৬ই জুন, ২০২০ ইং ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
চলতি মাসেই পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই হবে : রুবানা হক বগুড়ায় সাংবাদিক অধ্যাপক মোজাম্মেল হকে’র মৃ’ত্যু সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জন্য দোয়া চেয়েছেন মোহনপুর... ভারত সীমান্তে পারমাণবিক অ’স্ত্রের সমাবেশ চীনের! এমপি ফজলে করিমের ভাইয়ের মৃ’ত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক!

বগুড়ায় ধ’র্ষণ মা’মলায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গ্রে’ফতার ২

  সমকালনিউজ২৪

জিএম মিজান,বগুড়া ::

বগুড়ার ধুনটে কিশোরী ধ’র্ষণ মা’মলায় ইউপি চেয়ারম্যান ও ধ’র্ষকের বাবাকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। গত বছরে এই ঘটনায় ধ’র্ষিতা অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে এবং কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়।

মঙ্গলবার সকাল ১২টায় গ্রে’ফতারকৃত দুই ব্যক্তিকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রে’ফতারকৃতরা হলেন উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেড়েরবাড়ি গ্রামের আজাহার আলী পাইকাড় (৬০) এবং একই গ্রামের তছলিম উদ্দিনের ছেলে ও ধ’র্ষকের বাবা ফজলুল বারী (৪৫)।

মা’মলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়নের বেড়েরবাড়ি গ্রামের ফজলুল বারীর ছেলে মেহেদী হাসান (১৮) প্রতিবেশী এক দিনমজুরের কিশোরী মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু প্রেমের সাড়া দেয়নি মেয়েটি।

২০১৯ সালের ১৫ মে দুপুরে সুযোগ বুঝে মেয়েটি ধ’র্ষণ করে বখাটে মেহেদী হাসান। ওই সময় মেয়েটির বাড়িতে কেউ ছিলেন না।

ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চাইতে যান মেয়ে ও তার মা। কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান তাদের বিচার না দিয়ে ঘটনাটি ধামাচামা চেওয়ার চেষ্টা করেন। ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে কোনো সহায়তা না পেয়ে বাড়ি ফিরে যান তারা। ধ’র্ষণের শিকার হওয়ায় মেয়েটি অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ১৯ ফেব্রয়ারি নিজ বাড়িতে মেয়েটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। বিষয়টি জানার পর থেকে মেহেদী হাসান পলাতক রয়েছে।

এ ঘটনায় মেয়েটি বাদী হয়ে সোমবার সন্ধ্যায় থানায় একটি ধ’র্ষণ মা’মলা দায়ের করে। ওই মা’মলায় মেহেদী হাসান ও তার বাবা ফজলুল বারী এবং ইউপি চেয়ারম্যান আজাহার আলী পাইকাড়কে আসামী করা হয়েছে।

থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ধ’র্ষকের বাবা ও ইউপি চেয়ারম্যানকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রে’ফতার করেছে।

উপজেলার নিমগাছি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আজাহার আলীর পাইকাড় বলেন, ধ’র্ষণের শিকার মেয়েটি বিচার চেয়েছিল। কিন্তু পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া ধ’র্ষককে শনাক্ত করা সম্ভব না। তাই মেয়েটিকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তারপরও স্থানীয় কতিপয় ব্যক্তির ইন্ধনে আমাকে ধ’র্ষণ মা’মলায় আসামি করা হয়েছে।

ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন এ প্রতিবেদক-কে বলেন, এ ঘটনায় মেয়েটি বাদী হয়ে থানায় মা’মলা দায়ের করেছে। মা’মলার প্রধান আসামিকে গ্রে’ফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে