১৬ই জুলাই, ২০১৯ ইং ১লা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
ফুলগাজীর সেই বৃদ্ধ উপজেলা চেয়ারম্যান থেকে  ২০কেজী চাউল... মতলব কৃষি ব্যাংকে চুরির ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন... মায়ের পরকিয়া দেখে ফেলায় শিশুকে জবাই, ৬ মাস পর ইউপি... দুর্গাপুরে বাস ট্রাকের সংঘর্ষে শিক্ষার্থী নিহত ডিবিওয়াইও’র এডুকেশন ট্যুর!

শোভন-রাব্বানী আহতদের দেখতে গিয়ে তোপের মুখে

  সমকাল নিউজ ২৪

আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দেখতে গিয়ে পদ বঞ্চিতদের তোপের মুখে ফেরত এলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণার পর মধুর ক্যান্টিনে মারধরে আহতদের দেখতে তারা ঢাকা মেডিকেলে যান। পরে জরুরি বিভাগের গেট থেকে ফেরত আসেন ।

কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী রাত পৌনে এগারটার দিকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে আহতদের দেখতে গেলে সেখানে আহতদের সঙ্গে থাকা শতাধিক নেতা-কর্মী বাধা দেয়। প্রায় আধা ঘণ্টা বাকবিতণ্ডার পর পিছু হটেন শোভন রাব্বানী।

এ সময় উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকেন। শোভন ও রাব্বানী মেডিকেলের গেটে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের পথ রুদ্ধ করে রোকেয়া হলের সভাপতি ও ডাকসুর ক্যাফেটেরিয়া বিষয়ক সম্পাদক বিএম লিপি আকতার। এ সময় সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‌‌রাজাকার পুত্র, বিবাহিত, অছাত্রদের কমিটিতে রেখেছেন, আমাদের মত ত্যাগীদের কেন মূল্যায়ন করেন নি।’

জবাবে রাব্বানী বলেন, ‌‌‌‌‌ ‘সামনে মূল্যায়ন করা হবে।’ একই সময় আল আমিন বলেন, ‌যাদের কমিটিতে রেখেছেন তারা কোন বিবেচনায় আমাদের চেয়ে যোগ্য’

শোভন বলেন, ‌সবকিছু বিবেচনা করা হবে। আমরা আহতদের দেখতে আসছি।’

এ সময় সাবেক কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইফুদ্দিন বাবু বলেন, ‌ত্যাগী নেতাদের মারধর করে, কেন সিম্পেথি নেওয়ার জন্য এসেছেন? কোনোভাবেই এই নাটক করতে দেওয়া হবে না।’

পরে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক হাসপাতালে প্রবেশ না করে চলে যান।এর আগে সন্ধ্যা পৌনে সাততটার দিকে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের ঘোষিত কমিটি প্রশ্নবিদ্ধ বলে সংবাদ সম্মেলন করতে আসেন পদবঞ্চিত ও আশানুরুপ পদ না পাওয়াদের একাংশ।

এসময় সিন্ডিকেটের কালো হাত ভেঙে দাও স্লোগান দিয়ে তাদের ওপর চেয়ার ও পানির বোতল নিক্ষেপ করে কমিটির পক্ষের নেতা-কর্মীরা। এতে রোকেয়া হলের শ্রাবনী দিশাসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়।পরে তারা আহতদের নিয়ে ঢাকা মেডিকেল যায় এবং সেখানে অবস্থান নেয়।

প্রত্যকক্ষদর্শী জিয়া হল ছাত্রলীগের নেতা তুহিন রেজা জানান, বি এম লিপি, সাদ বিন কাদের, শামস ই নোমান, তানভীর হাসান সৈকত, শ্রাবনী শায়লা, তিলোত্তমা শিকদার ব্যানার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন। আর বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং একপর্যায়ে চেয়ার ও পানির বতল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে