১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং ১লা আশ্বিন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ঝালকাঠিতে পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে হা’মলায় আহত... অ’পহরণের ৫ দিন পর ঠাকুরগাঁও থেকে তরুণীকে উ’দ্ধার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট... র‌্যাবের অ’ভিযানে ২৫৬০ পিস ই’য়াবাসহ ব্যবসায়ী... দুর্গাপুরে হা-ডু-ডু প্রতিযোগিতা

বাগমারায় গ্রীষ্মকালীন স্কুল ও মাদ্রাসা ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা অনুষ্ঠিত

  সমকালনিউজ২৪

নাজিম হাসান,রাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাগমারায় গ্রীষ্মকালীন জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ফুটবল টুর্নামেন্টের ‘খ’ অঞ্চলের খেলা উপজেলার ৩টি ভেনুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার উপজেলার বাগমারা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, শ্রীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ ও তাহের একডালা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সকাল ১০টায় ১ম রাউন্ডের উদ্বোধনী ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা হয়। শ্রীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল ১০টায় ১ম রাউন্ডের উদ্বোধনী ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলায় কর্ণিপাড়া সাদোপাড়া মাদ্রাসা ২-০ গোলে দক্ষিণ জামালপুর উচ্চ বিদ্যালয়কে হারায়। বেলা ১১টায় ওই মাঠে গোপালপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়কে ট্রাইব্রেকারে ৩-১ গোলে হারিয়েছে। খেলার রেফারীর দায়িত্ব পালন করেন জামলই দাখিল মাদ্রাসার শরীরচর্চা বিভাগের শিক্ষক হাফিজুর রহমান ও সহযোগী রেফারী ছিলেন শ্রীপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক আলতাফ হোসেন। একই সময় বাগমারা উচ্চ বিদ্যারয় মাঠে ট্রাইব্রেকারে নাজিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়-জামলই দাখিল মাদ্রসাকে ৮-৩ গোলে হারিয়েছে। এছাড়া তাহের একডালা মাঠে চকমহব্বতপুর উচ্চ বিদ্যালয় বাগমারা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে পরাজিত করেন। অনুষ্ঠিত শ্রীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সকাল ১০টায় ১ম রাউন্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত বাগমার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জব্বার, শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, গোপালপুর ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবুল হোসেন সরদার, সুলতানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন, তাহেরপুর ফাজিল মাদ্রাসার বিপিএড শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম, গোপালপুর মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল্লাহ হেল বাকি, মাওলানা মুনছুর রহমান, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, ক্রীড়া শিক্ষক হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

ডিসির ফোন নম্বর ক্লোন করে বাগমারা উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে লাখ টাকা দাবী

বাগমারা প্রতিনিধি

রাজশাহী ডিসির ফোন নম্বর ক্লোন করে বাগমারা উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে লক্ষাধিক টাকা দাবীর ঘটনা ঘটেছে। অভিনব কায়দায় ডিসির ফোন নম্বর ক্লোন করে টিআর এবং কাবিখা দেয়ার নামে এক লাখ টাকা দাবী করে কোন এক প্রতারক।

গতকাল রোববার দুপুর ১২ টার দিকে বাগমারা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকারের ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মোবাইলে ০১৭১৩-২০০৫৬৯ নম্বর থেকে ফোন আসে। সেই নম্বর থেকে ডিসি পরিচয় দিয়ে তার একটি ব্যক্তিগত নম্বর দেন বিস্তারিত কথা বলার জন্য। পরে ০১৮৩০-৬৮৫০৬৮ নম্বরে ফোন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান। অনীল কুমার সরকার জানান, ডিসির পরিচয় দিয়ে যে কথা গুলো বলেন তা হলো- আপনার ভাগ্য ভালো। আপনার জন্য একটা সুখবর আছে। আপনি কি চান টিআর না কাবিখা। আপনি যেটা চাইবেন সেটাই পাবেন। তবে এর জন্য আপনাকে একটা তাড়াতাড়ি প্রকল্প দিতে হবে। সেই সাথে এর জন্য বিকাশ নম্বরে এক লাখ টাকা পাঠাইতে হবে আপনাকে। কথা শেষ হবার পর বিষয়টি নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান উপজেলা চেয়ারম্যান। এসব কথা শোনার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিউল ইসলাম সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি রাজশাহীর ডিসি হামিদুল হককে জানান। তিনি জানতে পারেন এটা কোন প্রতারক চক্রের কাজ।

উপজেলা চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার বলেন, যারা ডিসির ফোন নম্বর ক্লোন করে এ রকম কর্মকান্ড চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। এই চক্রের ফাঁদে পড়ে অনেকেই সরল বিশ্বাসে বিকাশে টাকা দিতে বাধ্য হবে। তাই কেউ যেন এই চক্রের খপ্পড়ে না পড়ে সে ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি জানান তিনি।

বাগমারায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ উপহার পেলো ২৪ ভিক্ষুক

বাগমারা প্রতিনিধি

রাজশাহীর বাগমারায় ২৪ ভিক্ষুক পেলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ উপহার। দেশ থেকে ভিক্ষুক মুুক্ত করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে হাতে নেয়া হয়েছে নানান উদ্যোগ। সেই সঙ্গে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ভিক্ষুকদের ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩ দিনের প্রশিক্ষণ প্রদান করাও হয়েছে।

এদিক শুক্রবারে যে সকল ভিক্ষুক উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের সামনে বসে ভিক্ষাবৃত্তি করতো তাদের হাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ হতে এক মাসের শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়।

গতকাল রোববার বেলা ১২ টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভিক্ষুকদের হাতে এক মাসের শুকনা খাবার তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকিউল ইসলাম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সমন্বয় আজাহার আলী, উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ আক্তার বেবী, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রুবল সহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাগণ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিদের্শনায় ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করা হচ্ছে। ভিক্ষুকের শারীরিক সক্ষমতার উপর ভিত্তি করে তাদের পুনর্বাসন করা হবে। যে সকল ভিক্ষুক একেবারে অক্ষম তাদের ছেলেদের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হবে। তাছাড়া যাদেরকে এই ত্রাণ উপহার প্রদান করা হলো এক মাসের মধ্যে তাদেরকেও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি আরো বলেন, মূলত ভিক্ষাবৃত্তি বন্ধ করে স্বাভাবিক ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেয়া হবে। তাহলে ভিক্ষুকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব হবে।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
রাজশাহী বিভাগ বিভাগের সর্বশেষ
ওপরে