২৬শে এপ্রিল, ২০১৯ ইং ১৩ই বৈশাখ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
মিলার স্বামীকে খোলামেলা ছবি পাঠাতেন নওশীন! অবশেষে শপথ নিলেন আমতলী উপজেলা চেয়ারম্যান ফোরকান বরগুনায় নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে মানববন্ধন মঠবাড়িয়ায় পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে... মধ্যরাতে বন্ধ হচ্ছে ২২ লাখ ৩০ হাজার সিম

ময়মনসিংহ-১ আসনঃঐক্যফ্রন্টে সাতজনের লড়াই

  সমকাল নিউজ ২৪

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১ (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) আসনে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে বিএনপির কেন্দ্রীয় দুই নেতা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া এ আসনে আরও পাঁচজন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।

এই আসনে কে হচ্ছেন ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী, এ নিয়ে দুই উপজেলায় চায়ের স্টল থেকে শুরু করে সর্বত্র চলছে এখন জল্পনা–কল্পনা।

হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়ন মিলিয়ে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৩২০ জন। এর মধ্যে হালুয়াঘাটে ২ লাখ ৩৩ হাজার ১৪০ ও ধোবাউড়াতে ১ লাখ ৪৪ হাজার ১৮০ ভোটার।

এ আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা হলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও দুইবারের সাবেক সাংসদ আফজাল এইচ খান, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ্ প্রিন্স, হালুয়াঘাট উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আজগর, খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সালমান ওমর, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হানিফ মো. সাকের উল্লাহ এবং ধোবাউড়া থেকে ব্যারিস্টার তমিজ উদ্দিন সরকার ও বিএনপির নেতা মফিজ উদ্দিন।

দলীয় নেতা-কর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঐক্যফ্রন্ট থেকে কে পাচ্ছেন মনোনয়ন, কে প্রার্থী হলে নির্বাচনে লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি। এই নিয়ে সর্বত্র চলছে হিসাব–নিকাশ। বিএনপির একাংশ বলছে, সৈয়দ এমরান সালেহ্ প্রিন্স প্রার্থী হলে বিজয় সুনিশ্চিত হবে। অপর অংশ বলছে, এই আসনে আফজালের কোনো বিকল্প নেই। তিনি দুইবার এই আসনের সাংসদ ছিলেন। আবার বিএনপির কয়েকজন সমর্থক মনে করেন, মনোনয়ন নিয়ে সৈয়দ এমরান সালেহ্ প্রিন্সের সঙ্গে সালমান ওমরের মূল লড়াই হবে।

হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১৯টি ইউনিয়ন মিলিয়ে মোট ভোটার ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৩২০ জন।

কেন্দ্রীয় নেতা ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন প্রার্থীদের এলাকায় বিশেষ পরিচিত থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে বিনা মূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড করা ও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নতুন করে উজ্জীবিত করায় নতুন নেতৃত্ব হিসেবে সালমান ওমর বেশ জনপ্রিয় অবস্থানে রয়েছেন। অন্যদিকে মাঠে রয়েছেন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী আজগর। তিনিও মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূলে কাজ করছেন। তবে যেই ঐক্যফ্রন্টের দলীয় প্রার্থী হন, তাঁকে নিয়েই নৌকার বিরুদ্ধে তুমুল লড়াই হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বিএনপি–সমর্থিত নেতা-কর্মীরা।

সালমান ওম বলেন, ‘বয়সে আমি তরুণ। দুই উপজেলার অসহায় দরিদ্র লক্ষাধিক মানুষকে আমি ও আমার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সহযোগিতা করেছি। তৃণমূলে দলীয় নেতা–কর্মীদের উজ্জীবিত করতে কাজ করেছি। আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে বিজয় সুনিশ্চিত করে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও তরুণের অহংকার তারেক রহমানকে এই আসন উপহার দেওয়া হবে।’

সৈয়দ এমরান সালেহ্  বলেন, ‘সব সময় এলাকায় উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ড করেছি। এলাকার নেতা–কর্মীসহ সাধারণ মানুষের দুর্দিনে পাশে থেকেছি। আশা করছি, সব কিছু বিবেচনা করে দল আমাকেই মনোনয়ন দেবে। মনোনয়ন পেলে দলের সবাইকে নিয়ে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করা হবে।’

আফজাল এইচ খান বলেন, ‘ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদে এই আসন থেকে দুইবার প্রতিনিধিত্ব করেছি। শুধু নেতা-কর্মী নন, এলাকার সব মানুষের দুর্দিনে পাশে থেকেছি। আশা করছি, দল আমাকেই মনোনয়ন দেবে। মনোনয়ন পেলে ক্ষমতাসীন দলের কাছ থেকে আসনটি পুনরুদ্ধার করা হবে।’

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে