৪ঠা জুন, ২০২০ ইং ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
এমপি ফজলে করিমের ভাইয়ের মৃ’ত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক! বগুড়ায় নতুন আরও ২৬ জন করোনায় আক্রান্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আম খান। অর্ডার করুন ফেসবুকে যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের জালে ২কেজি গাঁ’জা... স্টেপ প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি

রাজশাহীতে বন্দুকযুদ্ধে ১০ মামলার আসামি কালু নিহত,আহত ৯

  সমকালনিউজ২৪

নাজিম হাসান,রাজশাহী প্রতিনিধি:
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার সীমান্ত এলাকায় মাদক কারবারীদের দুই পক্ষ ও পুলিশের ত্রিমূখী সংঘর্ষে জিয়ারুল ইসলাম ওরফে কালু নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বাঘা ও চারঘাট থানায় অস্ত্র আইন ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ১০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার (১০ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাঘার সীমান্ত এলাকার কেশবপুর গ্রামের আমবাগানে বন্দুকযুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়ারুল ইসলাম উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের মৃত. আব্দুল খালেকের ছেলে। এদিকে, চোরাকারবারিদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৯ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহসিন আলী। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতরা হলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব, সহকারী পুলিশ সুপার নূরে আলম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক খালেদুর রহমান, বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ মহসীন আলী, জেলা গোয়েন্দা শাখার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস.আই) উৎপল কুমার, এসআই উসমান গনি, বাঘা থানা উপ-পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম এবং কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম ও মাহাফুজুল আলম। এদিকে, নিহত কালুর স্ত্রী ইসমা বেগম দাবি করেছেন, আগের দিন বুধবার রাত ১১ টার দিকে কিশোরপুর এলাকা থেকে তার স্বামী ও ব্যবসায়ী পার্টনার চান্দু মোটর সাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিল। পথিমধ্যে গোকুলপুর এলাকার হাজরাপাড়া বালুর ঘাট এলাকায় গতিরোধ করে সাদা পোষাকধারি ৪ জন লোকজন মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। এবং তার স্বামীর মোটরসাইকেলটি ফেলে রেখে যায়। এবিষয়ে চারঘাটের সহকারি পুলিশ সুপার নূরে আলম জানান, শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ভারতীয় সীমান্ত এলাকার কেশবপুর গ্রামের একটি আমবাগানে দুই দল মাদক ও চোরাকারবারী নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে দুই পক্ষই পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ও গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে কিছুক্ষণ পরই মাদক ও চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে জিয়ারুল ইসলাম ওরফে কালুকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক। তিনি আরও জানান, সংঘর্ষের পর বাগানে তল্লাশি চালিয়ে এক বস্তা ফেনসিডিল, একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানতে চাইলে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আক্তারুজ্জামান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই গুলিবিদ্ধ জিয়ারুলের মৃত্যু হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর আহত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
রাজশাহী বিভাগ বিভাগের সর্বশেষ
ওপরে