৭ই এপ্রিল, ২০২০ ইং ২৪শে চৈত্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
করোনাভাইরাসে বার্সেলোনায় প্রথম বাংলাদেশীর মৃত্যু কোটচাঁদপুরে করোনা প্রতিরোধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের... করোনা ভাইরাস রোধকল্পে নির্দেশনা না মানায় ৫৩ জনকে... রাঙ্গাবালীর মানচিত্রে মৌডুবী নামে যুক্ত হলো একটি নতুন... বরগুনায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য ও হোম কোয়ারেন্টাইন না...

বগুড়ায় প্রকাশ্যে বিএনপি কর্মীকে কু’পিয়ে হ’ত্যা

  সমকালনিউজ২৪

জিএম মিজান,বগুড়া ::

বগুড়া সদর উপজেলায় প্রকাশ্যে এক বিএনপি কর্মীকে কু’পিয়ে হ’ত্যা করেছে নিজ দলের এক নেতা ও তার সহযোগিরা। একই সময় তার বড়ভাই বিএনপি কর্মী আল মামুনকে কু’পিয়ে আহত করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার সময় বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে সদর উপজেলার বুজরুক মাঝিড়া নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।

আভ্যন্তরীণ কোন্দল ও বিএনপি কর্মী সনি হ’ত্যার জের ধরে এই হ’ত্যাকান্ড সংঘটিত হয় বলে এলাকাবাসী ও পুলিশের দাবি।

নি’হত আপেল মাহমুদ ফকির (৩৫) বগুড়া সদর উপজেলার গোকুল ইউনিয়নের পলাশবাড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান ফকিরের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী এবং তার বড়ভাই আহত আল মামুন ওই ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য।

আহত মামুনকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীযরা বলেন, আপেল ও তার বড়ভাই মামুন মাংস ব্যবসায়ী। বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু-ছাগল কিনে স্থানীয় পলাশবাড়ি বাজারে মাংস বিক্রি করে। বৃহস্পতিবার সকালে ছাগল বিক্রির কথা বলে ওই দুই ভাইকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের বুজরুক মাঝিড়া গ্রামে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করা গোকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান ও তার সহযোগিরা ওই দুই ভাইয়ের ওপরে হামলা চালায়। ধারালো অ’স্ত্র দিয়ে তাদের দুই ভাইকে উপর্যুপরি কু’পিয়ে ফেলে রেখে তারা চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আপেলের মৃ’ত্যু হয়।

পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত মামুনকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। গোকুল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন আহম্মেদ বিপুল বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ নিজ দলের মধ্যে দ্বন্ড চলছিলো। এর জের ধরে ২০১৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গোকুল হল বন্দর এলাকায় মিজানের সহযোগি সনিকে কু’পিয়ে হত্যা করা হয়। সনি হ’ত্যা মা’মলার অন্যতম আসামি ছিলেন মামুন। ওই হ’ত্যাকা’ন্ডের কারণেই মামুন ও তার পরিবারের ওপরে ক্ষিপ্ত ছিলো মিজান ও তার সহযোগিরা। বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান এ প্রতিবেদক-কে বলেন, দলীয় কোন্দলের কারণে এই খু’নের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

নি’হত আপেলের লা’শ উ’দ্ধার করে শজিমেক হাসপাতাল ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। ওই হ’ত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রে’ফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে