২২শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৭ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
বরগুনায় আদালতের নির্দেশে সন্তানের ম’রদেহ ফিরে পেলেন... ভারতে যাচ্ছেন চার জেলার ডিসি-এডিসিরা পতীতলায় ইউএনও সাথে গ্রাম পুলিশদের মতবিনিময় সভা সীমান্তে বিএসএফের গু’লিতে ঠাকুরগাঁওয়ের যুবক নি’হত  আলমপুুর ইউনিয়ন  বিএনপির ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি...

বাগেরহাটে সর্বহারা পরিচয়ে ৬ শিক্ষককে হ’ত্যার হুমকি

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সমকালনিউজ২৪

দীর্ঘ এগারো বছর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি থাকার পর এবার ভারমুক্ত হলেন শামীম আহমদ (ভিপি শামীম)। সোমবার (২৯ জুলাই) সিলেটের কবি নজরুল ইসলাম অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলরদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। তার সাথে সিলেট জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জেলা পরিষদ সদস্য শামীম আহমদ।

সভাপতি পদে শামীম আহমদ (ভিপি) পেয়েছেন ১১৫ ভোট। তার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা সেলিম উদ্দিন পান ৮৬ ভোট আর অপর প্রার্থী আলমগীর পেয়েছেন ৭৩ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য শামীম আহমদ পেয়েছেন ১০৭ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী যুবলীগের সিনিয়র নেতা জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭১ ভোট। এছাড়া খাদিম পাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এড. আফসর আহমদ পান ৬৭ ভোট।

২০০৩ সালের পর প্রথমবার অনুষ্ঠিত হয় সিলেট জেলা যুবলীগের কাউন্সিল। দীর্ঘ ১৬ বছর পর অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে ভোটারদের সরাসরি ভোটে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়।

যুবলীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০০৩ সালের ৩০ জুলাই। ঐ সম্মেলনে জগদীশ দাস সভাপতি ও আজাদুর রহমান আজাদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর আর কোনো কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় নি। হয়নি নতুন কোনো কমিটি। ২০০৮ সালে জগদীশ ও আজাদ সিটি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে জেলা যুবলীগের পদ ছেড়ে দেন তারা। পরবর্তীতে আবু তাহের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, খন্দকার মহসিন কামরানকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

এরপর আবু তাহের কারান্তরীণ হলে জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পান শামীম আহমদ। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে এই কমিটিই সিলেট জেলা যুবলীগের নেতৃত্ব দিয়ে এসেছিল। এরপর কেটে গেছে এক দশকের বেশি সময়। এই দীর্ঘ সময় থেকে ভারপ্রাপ্ত দিয়েই চলছিল জেলা যুবলীগ।

সর্বহারা পরিচয়ে মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজের ৬ শিক্ষকের কাছে মোবাইল ফোনে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি সহ প্রাণে মেরে ফেলার হু’মকি দিয়েছে।

শনিবার (১০ আগস্ট) এ ঘটনায ভুক্তভোগী শিক্ষকদের পক্ষে মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ মো. গোলাম মোস্তফা নিরাপত্তা ও প্রতিকার চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

পুলিশ জানায, একটি চক্র সর্বহারা পরিচয়ে কয়েক দিন ধরে পালাক্রমে মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজের ৬ শিক্ষকের কাছে মোবাইল ফোনে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে তাদেরকে হ’ত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়।

যাদের হুমকি দেয়া হয়েছে তারা হলেন- মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. গোলাম মোস্তফা, সহযোগী অধ্যাপক (হিসাব বিজ্ঞান) মো. আসাদুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক (ব্যাবস্থাপনা বিভাগ) মো. আব্দুল জব্বার, সহকারী অধ্যাপক (অর্থনীতি বিভাগ) সঞ্জিৎ বল, সহকারী অধ্যাপক (দর্শন বিভাগ) পবিত্র কুমার মণ্ডল ও সহকারী অধ্যাপক (বাংলা বিভাগ) জাহিদুল হাসান আকন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা জানান, আমাদের মোবাইর ফোনে চাঁদা দাবি করেছে সর্বহারা পরিচয়ে। চাঁদা না দিলে হ’ত্যার হুমকিও দিয়েছে। এ অবস্থায় আমি ও শিক্ষকগণ তাদের পরিবারের সদস্যরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে আছেন।

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আব্দুল্লাহ বলেন, ৬ শিক্ষককের কাছ থেকে চাঁদা দাবিসহ হ’ত্যার হুমকি দেয়ায় থানায় জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
বাগেরহাট বিভাগের সর্বশেষ
বাগেরহাট বিভাগের আলোচিত
ওপরে