২রা জুন, ২০২০ ইং ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
বাস ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বগুড়ায় মানববন্ধন বরগুনায় ভিজিএফ চাল আত্মসাতের অভিযোগে দুই ইউপি... নন্দীগ্রামে করোনায় চিকিৎসক আক্রান্ত নওগাঁর আত্রাইয়ে লোকালয়ে হনুমান উৎসুক জনতার ভীড় সাপাহারে স্টার জলসায় ঝরে গেল নুশরাত জাহানের জীবন

সাংবাদিকের উপর হামলা;কালাবাহিনী আতঙ্কে মহিপুরবাসী

  সমকালনিউজ২৪

কুয়াকাটা প্রতিনিধি ::

পটুয়াখালীর মহিপুর প্রেসক্লাব সভাপতি ও জিটিভির কুয়াকাটা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম’র ওপর হামলা চালিয়ে ক্যামেরা ও মোবাইল ছিনতাই করে নেয়া হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় মহিপুরের আমবাগান এলাকায় এ হামলা ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বিগত উপজেলা নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতা করায় কলাপড়া উপজেলা আওমীলীগ থেকে বহিস্কৃত মহিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মালেক আকনের ছেলে মহিপুর থানা শ্রমীকলীগের বহিস্কৃত সভাপতি সােহাগ আকনসহ তার পোষ্য কালা বাহিনী এ হামলা চালিয়েছে।

এ সময় স’ন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হয়েছে সাংবাদিক মনিরের ছেলে শিহাব (১৭) ও তার ব্যবসার পরিচালক মনির খান। ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে স্মার্ট ফোন ও ভিডিও ক্যামেরা। মনিরকে গুরতর আহতাবস্থায় অবস্থায় প্রথমে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

সাংবাদিক মনির জানায়, তার উপর হামলাকারী সোহাগ আকন ২০১৪ সালে নারী পর্যটকদের শ্লী’লতাহানি, মারধরসহ ছি’নতাইয়ের অভিযোগে গ্রে’ফতার হয়। ওই সময় সাংবাদিক মনির সোহাগের ওই ঘটনায় সংবাদ পরিবেশন করায় তার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে সোহাগ আকন বিভিন্ন সময়ে হয়রানি করে আসছে। সোহাগ আকন সাংবাদিক মনির এর নিজস্ব ব্যবসায়িক কাজে বিভিন্ন সময় হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিল। সাংবাদিক মনির মহিপুর এলাকায় বালির ব্যবসা করেন। সম্প্রতি সোহাগ আকন মনিরের ব্যবসার পরিচালক মনির খানের কাছে চাঁদা দাবি করেন। শনিবার রাত ৮ টার দিকে সাংবাদিক মনির, তার ছেলে শিহাব ও ব্যবসার পরিচালক মনির খানকে নিয়ে মহিপুর আমবাগান এলাকায় গেলে সোহাগ আকন তার দলবল নিয়ে মনির খানের উপরে হামলা চালায়। মনির খানকে হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে কালাবাহিনীর সদস্যরা সাংবাদিক মনির এর উপর হামলা চালিয়ে তার সাথে থাকা মোবাইল ও ক্যামেরা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এসময় কালাবাহিনীর হামলায় সাংবাদিক মনির ও তার ছেলে শিহাব গুরুতর জখম হয়।

এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানিয়েছেন, বর্তমানে কালাবাহিনীর সদস্যরা ফের বেপড়োয় হয়ে উঠছে। তারা অবাধে চাঁদাবাজিসহ বীর দর্পে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সোহাগ আকন তার উপর আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুব আলম জানান, অভিযোগ পেয়েছি। আসামীদের গ্রে’ফতারের চেষ্টা চলেছে।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
পটুয়াখালী বিভাগের সর্বশেষ
পটুয়াখালী বিভাগের আলোচিত
ওপরে