১৮ই জুলাই, ২০১৯ ইং ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি,দেখার কেউ... দাগনভূঞায় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও পোনা... ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম নেটের বিভিন্ন... আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হাজার- হাজার সমর্থকদের... বরগুনায় জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত

পুঠিয়ায় বলাৎকারে অতিষ্ঠ হয়ে শ্রমিক নেতা নুরুলকে খুন

  সমকাল নিউজ ২৪

নাজিম হাসান,রাজশাহী থেকে: বলাৎকারের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়েই রাজশাহীর পুঠিয়ায় শ্রমিক নেতা নুরুলকে হত্যা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে জেলা পুলিশ। হত্যার সঙ্গে জড়িত ও নুরুলের লালসার শিকার জীবন নামের এক কিশোর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ১৬ বছরের সেই সমকামী কিশোর গত সোমবার রাজশাহীর আদালতে এ জবানবন্দি দেন। একই সঙ্গে নুরুলের লালসার স্বীকার আরো তিন যুবক আদালতে তাদের নির্য নির্যাতনের ঘটনার কথা বর্ণনা করেছেন। নিহত নুরুল জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল পুঠিয়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি ও জিউপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। এর আগে গত ১১ জুন রাজশাহী জেলার পুঠিয়ার কাঠালবাড়ীয়া এএসএস ইটভাটায় শ্রমিক নেতা নূরুল ইসলামের মৃতদেহ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিনই পুঠিয়া থানায় মৃত নূরুলের মেয়ে বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ সুপার রাজশাহীর নির্দেশে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নিয়ে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা শাখা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। এরপর পুলিশ গত ১৬ জুন পুঠিয়া উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের জিয়ারুল হকের ছেলে মো: জীবনকে (১৬) ডিবি পুলিশ পুঠিয়া থানা এলাকা হতে আটক করে। পরবর্তীতে সে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দিতে সে উল্লেখ করে যে, মৃত নূরুল ইসলামকে তার প্রতিবেশী জীবন নানা বলে সম্বোধন করত। মৃত নূরুল ইসলাম তাকে টাকার প্রলোভন দিয়ে প্রায় সময় সমকামিতার কাজ করাতো। এবং এতে জীবন অনিচ্ছা প্রকাশ করলে তাকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। গত ১০জুন রাত ৯ টার দিকে বলাৎকারের উদ্দেশ্যে দুজনেই পুঠিয়া উপজেলার কাঠালবাড়ীয়া এলাকার এএসএস ইটভাটায় অবস্থান নেয়। সমকামিতার এক পর্যায়ে নূরুল হক মাটিতে পড়ে যায়। এ সময় দীর্ঘ দিনের ক্ষোভে এবং সমকামিতা মেনে নিতে না পেরে ক্ষোভে প্রথমে নুরুলের গলা টিপে ধরে জীবন। তারপর ইট দিয়ে মাথায় উপর্যপুরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে। মৃত নুরুলকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে বাসায় চলে আসে জীবন। জীবন আরো জানায়, এর আগেও নূরুল ইসলামের সমকামিতার বদ অভ্যাস ছিল এবং একই এলাকার বিভিন্নজনকে এ কাজে সে ব্যবহার করত। এ সংক্রান্তে সাক্ষী হিসাবে আদালতে আরো তিনজন জবানবন্দি প্রদান করেন।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
রাজশাহী বিভাগ বিভাগের সর্বশেষ
ওপরে