৬ই জুন, ২০২০ ইং ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
চলতি মাসেই পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই হবে : রুবানা হক বগুড়ায় সাংবাদিক অধ্যাপক মোজাম্মেল হকে’র মৃ’ত্যু সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জন্য দোয়া চেয়েছেন মোহনপুর... ভারত সীমান্তে পারমাণবিক অ’স্ত্রের সমাবেশ চীনের! এমপি ফজলে করিমের ভাইয়ের মৃ’ত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক!

বগুড়ায় ৩ ঘন্টাব্যাপী আওয়ামী লীগ-বিএনপির সংঘর্ষ

 অনলাইন ডেস্কঃ সমকালনিউজ২৪

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার চড়পাড়া বাজারে বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানের শীষ ও নৌকা মার্কার সমর্থকদের মাঝে প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ধানের শীষের প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম ও নৌকার প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নানের সমর্থকদের মাঝে কয়েকদিন ধরেই উত্তেজনা বিরাজ করছিল। বৃহস্পতিবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে বিএনপি প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলামের লোকজন গণসংযোগের ঘোষণা দিলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল মান্নানের লোকজনও পাল্টা ঘোষণা দেয়।

 

কাজী রফিকুল ইসলাম বেলা ১১টার দিকে বগুড়া থেকে বিএনপি ও যুবদলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে গাড়িবহর সহকারে সোনাতলার সৈয়দ আহম্মেদ কলেজ বটতলা এলাকায় পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা গাড়ি বহরে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এর এক পর্যায়ে নৌকা প্রার্থী আবদুল মান্নানের লোকজন এগিয়ে এলে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুইপক্ষের লোক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

 

সংঘর্ষে আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুরসহ বেশ কয়েকটি দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ পৌঁছে ১২ রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ১৯ জনকে আটক করা হয়।

 

এ বিষয়ে ধানের শীষের প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম জানান, “আমাদের কর্মসূচির ব্যাপারে সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসিকে আগে থেকেই অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশের উপস্থিতিইে নৌকা মার্কার লোকজন আমার নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে মারপিট ও মোটরসাইলে পুড়িয়ে দিয়েছে”। তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও জানান।

 

অন্যদিকে বগুড়া ১ আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল মান্নান এ বিষয়ে বলেন, “বিএনপি প্রার্থী পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে বহিরাগত ক্যাডার নিয়ে আমার নেতাকর্মীদের উপর হামলা করেছে। বিএনপি শান্তিপুর্ন নির্বাচন চাইছে না, তারা চাইছে নির্বাচন ভন্ডুল করতে। এ কারণে আমার নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালিয়ে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে”।

 

পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল জানান, অতিরিক্ত পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বর্তমানে চড়পাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তবে, এ ব্যাপারে এখনও কোন মামলা হয়নি।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে