২৭শে জুন, ২০১৯ ইং ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
যেকোনো মূল্যে রিফাতের খুনিদের গ্রেফতারের নির্দেশ... রিফাত হত্যার ঘটনায় মর্মাহত হাইকোর্ট জানতে চান কি... স্বামীর খুনীর সঙ্গে স্ত্রীর ফুল হাতে ছবি ভাইরাল! বরগুনায় রিফাত হত্যা মামলায় গ্রেফতার – ১ কলারোয়া থানা পুলিশের অভিযানে ছয় ব্যক্তি আটক।

পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ রোহিঙ্গা নিহত

 অনলাইন ডেস্ক সমকাল নিউজ ২৪

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তিন রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছে।

শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মুছনী রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের দাবী, নিহতরা সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অপহরণসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

নিহতরা হলেন, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মুছনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি-ব্লকের আমির হোসেনের ছেলে নুর আলম (২৩) এবং একই ক্যাম্পের এইচ-ব্লকের মোহাম্মদ ইউনুসের ছেলে মোহাম্মদ জুবায়ের (২০) ও ইমাম হোসেনের ছেলে হামিদ উল্লাহ (২০)।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, এসআই স্বপন, কনস্টেবল মোহাম্মদ মেহেদী ও মং মং। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, শুক্রবার রাতে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মুছনী ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে একাধিক মামলার পলাতক আসামি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নুর আলম, জুবায়ের ও হামিদকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ভোর রাতে মুছনী ক্যাম্প সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় তাদের নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল।

ঘটনাস্থলে পৌঁছালেই উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে তাদের সহযোগীরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে এক পর্যায়ে নুর আলম, জুবায়ের ও হামিদ গুলিবিদ্ধ হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে নেওয়ার পথেই তারা মারা যান।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) শাহীন মো. আব্দুর রহমান চৌধুরী বলেন, সকালে হাসপাতালে আনার আগেই পথে গুলিবিদ্ধ তিন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে। তাদের শরীরে গুলিবিদ্ধ হওয়ার আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ঘটনাস্থল তল্লাশি করে চারটি দেশীয় বন্দুক ও সাতটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলেও জানান টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে