৬ই জুন, ২০২০ ইং ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
চলতি মাসেই পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই হবে : রুবানা হক বগুড়ায় সাংবাদিক অধ্যাপক মোজাম্মেল হকে’র মৃ’ত্যু সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জন্য দোয়া চেয়েছেন মোহনপুর... ভারত সীমান্তে পারমাণবিক অ’স্ত্রের সমাবেশ চীনের! এমপি ফজলে করিমের ভাইয়ের মৃ’ত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক!

পাইকগাছায় ফুলে ফুলে ভরে গেছে মাঠের পর মাঠ

  সমকালনিউজ২৪

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।

পাইকগাছায় হলুদ ফুলে ভরে গেছে সরিষার ক্ষেত। ক্ষেতের পর ক্ষেত হলুদের সমারোহ। সরিষার ফুলে ফুলে মৌমাছির গুঞ্জনে কৃষকের মন আলোড়িত হচ্ছে। মধু আহরণে মৌমাছিরা মেতে উঠেছে। মাঠ জুড়ে সরিষার হলুদ ফুলের সমারহ। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে হলুদের সমারোহ দেখে চোখ জুড়ে যায়। প্রতিকূল আবহাওয়া ও কুয়াশা বেশি থাকার পরও উপকূলীয় উর্বর জমিতে এ বছর আশানারূপ সরিষা উৎপাদন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রতি ক্ষেতে তরতাজা সবুজ সরিষা গাছাগুলোতে হলুদ ফুলে ফুলে ভরে ওঠায় কৃষককের মুখে হাসি ফুটেছে।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অসময় বৃষ্টি ও শৈত প্রভাবের পরও পাইকগাছায় সরিষার আবাদ ভাল হয়েছে বলে কৃষি অফিস জানিয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে কৃষকদের সরিষার বীজ ও সার দেওয়ায় এবছর সরিষার আবাদ বেড়েছে।

উপজেলায় ১৮০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে স্থানীয় ৫ হেক্টর ও উফশী ১৭৫ হেক্টর। বৃষ্টির কারণে সময় মত মাটিতে জো না আসায় সরিষার আবাদ কম হয়েছে। উপকূলের লবনাক্ত এলাকা চাষাবাদ অনেকটা প্রকৃতি ও আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। অন্য এলাকায় আগাম মাটিতে জো আসলেও উপকূল এলাকার নিঁচু মাটিতে জো আসতে দেরি হয়।

উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে সরিষার আবাদ হয়ে থাকে। তাছাড়া চাঁদখালী, গড়ইখালী ও দেলুটিতে সামান্য জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে গদাইপুরে ১০ হেক্টর, কপিলমুনি ৭২ হেক্টর, হরিঢালী ৭০ হেক্টর, রাড়ুলী ২৫ হেক্টর, চাঁদখালী ৩ হেক্টর, গড়ইখালী ৫ হেক্টর, ও দেলুটীতে ২ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। কৃষকরা বারি সরিষা ১৪-১৫, টরি ৭, এসএম ৭৫, রাই ৫ জাতের সরিষা আবাদ করেছে।

সরেজমিনে এসব ক্ষেত পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ইতোমধ্যে সরিষার ফুল ঝরতে শুরু করে সরিষার দানা বাঁধতে শুরু করেছে। উপজেলার গোপালপুর গ্রামে সরিষা চাষী সবুর মোড়ল ও আব্দুস সামাদ জানান, তাদের ক্ষেতের আবাদকৃত সরিষা ভালো হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, বৃষ্টির কারণে ধান কাটতে দেরি হওয়ায় সরিষা আবাদ করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। কৃষকরা যদি আগাম জাতের ধান চাষ করে তাহলে সময়মত ধান কাঁটার পর সরিষা চাষে পূরা সময় পাবে।

এ ব্যাপারে কৃষকদের আগাম জাতের ধান চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। তাছাড়া উপকূল এলাকার নিচু জমিতে জো আসে দেরিতে সে জন্য ফসল লাগাতেও দেরি হয়। এবছর উপজেলায় সরিষার আবাদ ভালো হয়েছে। তবে আর যদি কোন রকম প্রাকৃতিক কোন বিপর্যয়ের সৃষ্টি না হলে সরিষার আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

‘বিদ্রঃ সমকালনিউজ২৪.কম একটি স্বাধীন অনলাইন পত্রিকা। সমকালনিউজ২৪.কম এর সাথে দৈনিক সমকাল এর কোন সম্পর্ক নেই।’

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
খুলনা বিভাগের সর্বশেষ
খুলনা বিভাগের আলোচিত
ওপরে