২১শে মে, ২০১৯ ইং ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ফেনীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যসামগ্রী তৈরীদায়ে... বেতাগীতে বৈদ্যুতিক আগুনে বসতঘর পুরে ছাই যশোরের শার্শায় স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য... বগুড়ায় পরকিয়ার টানে ৯০ দিনের সন্তান রেখে এক মা উধাও! বরগুনায় অপহরণের দুই মাস পর তরুণীকে উদ্ধার!

ভুয়া ভিসা দিয়ে ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাত

 মোঃ হাইরাজ, তালতলী,বরগুনা সমকাল নিউজ ২৪

বরগুনার তালতলীতে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে ভুয়া ভিসা দিয়ে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শারিকখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরী শাহিন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। প্রতারক শাহিন উপজেলার শারিকখালী গ্রামের রাজা প্যাদার ছেলে।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গ্রামের বেকার যুবকদের বিদেশ পাঠানোর নামে মোটা অংকের বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে থাকেন দপ্তরী শাহিন। ২৮.০১.১৯ সালে সিঙ্গাপুর নেওয়ার কথা বলে উপজেলার নিজ গ্রামের ৪জনের কাছ থেকে একশত টাকার ১২টি স্টামপে লিখিত দিয়ে বিদেশ যাওয়ার কথা পাকাপোক্ত করে ৩০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া ভিসা দিয়ে প্রতারনা করেন শাহিন ও তার বাবা রাজা প্যাদা এবং খালা তাছলিমা । তাদের সবার আসল পার্সপোর্টও রেখে দেয় শাহিন।এখন উল্ট শাহিনের বাবা রাজা প্যাদা বাদি হয়ে ভুক্তভুগিদেও বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বলে স্থানীয়রা জানান।

ভুক্তভুগিদের বিদেশ নেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভুয়া ভিসা দিয়ে মিথ্য হয়রানি ও উল্ট আদালতে শাহিনের বাবা বাদি হয়ে ১২,০৩,১৯ তারিখে মামলা করেন। শারিকখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সামনে ভুক্তভুগিরা এসে শাহিন কে খুন জখমের ও টাকা ছিনতাই করেন এই মর্মে মামলা করেন আদালতে। শারিকখালী গ্রামের হানিফ খানের ছেলে হাবিবুল খান, মফেজ প্যাদার ছেলে মানছুর, হোচেন আলীর ছেলে মিরাজ এবং নুরুল হক এর ছেলে মামুন এদের প্রতিজনের কাছ থেকে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন প্রতারক শাহিন।

মামলার বিষয়ে শারিকখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান আমার দপ্তরী শাহিন যে ঘটনা নিয়ে তার বাবাকে বাদি আদালতে মামলা করছে সেই সময় শাহিন আমার সাথে স্কুলে ছিলো। সেই রকমের কেনো ঘটনা আমার স্কুলের সামনে ঘটেনি। ভুক্তভুগিদের বিদেশ নেওয়ার কথা বলে শাহিন ও শাহিনের বাবা রাজা প্যাদা ৩০ লক্ষ টাকা নিয়েছে এটা সত্যি।
ভুক্তভুগি হানিফ খান বলেন, আমার ছেলে হাবিবুল কে বিদেশ পাঠানোর জন্য শাহিনকে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গন্যমান্যদের সামনে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিছি কিন্তু সে আমার ছেলে কে ভুয়া ভিসা দিয়েছে। আমার ছেলে বিদেশ যেতে পারেনি ও আসল পার্সপোট দেয়নি শাহিন।

অভিযুক্ত দপ্তরী শাহিনের কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে সে জানান, আমি কারো কাছ থেকে টাকা নেইনি ও বিদেশও পাঠাতে চাইনি । মামলার বিষয় জানতে চাইলে ফোনের সংযোগবিছিন্ন করেদেন পুনরায় ফোন দিলে তিনি আর ফোন রিসিভ করেনি

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
বরগুনা বিভাগের সর্বশেষ
বরগুনা বিভাগের আলোচিত
ওপরে