১৭ই জুলাই, ২০১৯ ইং ২রা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
প্রধান সাক্ষী ও রিফাতের স্ত্রী মিন্নিকে গ্রেপ্তার... অবশেষে মিন্নি গ্রেপ্তার! (ভিডিও নিউজ) রংপুরের পল্লী নিবাসেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এরশাদ রিফাত শরিফ হত্যা মামলায় প্রধান সাক্ষী পুলিশ হেফাজতে ফরিদগঞ্জের কাঁশারা ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদরাসাটির ভবন না...

বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া ভোট গ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন

 অনলাইন ডেস্কঃ সমকাল নিউজ ২৪

কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া আজ রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকাল ৪টায় শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ। এখন সব কেন্দ্রে চলছে ভোট গণনার প্রস্তুতি।

 

এবারের নির্বাচনে কানাডা থেকে আগত একজন পর্যবেক্ষক বলেন, ‘আমরা কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি এবং দেখেছি ভোটাররা ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রে যেতে পারছে।’

 

এবারের ভোটে জাতীয় পার্টি, বিএনপি, জামায়াতের প্রায় অর্ধশত প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। দেশের বেশির ভাগ আসনেই আওয়ামী লীগের কর্মীদের উপস্থিতি দেখা গেছে। নির্বাচনে সহিংসতায় নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। এ ছাড়া বিএনপির কর্মী ও সাধারণ ভোটারও নিহত হয়েছেন।

 

প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে জানা গেছে-

 

চট্টগ্রামে নিহত ৩

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আ.লীগের ৮ জন কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের বরইতলির প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহমেদ কবীর (৪৫) নামে একজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে স্থানীয় দুই গ্রুপের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত আহমেদ কবীর কাথারিয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করে বাঁশখালী থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ‘ভোরে ওই কেন্দ্রের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে গুলিবিদ্ধ কবীরকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

 

এদিকে পটিয়ায় ভোটকেন্দ্র দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আবু সাদেক (১৮) নামের একজন নিহত ও দুই জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ওই উপজেলার জিরি ইউনিয়নের দক্ষিণ মালিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পটিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহত আবু সাদেক দক্ষিণ মালিয়ারা এলাকার আবুল কাশেম মেম্বারের ছেলে। আহতরা হলেন মো. মুন্না (২৮) ও মো. ইলিয়াস (৪০)।

 

সহকারী পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন বলেন, ‘ভোটকেন্দ্র দখলকে কেন্দ্র করে ধানের শীষ ও নৌকার প্রার্থীরা সংঘর্ষে জড়ান। দুই পক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে আবু সাদেক নিহত হন। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ওই কেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় এক ঘণ্টার মতো ভোটগ্রহণ বন্ধ ছিল। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে ফের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বর্তমানে ওই কেন্দ্রের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে ও বর্তমানে ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে।’

 

এর আগে চট্টগ্রাম-১২ আসনের পটিয়া এলাকায় দ্বীন মোহাম্মদ (৩৫) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে পটিয়া উপজেলার কুসুমপুর ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফরুজুল হক টুটুল সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, নিহত দ্বীন মোহাম্মদ যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি স্থানীয় মৃত ইউসুফ কমান্ডারের ছেলে। বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।

 

কুমিল্লায় নিহত ২

কুমিল্লার নাঙলকোট ও চান্দিনায় নির্বাচনি সহিংসতায় দুই জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আজ রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোট শুরুর পর এই ঘটনা ঘটে।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নাঙলকোটে মুরগাও ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পথে বাচ্চু মিয়া (৪৫) নামে এক ভোটারকে মারধর করে কিছু দুর্বৃত্ত। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। স্থানীয়রা জানান, তিনি বিএনপি সমর্থক। তার বাবার নাম ইদরিস মিয়া। বাড়ি নাঙলকোটের সুন্দাইল গ্রামে। তিনি পেশায় বর্গা চাষি।

 

এদিকে চান্দিনায় পশ্চিম বেলাসার সরকারি প্রাথমিক কেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। পশ্চিম বেলাসারের প্রিজাইডিং অফিসার হুমায়ুন কবির দাবি করেন, ‘কেন্দ্র থেকে ভোটের বাক্স ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হয়।’ নিহত ব্যক্তির নাম মুজিব (৩৫)। তার বাবার নাম সুজাদ আলী। চান্দিনা থানার ওসি আবু ফয়সাল তার নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন।

 

রাজশাহীতে নিহত ১

রাজশাহী-৩ আসনের মনপুর উপজেলায় বাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মেরাজ আলী (৩২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

 

রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, নিহত মেরাজ আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। তবে বিএনপির দাবি, মেরাজ তাদের দলীয় কর্মী ছিল। নিহত মেরাজ আলী জাহানাবাদ ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

 

জানা গেছে, বাকুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় প্রতিপক্ষের হাসুয়ার আঘাতে মেরাজ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

 

টাঙ্গাইলে নিহত ১

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে হাজী আব্দুল আজিজ (৬৫) নামের এক বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের বাইশখাইল এলাকা থেকে তার লাশটি উদ্ধার করা হয়। আব্দুল আজিজ ওই এলাকার ওয়ার্ড বিএনপি’র সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয়রা জানান, রবিবার সকালে স্থানীয় লোকজন নগদা শিমলা বাইশখাইল এলাকায় আব্দুল আজিজের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তার লাশটি উদ্ধার করে।

 

জেলা বিএনপির সভাপতি ও এই আসনের প্রার্থী সুলতাল সালাউদ্দিন টুকুর বড় ভাই কৃষিবিদ শামছুল আলম তোফা অভিযোগ করেন, ‘সকালে ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি আব্দুল আজিজ ভোটার লিস্ট নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার সময় নৌকার সমর্থকরা তাকে হত্যা করে লাশ ধানক্ষেতে ফেলে রাখে। এঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

কক্সবাজারে নিহত ১

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের সংঘর্ষে এক যুবলীগকর্মী নিহত হয়েছেন। নিহতের নাম আবদুল্লাহ আল ফারুক (২৫)। তিনি রাজাক আলী গ্রামের আবুল কালামের ছেলে।

 

কক্সবাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মাতবরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপি সমর্থকদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়। পরে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে তার মৃত্যু হয়।

 

পেকুয়া থানার ওসি জাকের হোসেন ভূঁইয়া জানান, তিনি ঘটনা জানতে পেরে ওই এলাকায় দায়িত্বরত পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। তবে এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি।

 

রাঙামাটিতে নিহত ১

রাঙামাটি জেলোর কাউখালি উপজেলায় ঘাগড়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বাছির উদ্দিন (৩৫) নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ১০ জন। রবিবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোটগ্রহণের আগে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কাউখালি উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

স্থানীয়রা জানান, রবিবার সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে ইউনিয়নের রাঙ্গিপাড়া এলাকায় নৌকা ও ধানের শীষের দু’দল সমর্থকের মধ্যে হঠাৎ সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় বাছির উদ্দীনসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হন। আহতের মধ্যে গুরুতর বাছির উদ্দীনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসব তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের কাউখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

 

কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঞ্জুর আলম বলেন, ‘ভোটগ্রহণের আগে দু’দলের সংঘর্ষে চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে এক যুবলীগের নেতার মৃত্যু হয়েছে।’

 

নরসিংদীতে নিহত ১

নরসিংদী-৩ আসনের শিবপুরে মো. মিলন মিয়া (৪৫) নামে আওয়ামী লীগের এক নির্বাচনি এজেন্টকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে নরসীংদী-৩ শিবপুর কুন্দারপাড়া কেন্দ্রে অদূরে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিবপুর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ। তিনি জানান, ‘রবিবার দুপুর ১২টার দিকে নরসীংদী-৩ শিবপুর কুন্দারপাড়ার ভোট কেন্দ্রের অদূরে গণ্ডগোল দেখা দিলে পুলিশ সেখানে গিয়ে মো. মিলন মিয়ার (৪৫) গলাকাটা লাশ পড়ে থাকতে দেখে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তদন্ত করা হচ্ছে।’

 

নাটোরে নিহত ১

নাটোরে ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডায় ভাতিজার হাতে চাচা খুন হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহতের নাম হোসেন আলি (৫০) এবং তার ভাতিজার নাম রতন (৩০)। রবিবার সকালে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার সমসখলসী গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নলডাঙ্গা থানার ওসি সফিকুর রহমান।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাতিজা বউ ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় চাচা হোসেন আলি তাকে বকাঝকা করেন। এ নিয়ে তার ভাতিজার বউ প্রতিবাদ করলে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এসময় রতন এসে স্ত্রীর পক্ষ নিয়ে চাচার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু করে। এর এক পর্যায়ে রতন ধারালো অস্ত্র দিয়ে চাচা রতনকে আঘাত করে। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

 

নিহত হোসেন আলি বিপ্র বেলঘরিয়া ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসাদ্দেকুল ইসলাম বাদশা।

 

বগুড়ায় নিহত ১

বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনের কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল গ্রামে আজিজুল ইসলাম (৩০) নামে এক আওয়ামী লীগ কর্মী নিহত এবং নাজমুল হুদা ডুয়েল নামে এক ইউপি সদস্য আহত হয়েছেন। বগুড়ার কাহালু থানার ওসি শওকত কবির ও পাইকড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিঠু চৌধুরী এই খবর নিশ্চিত করেছেন। ধানের শীষের কর্মীদের হামলায় হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

 

নোয়াখালীতে নিহত ১

নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনের বেগমগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের তুলারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংঘর্ষে কর্তব্যরত আনসার সদস্য নুরন্নবী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। জেলা পুলিশ সুপার ইলয়াস শরিফ একথা জানান। রবিবার ভোট চলার সময় এ ঘটনা ঘটেছে।

 

গাজীপুরে নিহত ১

গাজীপুর মহানগরের কাজী আজিমউদ্দিন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক ভিপি লিয়াকত হোসেনকে (৪০) কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে মহানগরির হাড়িনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানার ওসি সমীর সূত্র ধর জানান, ‘হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। কারা তার ওপর হামলা করেছে তা তদন্ত করে দেখা হবে।’ লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

 

সিলেটে নিহত ১

সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ) আসনের একটি ভোটকেন্দ্রের পাশে সায়েম আহমেদ সোহেল (৩০) নামে ছাত্রদলের এক নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে