২৩শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং ১০ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
সেফুদার বিরুদ্ধে ভিয়েনার আদালতে মামলা শ্রীলঙ্কা হামলার ‘মাস্টার মাইন্ড’ মাওলানা জাহরান... বগুড়ায় মদসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার বগুড়ায় ছিনতাইচক্রের মূল হোতা আটক প্রেম বাড়াতে আসছে ‘ইনজেকশন’

বরগুনায় নিজ অর্থায়নে চলছে ড: ওয়াজেদ মিয়া প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়

 নিজেস্ব প্রতিনিধি। সমকাল নিউজ ২৪

বরগুনায় নিজ অর্থায়নে চলছে ডাক্তার ওয়াজেদ মিয়া প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়। বরগুনা সদর উপজেলার কেওরাবুনিয়া ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া গ্রামে ২০১৬ সালের ১২ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটি হারুন-অর-রশিদের প্রচেষ্টায় ৪২জন শিক্ষার্থী নিয়ে চালু হয়। এতে ১০ জন শিক্ষক রয়েছে। প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস করানো হয়। হারুন-অর-রশিদ নিজের পকেট থেকে শিক্ষকদের বেতন দিচ্ছেন। পাচ্ছেন না সরকারের তরফ থেকে কোনো সহায়তা। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১২৩ জন প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। যাদেরকে প্রতিদিন টিফিনের ব্যবস্থা করেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হারুন-অর-রশিদ তারপরও চালিয়ে যাচ্ছেন এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে সাংস্কৃতিক চর্চা, গান, কবিতা আবৃত্তি, গল্প ও নৃত্য।

এ ব্যাপারে ওই এলাকার ইউপি সদস্য আলম হাওলাদার বলেন, আমাদের গ্রামে অনেক শিশু প্রতিবন্ধী রয়েছে যারা এই সমাজে অবহেলিত। আমাদের প্রতিবন্ধী সন্তানরা এখন আর পিছিয়ে পড়বে না। তবে এই স্কুলটিকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি সহায়তা পেলে আরো এগিয়ে যাবে।

এ ব্যাপারে ডঃ ওয়াজেদ মিয়া প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিন সুলতানা বলেন, বর্তমানে এস্কুলে ১২৩ জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে। তাদেরকে পাঠ দান করানোর জন্য রয়েছে ১০জন শিক্ষক। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনেক বোবা, অন্ধ, কালা, বধির, হাত-পা প্রতিবন্ধী। ওরাতো মানুষ, আমরা চাই ওরা জানি লেখাপড়া করে অনেক বড় হয়।

ড: ওয়াজেদ মিয়া প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হারুন-অর-রশীদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী ডা: ওয়াজেদ মিয়ার নামে ২০১৬ সালে ৪২জন প্রতিবন্ধী শিশু নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি চালু করি। আমরা এলাকার প্রতিবন্ধী শিশুদেও কথা ভেবে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছি। তিনি এ শতাধিক প্রতিবন্ধি শিক্ষার্থীদেও সুশিক্ষার জন্য সরকারের সহায়তা কামনা করেন।

ইতোমধ্যেই বরগুনা সমাজসেবার উপ-পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ স্কুলটি পরিদর্শন করেছে। সকলের সহযোগিতা পেলে প্রতিবন্ধী শিশুরা সাফল্যের সাথে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
বরগুনা বিভাগের আলোচিত
ওপরে