২২শে জুলাই, ২০১৯ ইং ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
রাজশাহীর চারঘাটে ছেলেধরা সন্দেহে ৫ এনজিও কর্মীকে... এসএমপির ১৬ নারী কনস্টেবলকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান দুর্গাপুরে ছেলেধরা সন্দেহে আটক – ১ কলারোয়ার বাঁটরায় বর্ষা মৌসুমের টমেটো চাষে আগ্রহ বাড়ছে... রিফাত হত্যা : রিশান ফরাজীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

বগুড়ায় ইউপি সদস্যকে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলেন চেয়ারম্যান

 জিএম মিজান,বগুড়া সমকাল নিউজ ২৪

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কাগইল ইউনিয়নের ইউপি সদস্যকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেছেন বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ও তার দুই সহযোগী। ইউপি সদস্যকে পরিকল্পিত ফাঁসানোর ঘটনা ফাঁস হলে ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করে একই ইউনিয়নের বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা আগানিহাল বিন জলিল তপন ও তার দুই সহযোগী সুলতান ও সুজনকে।

বুধবার (১৫মে) রাত ১০টায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঐ ইউপি সদস্য বর্তমান কাগইল ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক সাজেদুর রহমান শামিম এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে ডিবি পুলিশের একটি দল তার বাড়িতে যায়।

এরপর ডিবি পুলিশ তার মোটর সাইকেলের মিটার বক্স থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে। ইয়াবা উদ্ধারের পর ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হলেও ডিবি পুলিশের দল ইয়াবা নিয়ে ফিরে আসে। পরদিন বুধবার ডিবি পুলিশ ইয়াবা সংক্রান্ত তথ্যদাতা সুলতান ও সুজনকে ডেকে নিয়ে, তাদেরকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা পরিকল্পনাপর কথা ফাঁস করে, যে বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যান তপন তাদেরকে টাকা দিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান শামিমের মোটর সাইকেলে ইয়াবা রেখে দেয়, এবং পরে তারাই ডিবি পুলিশকে ইয়াবা সংক্রান্ত তথ্য দেয়। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামীম আরও বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান তপনের নামে ১০-১২টি মামলা থাকায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় থেকে গত ১৯ মার্চ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

হাইকোর্ট গত ১৫ এপ্রিল তার বরখাস্তকৃত আদেশ স্থগিত করে চেয়ারম্যান পদে বহাল করে। কিন্তু চেয়ারম্যান তপন ইউনিয়ন পরিষদে প্রবেশ করতে পারতেন না। আর সেই ক্ষোভ থেকেই মঙ্গলবার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা মোটর সাইকেলের মিটার বক্সে কৌশলে ৫০ পিস ইয়াবা রেখে দেয়ার পরিকল্পনা করে। বগুড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম আলী এ প্রতিবেদক-কে বলেন, ‘গ্রেফতারকৃত সুলতান ও সুজন পুলিশের কাছে স্বীকার করে যে, চেয়ারম্যান তপনের পরিকল্পনায় তারা শামিমের মোটর সাইকেলে কৌশলে ইয়াবা রেখে দেয়। এর বিনিময়ে তপন তাদেরকে ইয়াবা কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা এবং পরে আরো ১২ হাজার টাকা দেয়। গ্রেফতারকৃত তিনজনের নামে মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি জানান।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে