১৩ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং ২৮শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন... চাঁদপুরে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে সভাপন্ড।... ছাতকে শ্রীপতিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা... বালু উত্তোলনে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে জাফলং সেতু বিরামপুরে ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস পালন

ভারত থেকে ১৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয় সহ মন্ত্রিসভায় ৮ প্রস্তাবের অনুমোদন

  সমকালনিউজ২৪

অনলাইন প্রতিবেদকঃ ভারত থেকে ১৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এর মধ্যে দেশটির ত্রিপুরা রাজ্য থেকে ১০০ মেগাওয়াট আর বেসরকারি খাত থেকে কেনা হবে বাকি ৪০ মেগাওয়াট।

আজ সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান । সভায় বিদ্যুৎ ক্রয় ছাড়াও আরো ৮টি প্রস্তাব দেয়া হয়।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘দরপত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত ভারতীয় কোম্পানি ‘জয় প্রকাশ পাওয়ার ভেঞ্চার’ এর মাধ্যমে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনা হবে। প্রতি ইউনিটের দাম পড়বে (কিলোওয়াট ঘণ্টা) ৪ দশমিক ৪৯৯ টাকা।

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেনা হচ্ছে। কিন্তু সিস্টেম লসের কারণে কিছু বিদ্যুৎ কম পাওয়া যায়, আর তা পূরণ করতেই আরো ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয়ে অনুমোদন দেয়া হয়।’

এদিকে ত্রিপুরা থেকে আমদানি হতে যাওয়া বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম পড়বে ৬ দশমিক ২৬১৮৬ টাকা। তবে প্রতিবছর শতকরা ৫ শতাংশ হারে এর দাম বাড়বে বলে জানান অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর। নো ইলেক্ট্রিসিটি নো পেমেন্ট ভিত্তিতে ৫ বছরে এ বিদ্যুৎ কিনতে আনুমানিক খরচ হবে ২ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রতি মেট্রিক টন ৪৫০ মার্কিন ডলার মূল্যে এক লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের মা আদেন থেকে সার কিনবে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)।

জ্বালানি বিভাগের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) ইউথ ডাবল পাইপ লাইন প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে জার্মানি আইএলএফ কনসালটিং ইঞ্জিনিয়ার্স এর কার্যাদেশের অনুমোদন দেয়া হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ আইন), ২০১০” এর আওতায় এ কাজ পাচ্ছে কোম্পানিটি। এতে তিন বছরে মোট খরচ হবে ১২ দশমিক ৬০১২ মিলিয়ন ইউরো।

একই মন্ত্রণালয়ের অপর একটি প্রকল্পে জার্মানির একই কোম্পানির পূর্ব অনুমোদিত পরামর্শক প্রস্তাবের ব্যয় বৃদ্ধির সংশোধিত মূল্যের কার্যাদেশ এবং চুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমোদন দেয়া হয়। সংশোধিত মূল্যে ব্যয় ৭ দশমিক ১৮৪ মিলিয়ন ইউরো থেকে বেড়ে হচ্ছে ৭ দশমিক ৩৯৮৮ মিলিয়ন ইউরো।

পদ্মাসেতু প্রকল্পের মূল নদী শাসনের অন্তর্ভুক্ত উজানে মাওয়া পুরাতন ফেরিঘাট থেকে কান্দিপাড়া –যশোলদিয়া বরাবর এক হাজার ৩০০ মিটার নদীতীর প্রতিরক্ষামূলক কাজ একক ক্রেতা হিসেবে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এতে খরচ হবে ৩৯২ কোটি টাকা।

বুড়িগঙ্গা নদীর পুনরুদ্ধারসহ আরো কয়েকটি নদীর সর্বমোট ৪০ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার খনন কাজও সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বাস্তবায়নের অনুমোদন দেয়া হয় সভায়। এতে মোট খরচ হবে ৬৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

এছাড়া যমুনা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ কাজ সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী পরিচালিত ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের মাধ্যমে বাস্তবায়নের প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এতে মোট ব্যয় হবে ২৬৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
জাতীয় বিভাগের সর্বশেষ
ওপরে