২০শে আগস্ট, ২০১৯ ইং ৫ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ই’য়াবা সহ আটক-১ মহাদেবপুর-ছাতড়া সড়ক খানাখন্দে ভরা; দূর্ভোগ চরমে বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবকদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন সাংবাদিক ইকবাল হোসেনের শ্বশুরের ইন্তেকালে শোক প্রকাশ দুর্গাপুরে মা সমাবেশ

রিফাত হ’ত্যা মামলার পুলিশ প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২২ আগস্ট

 মোঃ আসাদুজ্জামান,বরগুনা, সমকাল নিউজ ২৪

বরগুনা ::  বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হ’ত্যা মামলায় আজও চার্জশীট দিতে পারেনি পুলিশ। নতুন করে আগামী ২২ আগস্ট পুলিশের প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত। আজ সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে বরগুনার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে গ্রে’ফতারকৃত ১৪ জন আ’সামীকে আদালতে হাজির করা হয়। যশোরের শিশু-কিশোর সংশোধন কেন্দ্রে থাকায় রাতুল সিকদারকে আদালতে হাজির করা হয়নি।

রিফাত হ’ত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আ’সামীরা হচ্ছে, রিফাত ফরাজী, রিশান ফরাজী, চন্দন সরকার, রাব্বি আকন, হাসান, অলি, টিকটক হৃদয়, সাগর, কামরুল ইসলাম সাইমুন, আরিয়ান শ্রাবন, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, তানভীর, নাজমুল হাসান, রাতুল সিকদার ও আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আ’সামী মুসা বন্ড, ৭ নম্বর আ’সামী মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, ৮ নম্বর আ’সামী রায়হান ও ১০ নম্বর আ’সামী রিফাত হাওলাদারকে এখনো পুলিশ গ্রে’প্তার করতে পারেনি। প্রধান আ’সামী নয়ন বন্ড গত ২ জুলাই পুলিশের সাথে ব’ন্দুকযু’দ্ধে নিহত হয়েছে।

গত ২৬ জুন সকালে প্রকাশ্যে বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনে রিফাতকে কুপিয়ে আ’হত করা হয়। গুরুতর আ’হত অবস্থায় বরিশাল নেওয়ার পর তিনি মা’রা যায়। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনকে আ’সামী করে বরগুনা থানায় হ’ত্যা মামলা করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বরগুনা থানার পরিদর্শক মো. হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, প্রতিবেদন তৈরী করতে না পারায় আজ তিনি আদালতে দাখিল করতে পারেননি। তবে পরবর্তী তারিখে তিনি প্রতিবেদন দাখিল করতে পারবেন বলে আশাবাদী।

আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মাহাবুবুল বারী আসলাম জানিয়েছেন, গত ৩০ জুলাই তদন্তকারী কর্মকর্তার প্রতিবেদন দাখিলের কথা ছিলো। ওই তারিখে তিনি প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। আজকেরও পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তিনি জানিয়েছেন, রিফাত হ’ত্যার সাথে জড়িত থাকা আ’সামীদের নাম উল্লেখ করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন করলে এবং বিচারক তা গ্রহন করলে সেটিই চার্জশীট হিসেবে গন্য হবে।

মা’মলার প্রধান সাক্ষী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে গত ১৬ জুলাই রাতে পুলিশ গ্রে’ফতার করেছে। পরেরদিন তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। তার দুদিন পরে মিন্নিকে আদালতে হাজির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

৩১ জুলাই সেই স্বীকারোক্তি প্রত্যাহারের জন্য মিন্নি কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বরগুনার জ্যেষ্ঠ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে আবেদন করেছেন। বিচারক তার আবেদন গ্রহন করে নথিভূক্ত করেছেন।

মিন্নি গ্রে’ফতারের পরে বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বলেছিলেন, রিফাত হ’ত্যার পরিকল্পনার সাথে মিন্নি জড়িত। পরবর্তীতে বলেছেন, হ’ত্যাকারী অনেকের সাথে মিন্নির আগে ও পরে কথা হয়েছে। হ’ত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে মিন্নির নাম চার্জশীটে যুক্ত হবে, এটা অনেকটা নিশ্চিত।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
বরগুনা বিভাগের আলোচিত
ওপরে