১৯শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ভ্রমনের জন্য বরগুনার লঞ্চযাত্রায় আপনাদের স্বাগতম বরগুনায় শেখ রাসেলের ৫৫তম জন্মদিন উদযাপন ৩০ বার রক্ত দিয়ে রেকর্ড গড়লেন সাগর কর্মকর যশোরের বেনাপোলে শেখ রাসেলের জন্মদিন পালিত বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট সমিতি’র সাধারণ সম্পাদকের বাড়িতে...

বাগমারায় মটর সুটি চাষে লাভবান হচেছ কৃষকরা

  সমকালনিউজ২৪

নাজিম হাসান,রাজশাহী প্রতিনিধি:
পুষ্টিগুনে ভরা ও পরিবেশ সম্মত সুস্বাদু ডাল মটর সুটির চাষ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় বেড়েছে দ্বিগুন হারে। অল্প খরচ ও বিষমুক্ত সুস্বাদু মটরসুটি পাঁচগুন লাভ হয় চাষে। চলতি মৌসুমে মটরসুটির ফলনও হয়েছে ভাল। মটরসুটি চাষে কৃষকরা হচ্ছেন লাভবান বাড়ছে চাষ। মটরশুটি একদিকে যেমন গ্রামের মানুষের কর্মসৃষ্টি হচ্ছে তেমনি আরেক দিক হচ্ছে আয়।ফলে এই মটরসুটি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এখানকার কৃষক কৃষানীরা। মাঠে মাঠে সারিবদ্ধ হয়ে আনন্দের মধ্যে নারী শিশু শ্রমিকরা তুলছে মটরসুটি। মটরসুটি তুলে নারী শ্রমিকেরা ছেলে মেয়েদের স্কুলে ভর্তিসহ গৃহস্থলির আসবাবপত্র ও শীতের কসমেটিকস কিনছেন নারী শ্রমিকরা। সংসারে আসছে বাড়তি আয়। দিনে ২০ থেকে ২৪ কেজি মটরসুটি তুলে ২ থেকে ৩শ টাকা উপার্জন হচ্ছে বলে জানায়, নারী শ্রমিকরা। পরিপক্ক মটর সুটির ফল উঠানোর সময় নারী শ্রমিকরা করছেন কাজ। অনেক নারী শ্রমিক আনন্দ করেই তুলছেন মটরসুটি। সংসারে আসছে বাড়তি আয়। পুষ্টি ও সুস্বাদু খাদ্য হিসাবে মটর সুটির চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। ডাল হিসাবে এবং মাংস ও সবজিতে মটরসুটির ব্যবহারে সুনাম রয়েছে সর্বত্রই। ফলে বাগমারায় দিন দিন বাড়ছে এ-শষ্যের চাষ। উপকৃত হচ্ছেন চাষী ও শ্রমিকেরা মিটছে পুষ্টির যোগান। উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের কনোপাড়া,তেলীপুকুর,পলাশী,চেউখালী,উদপাড়া,তালতলী,মির্জাপুর,রামরামা গ্রামের মটরশুঁটি কালাই চাষীরা বলেন,বিভিন্ন শবজির পাশাপাশি মটরশুটি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে তারা। একবিঘা জমিতে ৬হাজার টাকা খরচে মটরসুটি চাষে পাওয়া যায় ১৫ থেকে ২০হাজার টাকা। এছাড়া একই জমিতে হয় তিনটি ফসল ফলে লাভবান হচেছন তারা।এছাড়া বীজ বপণের অন্তত ৭০ দিন পর থেকেই গাছে ফল পাওয়া যায়। বিঘা প্রতি ৩০/৩৫ মণ মটরশুটি পাওয়া যায়। ফল আসার পর প্রতি সপ্তায়ে খেত থেকে ফল উঠানো যায়।এদিকে,গত বছরের তুলনায় এবার মটরশুঁটির চাষ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন। এবং ফলন ও দাম ভাল পাচ্ছে চাষী। মিটছে পুষ্টির চাহিদা খাইতে সুস্বাদু পুষ্টিগুনে ভরা মটর সুটি চাহিদা বাড়ছে দিন দিন। সার কীটনাশক ও পানি ছাড়ায় হয় মটরসুটি। মটরসুটি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত মটরসুটি রফতানি হয় দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে। এবিষয়ে বাগমারা উপজেলায় কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুল ইসলাম জানান,কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় দিন দিন কৃষকরা মটরশুটি আবাদের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। এবার মটরশুটির বাম্পার ফলন হয়েছে। এছাড়া জমিতে শুধু টিএসপি ও পটাশ সারের প্রয়োজন হয়। সেচের প্রয়োজন হয় না বললেই চলে। তিন দফায় গাছ থেকে মটরশুটি সংগ্রহ করা হয়।#

 

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
অর্থনীতি-ব্যবসা বিভাগের আলোচিত
ওপরে