়া যায় না। তেমনি একজন আইন-শৃঙ্খলা কর্মকর্তা পুলিশ সুপারের কাছেও সমস্যা বিষয়ে কোনো কিছু বলতে সংকোচ করলে, যথাযথ আইনি সেবাও দেওয়া যায়না।

এজন্যই নোয়াখালীর পুলিশ সুপার সাধারণ মানুষকে আপন করে নিয়ে তাদের সকল সমস্যার কথা শুনে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ নিতে সাহসী ভূমিকা রাখছেন।

উল্লেখ, প্রতিদিন জেলার দূর-দূরান্ত থেকে আসা অসহায় ও নিরীহ মানুষদের আর্থিকভাবেও সহযোগিতা করে থাকেন এসপি।

নোয়াখালী পুলিশ সুপারের কার্যালয় এখন আর আমজনতাকে ঘন্টার পর ঘন্টা, দিনের পর দিন বসে থাকতে হয় না। কারণ এসপি নিজেই আমজনতার কাছে ছুটে যাচ্ছেন। এসব অনন্য কাজের জন্য পুলিশ সুপার আজ সর্ব মহলে প্রশংসিত।

সাধারণ মানুষেরা বলেন, নোয়াখালীর পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন শুধু একজন পুলিশ সুপার নয়, তিনি এ জেলার অসহায় ও নিরীহ মানুষের জন্য একজন সুপারম্যান।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
নোয়াখালী বিভাগের সর্বশেষ
নোয়াখালী বিভাগের আলোচিত
ওপরে