২২শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং ৭ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
বরগুনায় আদালতের নির্দেশে সন্তানের ম’রদেহ ফিরে পেলেন... ভারতে যাচ্ছেন চার জেলার ডিসি-এডিসিরা পতীতলায় ইউএনও সাথে গ্রাম পুলিশদের মতবিনিময় সভা সীমান্তে বিএসএফের গু’লিতে ঠাকুরগাঁওয়ের যুবক নি’হত  আলমপুুর ইউনিয়ন  বিএনপির ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি...

সালথায় চাষীদের বিড়ম্বনা নছিমন ভর্তি পাট নিয়ে পানির খোঁজে কৃষক

 বুলবুল,ফরিদপুর, সমকালনিউজ২৪

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় পাট নিয়ে মহাবিপাকে পড়ে আছে কৃষক। নছিমন ভর্তি পাট নিয়ে আশ পাশের নদী-নালা,খাল- বিল, খানা-খন্দড়, যেখানে পানি আছে সেখানে পাট পঁচানোর জন্য ছুটছে অবিরাম।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় এবার এ উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার হেক্টও জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। পাট চাষের ক্ষেত্রে পানির অভাব পূরন করতে গভীর নলকুপ সেচ যন্ত্র হিসাবে ব্যবহার করে জার্মিনেশন করা হয়েছে।

সোনালী আঁশে ভরপুর , ভালোবাসি ফরিদপুর এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে ফরিদপুরের পাট চাষীরা অধিক আগ্রহে পাটের আবাদ করতে সদা প্রস্তত থাকে। ফরিদপুরের সালথা এলাকার পাটের আঁশ উন্নত হওয়ায় এ স্বর্নসূত্র বাজার দখল করে আছে গৌরবের সাথে। তদুপরিও এসব সোনালী আঁশ উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকের বিড়ম্বনার শেষ নেই। সঠিক সময়ে বীজ বপনের প্রথম প্রতিবন্ধকতা যেমন পানি তেমনি পাট পঁচানোর জন্য সমস্যাও পানি।

শ্রাবনের আকাশে অঝোর ধারায় বৃষ্টিনা থাকার কারনে খাল-বিলে একদিকে পানি নাই অন্য দিকে ভরাট হয়ে যাওয়া নীচু জমি গুলো পানি ধারনের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। আবার কোথাও কোথাও বেড়িবাঁধ এবং নিজ ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষা করতে অপরিকল্পিত পানির প্রবাহ বাঁধা গ্রস্থ হওয়ার কারনে পানি শূন্যতার বিষয়টি মারাত্মক আকার ধারন করেছে যার ফলে ব্যয়বহুল হলেও দূরবর্তী কুমার নদে নছিমনে ভরে পাট নিয়ে পঁচানোর জন্য জাগ দেওয়ার মানসে ছুটছে কৃষক। আবার প্রভাবশালীদের নিকট থেকে পানি আছে এমন খানা-খন্দড় কিনে নিয়ে পাট পঁচানো হচ্ছে এমনব্যবস্থাও চালু আছে গ্রামে বলে কৃষক জানিয়েছেন।

এদিকে এ স্বর্নসূত্র বা সোনালী আঁশ চাষকরে কৃষক লাভবান হতে পারছেনা। পাটের ন্যায়্য মূল্য না পেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক পাট চাষের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

অর্থকরী ও রপ্তানীযোগ্য ফসল পাট চাষীদের টিকিয়ে রাখতে তাই পাটের ন্যায্য মূল্য নিদ্ধারনসহ পাটের বহুমাত্রিক ব্যবহার নিশ্চিত করা আজজন-দাবিতে পরিনত হয়েছে। বর্তমানে মন প্রতি পাটের দর ১৪ থেকে ১৫শ টাকা বাজারে বিক্রয় হচ্ছে।

সরকারের কাছে পাটের মূল্য মন প্রতি ৩ হাজার টাকা নির্দ্ধারনের দাবী জানিয়েছে কৃষক পাশাপাশি এ  এলাকার নদী-খাল খনন করে পানি ধারনের উপযোগী করে গড়ে তোলার দাবীও করছে তারা।

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ফরিদপুর বিভাগের সর্বশেষ
ফরিদপুর বিভাগের আলোচিত
ওপরে