২১শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং ৮ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
আমি চাইলে নিশ্চয় দোষের হবে না বিমানের টয়লেটে মিলল ১৪ কেজি সোনা পিরোজপুরের নাজিরপুরে শেখ হাসিনা সেতুর উদ্বোধন করলেন... রাজাপুর ভিজিডি কার্ড বিতরণে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ স্কুলছাত্রী নিপাকে কৃত্রিম পা লাগাতে নেয়া হবে বিদেশে

বিধ্বস্তের আগে ককপিটে শেষ শব্দ ‘আল্লাহু আকবর’

 অনলাইন ডেস্কঃ সমকাল নিউজ ২৪
বিধ্বস্তের আগে ককপিটে শেষ শব্দ ‘আল্লাহু আকবর’

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা থেকে ১৮৯ জন যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যাওয়া বিমানটি উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয়। দেশটির ব্যাংকা দ্বীপের প্যাঙ্কাল পিন্যাংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল বিমানটি।

উড্ডয়নের ১৩ মিনিট পর বিমানবন্দরের এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের সাথে বিমানটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওই ‘বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স’৮ মডেলের বিমানটির ককপিট উদ্ধার হয়েছে। ককপিটের উদ্ধার হওয়া ভয়েস রেকর্ডারটিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে।

বিধ্বস্ত হওয়ার আগে ককপিটে উচ্চারিত হওয়া শেষ শব্দ ছিলো ‘আল্লাহু আকবর’। বিমানের ব্ল্যাক বক্সে পাওয়া তথ্যের বরাতে সম্প্রতি একথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর রয়টার্সের।

ব্ল্যাক বক্সে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, জাকার্তা থেকে ওড়ার মাত্র ২ মিনিট পরই রেডিও কনট্রোলের দায়িত্বে থাকা ফার্স্ট অফিসার বিমান নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হচ্ছে বলে এয়ার ট্রাফিক বিভাগকে রিপোর্ট করেন। তিনি বলেন, কিছু সমস্যা পাইলটের স্ক্রিনে দেখাচ্ছে কিন্তু ফার্স্ট অফিসারের স্ক্রিনে দেখাচ্ছে না। এরপরই পাইলট ফার্স্ট অফিসারকে তার নিজের রাখা বই পড়ে সমাধানের উপায় খুঁজতে বলেন।

পরবর্তী ৯ মিনিট ধরে বিমানের ওয়ার্নিং সিস্টেম থেকে বিমানকে ওড়ানো অবস্থায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে সতর্কতা দিতে থাকে। শান্ত থাকা পাইলট এবার বিমানবন্দরে পুনরায় ফিরে গিয়ে জরুরি অবতরণের বার্তা পাঠান এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলে।

এক পর্যায়ে ইন্দোনেশিয়ান ফার্স্ট অফিসারকে বিমান নিয়ন্ত্রণ করতে বলে নিজেই বই পড়া শুরু করেন ৩১ বয়সী ভারতীয় পাইলট। সেখান থেকে বের করার চেষ্টা করেন সমাধান।

৩ মিনিট পর বিমানের সামনের অংশ বেঁকে যেতে শুরু করে। ফার্স্ট অফিসার বলে ওঠেন, ‘আল্লাহু আকবর’। কিন্তু পুরোটা সময় জুড়ে চুপচাপ শান্ত ছিলেন পাইলট, মৃত্যু আসন্ন জেনেও।

এরপরই রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর ডুবে যায় লায়নের বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স। জাকার্তা সাগরে সলিলসমাধি হয় ১৮৯ জন যাত্রী ও ক্রুর।

এ বিষয়ে মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানের ত্রুটি বা পাইলটের ম্যাক্স বিমান চালানোর মতো পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব ইত্যাদি যেকোনটি মূল কারণ হতে পারে।

ভয়েস রেকর্ডারটিতে শোনা গেছে, বিমানটির সহকারী পাইলট ‘আল্লাহু আকবর’বলে ওঠেন, তৎক্ষণাৎ এটি কারাওয়াং সাগরে আছড়ে পড়ে। এরপর আর পাইলট বা অন্য কারো কোনো কথা শোনা যায়নি।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
আন্তর্জাতিক বিভাগের আলোচিত
ওপরে