১৮ই জুন, ২০১৯ ইং ৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ভারত থেকে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল বাংলাদেশি ৬ নারী চয়ন কে মামলা থেকে বাঁচাতেই প্রতিবন্ধী শরিফুলের... রাজাপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ দুর্গাপুরে মানববন্ধন ও প্রশাসনকে জানিয়েও হুমকীতে... বগুড়ায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীদের সংঘর্ষ,...

প্রশ্নফাঁসের শর্তে ছাত্রীদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক

  সমকাল নিউজ ২৪

জ্যোতি বাছাড়(খুলনা): খুলনা মহানগরীর আযম খান সরকারি কমার্স কলেজে প্রশ্ন ফাঁসের শর্তে ছাত্রীদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস সহকারী আবুল হাসানের বিরুদ্ধে। প্রায় ডজনখানেক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক করেছেন তিনি। আপত্তিকর অবস্থার ছবি তুলে রেখে পরবর্তীতে ওই ছাত্রীদের ব্লাকমেইল করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ক্ষতিগ্রস্ত ও ভুক্তভোগীদের মাধ্যমে এ ধরনের কিছু আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, আযম খান সরকারি কমার্স কলেজের মার্কেটিং বিভাগের কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস সহকারী আবুল হাসান সুন্দরী ছাত্রীদের টার্গেট করে তাদের সঙ্গে রসালো আলাপ করে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র দেবার প্রতিশ্রুতি দেন। বিনিময়ে অনৈতিক সম্পর্ক করতে শর্ত দেন। এভাবে গত কয়েক বছরে পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস করে ডজনখানেক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন তিনি। কৌশলে বা ফুসলিয়ে আপত্তিকর ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখতো আবুল হাসান। পরে তার কথামত না চললে ওই ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবার কথা বলে ব্লাকমেইল করতো। ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, ক্লাস টেস্ট, অর্ধ-বার্ষিকী ও বার্ষিক পরীক্ষাসহ প্রায় সবধরনের প্রশ্নপত্রের ফটোকপি পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই তার মাধ্যমে পৌঁছে যায় ঘনিষ্ঠদের কাছে। সেজন্য পরীক্ষার আগে-পরে বা ইচ্ছামতো সময়ে ওই ছাত্রীদের তার সঙ্গে মিলিত হতে হতো। কখনো নগরীর ভূতের আড্ডা, অন্য কোনো পার্কে; আবার কখনো অনুরূপ সুবিধা দেয়া কোনো ছাত্রের মেস বাসায় নিয়ে যেত ওই ছাত্রীদের। কৌশলে এসব মুহূর্তের ছবি তুলে রাখতো আবুল হাসান। তার বাড়ি বটিয়াঘাটার পুঁটিমারি এলাকায়। গত কয়েক বছরে অন্তত ডজনখানেক মেয়ের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

কলেজের একটি সূত্র জানিয়েছে, শুধু মার্কেটিং বিভাগের নয়; হিসাব বিজ্ঞান বিভাগেও তার পদচারণা ছিল। এ দুটি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষক তাকে ই-মেইলেও গোপন প্রমাণাদি ও প্রশ্নপত্র পাঠাতেন; যা তার ওইসব ছাত্রীরা আগেই পেয়ে যেতো। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মার্কেটিং বিভাগের কম্পিউটার অপারেটর কাম অফিস সহকারী আবুল হাসান বলেন, ‘আমি ভুল করেছি; আমাকে মাফ করে দেন।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে