২০শে মে, ২০১৯ ইং ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
যশোরের বেনাপোলে নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার বান্দরবানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আ’লীগ নেতা নিহত ! বরগুনা সদর রোডে ময়লা স্তুপ রেখেই রাস্তার কার্পেটিং এর... ৬০কিলোমিটার বেগে ঝড় আসছে , নদী বন্দরে সতর্ক সংকেত জারি! বানারীপাড়ায় ইয়াবা সহ মাদকসেবী আটক

মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে আম গাছ,বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

 ইমদাদুল হক,পাইকগাছা প্রতিনিধি,।। সমকাল নিউজ ২৪

পাইকগাছায় ঋতুরাজ বসন্তের শুরুতেই মুকুলে মুকুলে ভরে গেছে আম গাছ। চারিদিকে বইছে মৌ মৌ গন্ধ। মুকুলের সমাহার বলে দিচ্ছে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে।

উপজেলা কৃষি অফিসের সূত্রমতে, চলতি বছর উপজেলায় ৪১৫ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। যার মধ্যে হরিঢালীতে ১২০ হেক্টর, গদাইপুরে ১শ হেক্টর, কপিলমুনিতে ৯৫ হেক্টর ও রাড়–লীতে ৭০ হেক্টর। এ ছাড়া চাঁদখালী ও গড়ইখালী সহ অন্যান্য স্থানে ৩০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে শতাধিক আমের বাগান রয়েছে। যার মধ্যে গদাইপুরে ৫০টি, কপিলমুনিতে ২০টি ও হরিঢালীতে ২০টি। উন্নত জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে আম্রপালী, হাড়িভাঙ্গা, ল্যাংড়া, আলপান্স, হিমসাগর ও গোপালভোগ অন্যতম। সাধারণ দেশীয় জাতের মধ্যে রয়েছে, লতা, সাদা লতা, ফজলী, চিনি লতা ও চুষা অন্যতম।

সূত্রমতে, অত্র এলাকা আম চাষের জন্য অত্যান্ত উপযোগী ও উৎপাদনের জন্য সমৃদ্ধ। ফলদ বৃক্ষের জন্য অত্র এলাকার বিরাশী গ্রামের অখিল বন্ধু ঘোষ ও সোনাতনকাটী গ্রামের সাখাওয়াত হোসেন জাতীয় পুরস্কার লাভ করেছেন। প্রতিবছর উৎপাদিত আম এলাকার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে থাকে। এবছরও আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ ও আম চাষীরা ধারণা করছেন। গদাইপুর গ্রামের আম চাষী মোবারক ঢালী জানান, এ বছর সম্পূর্ণ আমের গাছ মুকুল ভরে গেছে। আশা করছি ভাল ফলন হবে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এএইচএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, আম একটি পুষ্টি সমৃদ্ধ জনপ্রিয় ফল। গ্রীষ্ম মৌসুমে আমের প্রচুর চাহিদা থাকে। আম এমন একটি ফল সব বয়সের মানুষ খেতে ভালবাসে। আম সাধারণত অনাবৃষ্টি, ফল ছিদ্রকারী পোকা, মাকড়ের আক্রমন ও গুটি থাকা কালীন ক্ষতি হয়। এক্ষেত্রে ইতোমধ্যে মুকুলের সময় পেরিয়ে গেছে। ৫ থেকে ১০% গুটি ধারণ করেছে। অবশিষ্ট ফুল ফুটে গেছে। এছাড়া কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী আম চাষীরা পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে মুকুল আসার আগে থেকে বালাই ও রোগনাশক স্প্রে করার কারণে এ বছর তেমন কোন রোগ-বালাই ও পোকার আক্রমন দেখা যায়নি। আশা করছি প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে এবং পরিচর্যা অব্যাহত থাকলে এ বছর আমের উৎপাদন হেক্টর প্রতি ৩০ মেট্রিকটন ছাড়িয়ে যাবে এবং উৎপাদিত আম এলাকার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
খুলনা বিভাগের আলোচিত
ওপরে