১৫ই অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৩০শে আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ফেনীর ভূইয়া ট্রান্সপোর্ট যেন মোহাম্মদ আলীর ” আলাদীনের... গো’লাগু’লিতে আসামি নি’হত বগুড়ায় টাকাসহ চার ছিনতাইকারী গ্রে’ফতার ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড এন্ড কালচারাল এক্সপো... চাঁদপুরে পুলিশ জেলে সংঘর্ষ আহত-৬, রাবার বু’লেট নিক্ষেপ,...

পাইকগাছায় সহায়তা পাননি কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থরা : অনেক পরিবারের খোলা আকাশের নিচে বসবাস

 ইমদাদুল হক,পাইকগাছা সমকালনিউজ২৪

পাইকগাছায় কালবৈশাখী ঝড়ের তিনদিন অতিবাহিত হলেও ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ কোন পরিবার এখনও কোন সরকারি কোন সহায়তা পায়নি। এমনকি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর এলাকার কোন জনপ্রতিনিধি খোঁজ নেয়নি। ক্ষতিগ্রস্থ অনেক পরিবার বাস করছে খোলা আকাশের নিচে। সূত্র মতে, চলতি মৌসুমে একের পর এক আঘাত হানছে কালবৈশাখী ঝড়। এমন কোন সপ্তাহ নেই যে সপ্তাহে কালবৈশাখী আঘাত হানছে না। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিলা বৃষ্টি সহ কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হানে এলাকায়। এ বছর যে ক’টি কালবৈশাখী ঝড় আঘাত হেনেছে মঙ্গলবারের ঝড়ের গতি ছিল অনেক বেশি। উপজেলার প্রায় সবখানেই লন্ডভন্ড করে দেয় কালবৈশাখী। ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয় চাঁদখালী ইউনিয়ন।
ইউনিয়নের ওড়াবুনিয়া, ফেদুয়ারাবাদ, ঢেমশাখালী,

গড়েরআবাদ, কৈয়াসিটিবুনিয়া, গজালিয়া, পূর্ব গজালিয়া, বাদুড়িয়া, দেবদুয়ার, কৃষ্ণনগর, সাহাপাড়া, মৌখালী, কমলাপুর, ধামরাইল, ফতেপুর, চাঁদখালী, কানুয়ারডাঙ্গা, কাটাখালী বাজার ও মালোপাড়া সহ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা কালবৈশাখীঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মাটি ও টিন সেডের ঘর। বেশির ভাগ মাটি ও টিনের ঘরের চাল ঝড়ে উড়ে যায়।

এতে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হন এলাকার দরিদ্র পরিবার। আশ্রায়ন প্রকল্প সহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। লস্কর ইব্রাহীম মেমোরিয়াল এতিমখানার ছাত্রাবাস টি কালবৈশাখী ঝড়ে অবর্ণনীয় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ঝড়ের তিনদিন অতিবাহিত হলেও শুক্রবার পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো একদিকে সরকারিভাবে কোন সহায়তা পাননি।

অপরদিকে, কোন জনপ্রতিনিধি তাদের খোঁজ নেয়নি বলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো দরিদ্র শ্রেণীর হওয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ঘর এখনও মেরামত করতে পারেননি। ফলে তারা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।

ওড়াবুনিয়ার আরতি সানা ও পূর্ব গজালিয়া গ্রামের শামছুর রহমান গাজী জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে বসত ঘরের চাল উড়ে গিয়ে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। যা এখনও অর্থাভাবে মেরামত করতে পারেনি।

কৈয়াসিটিবুনিয়া গ্রামের তনজিলা বেগম (৬০) জানান, তিনদিন হলো এখনও আমরা কোন সহায়তা পায়নি। এমনকি, আমাদের খোঁজ নিতেও কেউ আসেনি।

আব্দুল্লাহ গাজী জানান, পরিবার পরিজন নিয়ে গত তিনদিন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি।

আওয়ামীলীগ নেতা জি,এম, ইকরামুল ইসলাম জানান, আমি ব্যক্তিগত ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার অনেক স্থানে গিয়েছি। এবারের
কালবৈশাখী ঝড়ে যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। অসংখ্য পরিবার এখনও ক্ষতিগ্রস্থ ঘর মেরামত করতে পারেনি। এসব দরিদ্র পরিবারের জন্য টিন ও অন্যান্য সামগ্রী সহ সরকারি সাহায্য জরুরী প্রয়োজন।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
খুলনা বিভাগের সর্বশেষ
খুলনা বিভাগের আলোচিত
ওপরে