১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ইং ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

samakalnew24
samakalnew24
শিরোনাম:
স্বামীর লাশ ওয়ারড্রবে রেখে অফিস করলেন স্ত্রী! ঐক্যফ্রন্টকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর দাওয়াত চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ করার দাবিতে মানববন্ধন বন্য হাতির আক্রমণে নিহত জাসদ নেতা সাইমুন কনক গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ইয়াবা কারবারিদের বাড়িঘর

স্কুল শিক্ষার্থীকে জোর করে মাদক খাওয়ানোর অভিযোগ।

 মোঃ সাইদুল ইসলাম, রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি। সমকাল নিউজ ২৪

ঝালকাঠির রাজাপুরে মাদক সেবন করিয়ে সহযোগী বানানোর উদ্দেশ্যে জোর পূর্বক মাইনুল ইসলাম (১৩) নামের এক স্কুল শিক্ষার্থীকে মাদক খাইয়ে বেহুশ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগ উঠেছে এলাকার চিহ্নিত মাদক সেবনকারী রেজাউলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে রাজাপুর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। স্কুল শিক্ষার্থী মাইনুল বর্তমানে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মাইনুল উপজেলার এমএস আলম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র ও পূর্ব বাদুরতলা এলাকার মৃত. আঃ হাই মল্লিকের ছেলে।

মাইনুলের বড় ভাই বুলবুল আহম্মেদ জানান, উপজেলার পশ্চিম বাদুরতলা এলাকার রুস্তুম হাওলাদারের ছেলে রেজাউল ইসলাম দীর্ঘদিন মাদকের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে এমনকি ও মাদকের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদ্রাসা থেকে তাকে বহিস্কার করা হয়। রেজাউল গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাদুরতলা বাজার থেকে মাইনুলকে ডেকে নিয়ে বাজারের কাছে থাকা বিষখালী নদীর পাসে নিয়ে জোর করে মাইনুলকে অনেক গুলো নেশা জাতিয় ঔষধ খাওয়ায়। এর কিছুক্ষন পরেই মাইনুল অজ্ঞান হয়ে পরে। এর কিছুক্ষন পরে স্থানীয়রা মাইনুলকে এভাবে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে মাইনুল বমি করাসহ তার শরীরে অনেক অসুস্থ্যতা দেখাদিলে তাৎক্ষনিক রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়।

এ বিষয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ শিব শংকর জানান, ওর পেটে চেতনা নাশক কোন ঔষধ পড়তে পারে তবে তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

স্থানীয়রা জানান, রেজাউল একজন চিহ্নিত মাদক সেবনকারী এবং সে প্রায়ই এ রকমের ছেলেদের মাদক সেবন করায়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মজিবুর রহমান মোল্লা বলেন, আমি শুনেছি ঘটনাটি সত্য তবে আমি জিজ্ঞাসা করলে তারা গুমের ট্যাবলেট খাওয়ানোর কথা বলেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রেজাউলের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি ওকে কোন মাদক খাওয়াইনি শুধু একটু ইজিআম দিয়েছিলাম। আমি বিষয়টি বুজতে পারিনি যে এতদুর হবে।

এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ওসি (তদন্ত) মাইনুদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ইমেইল থেকে
ওপরে