১৭ই জুন, ২০১৯ ইং ৩রা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে সংগ্রাম করে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে... বিদ্যালয়েে দেহব্যবসা চালাচ্ছেন দপ্তরি-নৈশপ্রহরী, শুনে... আমতলী উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে বিদায়ী ও নবাগত নির্বাহী... রাজাপুরে ওয়ারেন্ডভুক্ত আসামী গ্রেফতার বগুড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিয়ে সংঘর্ষ একজনকে...

রাবির দুই শিক্ষার্থীর মদপানে মৃত্যু

  সমকাল নিউজ ২৪

নাজিম হাসান,রাজশাহী সংবাদদাতা:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) দুই শিক্ষার্থীর মদপানে মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন, গতকাল রবিবার ভোর ও সকালে তাদের দুই জনের মৃত্যু হয়। আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মোহতাসিম রাফিক খান তুর্য ও অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র তুর্য রায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে জানান, রাফিক খানের বাড়ি খুলনা। আর তুর্য রায়ের বাড়ি নীলফামারি। তুর্য মহনগরীর বালিয়াপুকুর এলাকায় একটি ছাত্রাবাসে থাকতেন। আর রাফিক খান থাকতেন মোন্নাফের মোড়ের একটি ছাত্রাবাসে। দুজনই ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ছিলেন। দুজনের বন্ধুত্ব ছিল খুব ভাল। অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর আরো জানান, শুক্রবার রাতে রাফিক খান, তুর্য রায় এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী এক সঙ্গে মদপান করে ছিলেন। এদের মধ্যে রাবির দুই শিক্ষার্থী মারা গেছেন। শনিবার রাত ১০টার দিকে রাফিক খান তুর্য তাকে ফোন করে মদপানের কারণে তাদের দুজনের অসুস্থতার কথা জানান। তিনি তাদেরকে তার বাসার রোড এলাকার ছাত্রাবাসে ডাকেন। তখন রাফিক খান ও তুর্য রায় তার ছাত্রাবাসে যান। তোহরাব তাদের হাসপাতালে নিতে চাইলে তারা বলেন, কিছুক্ষণ বিশ্রাম করলে তারা ঠিক হয়ে যাবেন। এসময় তাদের ডাবের পানি ও স্যালাইন পান করতে দেন। এরপর তারা সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর রাত তিনটার দিকে রাফিক খান বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ৪টার মধ্যে তাকে রামেক হাসপাতালে নেয়া হয়। এরই মধ্যে ছাত্রাবাসে থাকা তুর্য রায়েরও অবস্থার অবনতি হয়। তখন তাকেও হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে গতকাল রবিবার ভোর ৫টার দিকে রাফিক খান এবং সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তুর্য রায় মারা যান। রাবি প্রক্টর অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর বলেন,তাদের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের (রামেক)হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে।এবং নিহত দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে। তারা আসলে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনরা মরদেহ নিয়ে যাবেন।#

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে