২৬শে মে, ২০১৯ ইং ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
সদরঘাট জিম্মি ‘খলিফা বাহিনী’র হাতে কৃষকের ঘরে বিয়ের ১১ বছর পর এক সঙ্গে চার সন্তান বাংলাদেশীদের পদচারণায় জমজমাট কলকাতার ঈদ বাজার! স্বামী সন্তানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের... হঠাৎ কোটিপতি হয়ে যাওয়া এক নেতা

বরগুনায় টাকা ধার না দেয়ায় ঘরে আগুন দেয়ার অভিযোগ

 ইফতেখার শাহীন / বরগুনা জেলা প্রতিনিধি। সমকাল নিউজ ২৪
বরগুনায় টাকা ধার না দেয়ায় ঘরে আগুন দেয়ার অভিযোগ

বরগুনায় ভায়রাকে টাকা ধার না দেয়ায় রাতের আঁধারে আপন ভায়রা জলিল ঘরে আগুন দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে একটি বসতঘর পুড়ে ভস্মিীভুত হয়েছে এবং তাতে প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষতিগ্রস্ত হয় ওই পরিবারটি। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাতে বরগুনা সদর উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের বাসুকী গ্রামে।

ভস্মীভূত বসত ঘরের মালিক আশু জামালের স্ত্রী তাজনেহার কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার স্বামী ঢাকায় বালুর জাহাজে কাজ করেন। আমার দু’টো ছেলে মেয়েকে নিয়ে ঘরে আমি একাই থাকি। একই গ্রামের মন্নাফ মাঝির ছেলে জলিল আমার ভগ্নীপতি। তিনি তার বাড়ীতে বসবাসের জন্য বিল্ডিং এর কাজ শুরু করেন। সেই সুবাদে জলিল আমাদের কাছে টাকা ধার চেয়েছেন। সেই টাকা আমরা না দিলে সে আমাদের বুঝিয়ে দিবে বলে হুমকী দেয়।

এ ছাড়াও ১৫ দিন পূর্বে আমার চাচা অসুস্থ্য হলে আমার বোন (জলিলের স্ত্রী) চাচাকে দেখতে আসে। এই দেখতে আসাকে কেন্দ্র করে আমার বোনকে জলিল অনেক মাধর করে মারাত্মক জখম করে। শেষ পর্যন্ত তাকে চিকিৎসার জন্য বরিশাল পাঠাতে হয়েছে। আমি বোনকে দেখতে যাওয়ায় এবং তার চিকিৎসার জন্য খোঁজ খবর নিলে এ থেকেও জলিল আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়। আমার স্বামী ঢাকাতে থাকায় আমি ভয়ে রাতে ঘরে মুমোতামনা। শুক্রবার দিবাগত রাতে আমি ঘর বন্ধ করে পাশের বাড়িতে ঘুমোতে যাই। গভীর রাতে চিৎকার চেচামেচির আওয়াজ শুনে বাইরে নেমে দেখি আমার ঘরে দাউ দাউ করে আগুন জ¦লছে। আমার চোখের সামনেই ঘরটা পুড়ে ছাই হয়ে গেলো। আমার ঘরে অন্য কিছু থেকে আগুন লাগতে পারে না, এ আগুন লাগিয়েছে অন্যান্য লোকজন নিয়ে আমার দুলাভাই জলিল, এ কথা বলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। স্থানীয় অনেকেরই ধারনা এ আগুন লাগানোর কাজটি জলিলের।
অভিযুক্ত ব্যক্তি জলিল বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানিনা, আমি বেশ কিছু দিন থেকে ঘরে অসুস্থ অবস্থায় আছি।

এ বিষয়ে বালিয়াতলী ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম শাহনেওয়াজ জানান, আমি বর্তমানে ঢাকা আছি, ঘটনাটি শুনে প্রকৃত কি ঘটেছে তা জানার জন্য একজন জনপ্রতিনিধিকে ওখানে পাঠিয়েছি।
এ ব্যাপারে মামলার প্রস্ততি চলছে।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
বরগুনা বিভাগের আলোচিত
ওপরে