১৯শে জুলাই, ২০১৯ ইং ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
পঞ্চগড়ে মাতৃত্বকালীন ভাতা উত্তোলনে ভোগান্তি,দেখার কেউ... দাগনভূঞায় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও পোনা... ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তরুণ প্রজন্ম নেটের বিভিন্ন... আমতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হাজার- হাজার সমর্থকদের... বরগুনায় জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত

সাংবাদিকদের ওপর হামলায় উৎসাহিত করেছে রাবি প্রশাসনের নীরব ভূমিকা

 জান্নাতুল ফেরদৌস,রাবি, সমকাল নিউজ ২৪

বিভিন্ন সময় ছাত্রলীগ কর্তৃক সাংবাদিকরা নির্যাতিত হয়েছে। এসব হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে। প্রশাসনের নীরব ভূমিকাই ছাত্রলীগ নামধারি সন্ত্রাসীদের উৎসাহিত করেছে।

ডেইলি স্টারের রাবি প্রতিনিধি আরাফাতের ওপর ছাত্রলীগের হামলার দুই বছরেও মামলার অগ্রগতি না হওয়ার প্রতিবাদ আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন। বুধবার (১০ জুলাই) দুপুরে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আরাফাত রাহমানের ওপর হামলায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতাদের পরিচয় ও ঘটনার ভিডিও বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুই বছর পার হলেও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে পারেনি প্রশাসন। শুধু আরাফাত রহমানই নয় ২০১৬ সালে মর্তুজা নুর, গত বছরের ডিসেম্বরে সাংবাদিক আলী ইউনুস হৃদয়ের ওপর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা করে। এসব হামলার কোনো বিচার হয় নি। প্রশাসনের ছত্রছায়ায় অভিযুক্তরা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে। বক্তারা মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আহমেদ ফরিদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মর্তুজা নুর, সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সুজন আলী, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী ইউনুস হৃদয়, সহ-সভাপতি ইয়াজিম পলাশ, রাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জয়, কোষাধ্যক্ষ সালমান শাকিল।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ১০ জুলাই রাবি প্রধান ফটকের সামনে বাস ভাংচুরের ছবি তোলার সময় দ্য ডেইলি স্টারের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরাফাত রাহমানের ওপর হামলা করে শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ওই দিনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন আরাফাত এবং হামলায় অংশগ্রহণকারী ছাত্রলীগের ৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০ জনকে আসামি করে নগরীর মতিহার থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিহার থানার এসআই শিহাবুল জানান, মামলার তদন্ত এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনায় যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। খুব দ্রুতই জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. লুৎফর রহমান বলেন, ওই ঘটনার সময় আমি দায়িত্বে ছিলাম না। মারধরের ঘটনাটি শুনেছি। খোঁজ নিব। জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে