৮ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ২৩শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
৭ই মার্চ উপলক্ষে হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের ফ্রি... যথাযথ মর্যাদায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ এ... ৭ই মার্চ উপলক্ষে বরগুনা জেলা মুজিব অঙ্গনে শ্রদ্ধা... দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ চালক নি’হত; আহত- ৩ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ; বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে...

মির্জাপুরে গরু চুরি প্রতিরোধে ক্ষতিগ্রস্থ্য ২২ পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

  সমকালনিউজ২৪

টাঙ্গাইল সংবাদদাতাঃ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গরু চুরি প্রতিরোধে ভূক্তভোগি অসহায় এলাকাবাসী সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আজ শনিবার মির্জাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে উপজেলার সাত নম্বর উয়ার্শী ইউনিয়নের উয়ার্শী, খৈলসিন্দুর, হালুয়াপাড়া, দেউলীপাড়া এবং উত্তর রোয়াইলের ক্ষতিগ্রস্থ্য ভূক্তভোগী ২২ পরিবারের সদস্যসহ শতাধিক এলাকাবাসী এই সংবাদ সম্মেলন করে।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উয়ার্শী গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. শরীফুল ইসলাম খান মিনার।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান খান ছিটু, উয়ার্শী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ফরহাদ আলী খান শাহিন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুর রহমান খান সুফল, লায়ন নজরুল ইসলাম কলেজের প্রভাষক এনায়েত হোসেন খান এবং উয়ার্শী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম খান প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয় গত দুই বছরে উয়ার্শী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে ২২ পরিবারের ৪৫ টি গরু চুরি হয়েছে। সংঘ বদ্ধ চোরের দল রাতের আঁধারে পিকআপ নিয়ে গৃহস্থের গরু নিয়ে যায়। এসব গরু চুরের উৎপাতে ভ‚ক্তভোগী ওই ২২ পরিবারসহ অনেক পরিবার নিঃশ্ব হয়ে পড়েছে। গরু চুরি হওয়ায় অনেক পরিবার ব্যাংক ও এনজিওর ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। ভ‚ক্তভোগীরা প্রথমে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং পরে থানায় অভিযোগ দিয়েও চুরের উৎপাত থেকে রেহায় পাচ্ছেনা বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। গরু চুরি প্রতিরোধে রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে গরু লালন-পালন বন্ধ করে দেওয়া হবে ভ‚ক্তভোগীরা জানান। একই ভাবে উপজেলার ভাতগ্রাম, জামুর্কি, পৌরসভা, লতিফপুর, আজাগানা ও বাঁশতৈল ইউনিয়ন থেকেও একই কায়দায় গরু চুরির ঘটনা ঘটছে বলে এলাকাবাসি অভিযোগ করেছেন।

উয়ার্শী এলাকায় গরু চুরি রোধে এলাকাবসীর পক্ষ থেকে পাঁচটি দাবি উত্থাপন করা হয়। এলাকার প্রবেশ পথে চেকপোষ্ট, কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা চালু, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা, ভ‚ক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং গরুর বীমা চালু করা।

উয়ার্শী গ্রামের বাবর খান বলেন, তিনি অগ্রণী ব্যাংক এবং প্রয়াস এনজিও থেকে ৭০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে গরু কিনেছিলেন। গরু চুরি হওয়ায় ঋণের দায়ে এখন নিঃশ্ব হয়ে পড়েছেন।

উত্তর রোয়াইল গ্রামের সমর শিকদার বলেন, তার ৩টি গরু চুরে যাওয়ায় সংসারে অভাব অনটন দেখা দিয়েছে। একই অভিযোগ করেন উয়ার্শী গ্রামের রেহেনা বেগম।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. রিজাউল হক দিপু বলেন, ওই এলাকায় আর যাতে কোন গরু চুরি না হয় সে জন্য পুলিশের বিশেষ টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। এছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা জোরদার করে তাদেরকে লাঠি, বাঁশি ও টর্চ লাইট সরবরাহ করা হবে। গরু চুরি প্রতিরোধে এলাকাবাসির সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
টাঙ্গাইল বিভাগের সর্বশেষ
টাঙ্গাইল বিভাগের আলোচিত
ওপরে