২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভালো কাজের মনোভাব নিয়ে কাজ... মোড়েলগঞ্জে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে বিদ্যালয়ের পাঠদান দুর্গাপুরে শারদীয় পূজা উপলক্ষে সরকারি অনুদান প্রদান হোমল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সের ৭ সিলেটি পরিচালকের বিরুদ্ধে... মহিপুরে নানা অয়োজনে উদযাপিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ...

শাটলের ভোগান্তিতে চবি শিক্ষার্থীরা,প্রশাসনের নেই কোন তদারকি

 জুনায়েদ খান,চবি প্রতিনিধিঃ সমকালনিউজ২৪

ট্রেনের ইঞ্জিন, ছাদ ও বগির দরজাগুলোতে ঝুলে থাকা এটা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনের দৃশ্য। শহর থেকে আসা শিক্ষার্থীদের এই বেহাল দশার প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের নেই কোন নজরদারি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের অনার্স (সম্মান) প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু হয়েছে আজ (মঙ্গলবার) থেকে।এসময় এই অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো চোখে পড়ে। এতে করে যেকোনো সময় ঘটতে পারে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। এছাড়া ট্রেনের ভেতরে গাদাগাদি করে যাতায়াতের সময় স্বাস্থ্যবিধিও মানছে না কেউই।

জানা যায়, মাইলেজ ইস্যু সমাধান হওয়ার পরও বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয় রুটের তিন জোড়া শাটল ট্রেন এখনও চালু হয়নি। ‘অজানা কারণে’ বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই জোড়া ডেমু ট্রেনও। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস করতে এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিষয়টি সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো তদারকি এতদিন দেখা যায়নি। যদিও প্রশাসন আগামীকাল বুধবারের মধ্যে সমাধানের কথা জানিয়েছেন।

সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, বিকেল ৪টায় ছেড়ে যাওয়া ট্রেন স্টেশনে আসতেই হুমড়ি খেয়ে ট্রেনে উঠতে থাকেন নবিন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। ট্রেনের ভেতরে গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে যাত্রা শুরুর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন অনেকে। বগির ভেতরে জায়গা না হওয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শাটল ট্রেনের ছাদে, ইঞ্জিনে এবং বগির দরজাগুলোতে ঝুলে রওনা হন বহু শিক্ষার্থী। এমন ঝুঁকিপূর্ণ চিত্র দেখা গেলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কিংবা রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্টেশনে কোনো তদারকি লক্ষ্য করা যায়নি।

এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বর্ষের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হয় আজ থেকে। তাই শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেনে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ভিড়ের মধ্যে জায়গা না পাওয়ায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে অনেক শিক্ষার্থীকে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্র বলেন, ‘একদিকে নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু, অন্যদিকে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটের শাটল এবং ৮টা ৩০ মিনিটের ডেমু ট্রেন বন্ধ। ট্রেনে পা রাখার জায়গা নেই। অন্যদিকে ৯টা থেকে ভাইভা। ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে ফাইজলামি শুরু করেছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রেলওয়ের চট্টগ্রাম পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও আগে বললে আমরা প্রস্তুতি নিতে পারতাম। আমাদের বলা হয়নি। আমাদের জানিয়েছে গতকাল রাতে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা হয়েছে। আজ না হলেও আগামীকাল থেকে ট্রেন স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। ডেমু ট্রেন চালুর বিষয়ে রেলওয়ে এখনও কিছু জানায়নি। তবে ট্রেনের ছাদে ও ইঞ্জিনে ভ্রমণ না করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।’

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
শিক্ষা বিভাগের সর্বশেষ
ওপরে